পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৯৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৮২ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান প্রতীকের আবশ্যক হয় এবং মনের যেমন পরিবর্তন হয়, প্রতীকেরও সেইরূপ পরিবর্তন করিতে হয়। এই ‘সাপেক্ষ ভাব’এ কিছুকাল থাকিলে অর্থাৎ এই অবস্থায় দৃঢ়ীভূত হইলে, সহসা এক বিপর্যস্তভাব আসিয়া থাকে। ইহাকে বিপরীত শক্তির ‘সাম্য কেন্দ্র’ বা ‘Point of polarisation' বলা হয়। তখন মনের আর পূর্ব অবস্থা ভাল লাগে না। মন তখন নূতন পন্থা অবলম্বন করিতে চায়। বাহ্যিক প্রতীক হইতে তখন নিজের অন্তরের দিকে দৃষ্টি হয়। মনের ভিতর কি হয়, মনের বৃত্তি কিরূপ হয়—ইত্যাদি চিন্তাসমূহ তখন আসিতে আরম্ভ হয়। ইহাকে ‘নিরপেক্ষ ভাব’ বা ‘on-interdependent idea' বলে। এই অবস্থায় বাহ্যিক প্রতীকের উপর নির্ভর না করিয়া, নিজের অভ্যন্তরস্থিত শক্তি, বৃত্তি ও প্রক্রিয়ার দিকে মন অনুধাবন করে এবং নিজের স্বরূপ উপলব্ধি করিতে প্রয়াস পায়। লণ্ডনে বক্তৃতাকালে স্বামিজী বলিয়াছিল, “আমি ভারতবর্ষের সমস্ত মন্দির প্রণাম করিয়াকরিয়া কপাল ফুলাইয়া ফেলিয়াছিলাম, কিন্তু হঠাৎ একদিন মনে আসিল-অকারণ এত ঘুরিয়া বেড়াইতেছি কেন ? বাহিরে খুঁজিতেছি কেন? যাহা খুজিতেছি, সে ত ভিতরেই পাওয়া যায়! তাহার পর স্থির হইয়া নিজের ভিতর খুঁজিতে লাগিলাম। ক্রমে ক্রমে শান্তি আসিতে লাগিল, জগতের গুঢ় বিষয় সকল উপলব্ধি হইতে লাগিল।” প্রথম অবস্থায় সাপেক্ষ ভাব আসিবে, কিন্তু পরে নিজ