পাতা:অতিথি (প্রথম বর্ষ ১৯৩০).pdf/১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হে পার্থী, দাড়াও তুমি ! ८९ठांशjद्र छनॉम्न 8प्लॉश उ*{cद*-गोंथों প্রিয়ার চিহ্ন কাজলে রয়েছে অীক : মুখে টল-মল আমাদের বনভূমি : হে পার্থী, দাড়াও তুমি! হে পার্থী, ব্যাকুল কেন ? আমাদের স্বারে সাঝের রঙের খেলা, হৰ্ষ-চপল পবনের হেলা-ফেলা । ঘন-অরণ্য তোমার কুলীয় হেন : সঙ্গী হে পার্থী, তোমার এত ! আমাদের বন মুখে আজ ঢলোঢলো : কোনখানে ক্রটি আমার, দেখেছে, বলে ! তোমায়-আমায়-মিলনে গোধূলি যেত! হে পার্থী, তোমার এত ! হে পার্থী , কাহার আশে ? ধরণীর কোন-দুর্গম-বন-শেষে প্রভাত ঘুমায় আঁধারের কোল ঘেসে : জাগাতে তাহারে বুঝি তা’র যাবে পাশে ! হে পাখী, কাহার আশে ? হে পার্থী, ব্যাকুল কেন ? হে পার্থী, কিসের ত্বর ? অকুল অাধার তোমার ডানায় লুটি' আসেনি এখনো খুলি তা'র কালে তোমার আকাশ বনের প্রান্তে ধরা হে পার্থী, কিসের ত্বরা ? হে পার্থী, কাকলি তব, গৃহের প্রদীপে, আকাশ-তারায় আদি’ শিথিলিয়া দেবে বনের হর্য-রাশি ; কুল-ছাপা স্বপ দু'হাত ভরিয়া ল’ব, হে পার্থী, কাকলি তব হে পার্থী, পুলক ঝরে ! আমাদের বন তোমার স্বপন আনি' পারে না দাড়াতে তোমারে নিবিড় টানি’ বিবশ তাহার বুকের সীমার পরে, হে পার্থী, পুলক ঝরে । হে পার্থী, বুঝেচি তোরে ! সুখে-ভরা বন আমার আজকে নয় ! আমার স্বপন তোমার ডানায় রয় ঝুটি । ধরার শিল্পরে আকাশের থরথরে ;

হে পার্থী, বুঝেচি তোরে !

হে পার্থী, সঙ্গে লও ! আমার বিরহে আৰ্ত্ত বিলাপ তুলি’ মুখের বনানী ওড়াবে না রাঙা ধুলি ! গহন অাধারে যেখানে বা তুমি রও, হে পার্থী, সঙ্গে লও ! ! হে পার্থী, তোমার আমি ! ঘরের প্রদীপ রাখিবে না আর ধরে’, অীকাশের তারা কোথায় যেতেছে সরে', দূর বনানীর গুঞ্জন গেছে থামি’ ; হে পাণী, তোমার আমি ! শ্ৰীসত্যেন্দ্র কুমার রায়