পাতা:অতিথি (প্রথম বর্ষ ১৯৩০).pdf/২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্মৃতিরেখা কুম্ভল সরাইয়া দিয়া ললাটে তাহার পাখার বা তাপ করিতে লাগিলাম..ধীরে ধীরে বীথি চোখ চাহিল.ওঃ, আমার আজও মনে পড়ে, কি স্বনিবিড় শান্তি, কি বিপুল বিরাম, কি মুম্পষ্ট কৃতজ্ঞতাই ন ফুটে উঠেছিল তখন তার অৰ্দ্ধনিমীলিত নয়নে!..আবার চক্ষু মুদিল, আবার চাহিল, আবার কহিল—এবার নীরবতায় নয়, ক্ষীণ স্তিমিত কণ্ঠে —as wui **R... Itộcs phone *FR i Phone’ নম্বরটা নিয়ে আমি রিং কলমি—শেষে ব’লে দিলাম, ভয়ের এখন কোন কারণ নেই..আমি পৌছে দিচ্ছি half an hourএর ( অfধ ঘণ্টার ) মধ্যে । ইউনিভারসিট Classএ (ক্লাসে) পূজাবকাশ আরম্ভ হতে বাকী আছে মাত্র কীট। দিন...আমি একদিন সহসা বীথির ঘরে গিয়ে উপস্থিত হ’লাম...দেখলাম পরেশ আর বীথি ...বীথি তখন ঈষৎ অপ্রস্তুত হ'য়ে গেল—ঠিক যেন কী একট। অপকৰ্ম্ম ক'রে ফেলেছে। আমি বল্লাম—বীথি, আমি-তো চল্লাম ‘অজস্তায়’ । বীথি চোখদুটো বড় ক’রে বল্লে—যেন সে কতই ভয় পেয়েছে—in that wild place ?—সেই ভয়ঙ্কর ষায়গায় ? আমি হেসে বল্লাম— wild (ভয়ঙ্কর) মোটেই নয়- আর তা’ ছাড়— বীথি শিউরে উঠে বল্লে—wild নয়তো কি ? শুনেছি, GGR atstā–“I’m ever grateful to you.” aloitssti Its well-protected (wafors) corta ștal, ( আমি তোমার কাছে চিরকৃতজ্ঞ ) । বীথি একটু স্বস্থ হতে, আমারই ওপর ভর দিয়ে আস্তে আস্তে এসে আমারই গাড়ীতে উঠলে । ...এমন সময় শিউলি বল্লে—সেদিন বেতার বাৰ্ত্তীয় আকাশবাণীর মধ্যে এটা শুনেছিলাম না ?” আমি বল্লাম—তা" হবে । শিউলি কথা আর না বাড়িয়ে বল্লে— তারপর ? তারপরের ঘটনাগুলো আর না ব’েল—আমি বল্লুম এই রকমেই বীথিদের সাথে চেনা হল আমার ।" ( ভিল ) মাসখানেক প্রায় হ’য়ে গেল.বীথিদের বাড়ী যাওয়া কমাতে বাধ্য হয়েছিলুম-কিন্তু চিঠি দেওয়ার কি Phone করার কামাই ছিল না। শিউলির সাথে রোজই ক্লাসে দেখা হ’ত বটে...কিন্তু আমায় আর শিউলি তেমন পেত না...সত্যি কথা, আমি একটু বিমনা হয়ে পড়েছিলুম বিশেষতঃ বীথিকে নিয়ে । বাড়ীময় যখন কথাটা ছড়িয়ে প’ড়ল যা সত্য তা’র তিনগুণ ছাপিয়ে, তখন কেমন যেন একটা জোর-করা-জেদ আমায় পেয়ে বসল-সে ক’রে হোক বীথিকে আমার পেতে হবে । আজও আমার মনে বেশ জলজল করছে সে সময়ট । তখন আমার ন পাওয়া যায় পেটে দেবার মত কোন খাদ্য । আমি সহজ স্বরেই বল্লাম—ও দুটো থাকলেও আমরা বড় ওর উপর ভর কতুমি না । বীথি বল্লে— কী জানি-- আপনাদের... ? পরেশ একটু হেসে উঠল.আমার শরীরের সমস্ত রক্ত গরম হ’য়ে উঠল । দুপুরবেলার ঘুমটা বেশ নিরালায় হ’য়ে গেছে... আমি তখন আমার চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছি— পা দুটো সামনের টেবিলের উপর । হয়তো তখন বীথির কথাই ভাব ছিলাম বোধ করি, নয়ত্তে মনটা কেন ধূমাচ্ছন্ন, অস্বস্তি ব'লে প্রতিভাত হচ্ছে ?.ষাক ভাৰলাম, শিউলিকেও খবর দেওয়া একটা দরকার...শিউলির কথা মনে হতে হ’তেই দেখলাম শিউলির গাড়ীটা এসে দরজার গোড়ায় দাড়িয়েছে••• আমি বল্লাম—‘উঠে এস।” শিউলি ব'ল্লে—একটা সংবাদ শুনে এলাম, সত্যি ? ন। জানলে তারিফ করি কেমন ক’রে ? বীরেন বাবু বল্লেন—“আপনার অজস্তা-যাত্রী।” আমি তখন একটু বিস্মথের ভাণে বন্থাম—তোমায় বলিনি ?...না...হয়ত ভুলে গেছ তুমি...বনমালী, বীরেন, সৌরী সকলেই যে যাচ্ছি আমরা এই পূজোর ছুটিতে p শিউলি আর কোন ভণিতার ধার দিয়ে না গিয়ে ব’লে উঠল—আপনারা ভারি fortunate (সৌভাগ্যশালী) సె