পাতা:অতিথি (প্রথম বর্ষ ১৯৩০).pdf/২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অতিথি ...কেমন চমৎকার জীবনযাত্র করতে চলেছেন... আমারও অান্তরিক ইচ্ছে ছিল—আপনার সঙ্গ নি...কিন্তু জানেন তো...আমরা জন্ম থেকেই পঙ্গু...একটা ধার আমাদের মুচড়ে ভেঙ্গে দেওয়া হ’য়েচে !’ শেষের কথাগুলো সত্যি আমায় ব্যথা দিল তখন— তখনকার বিদ্রোহী মনখানা আজও যেন চোথের সামনে আগুনের অক্ষরে জলছে । মাস দুই চ’লে গেছে। সে কথাটা আজও আমি ভুলতে পচ্ছি না—জানি না জীবনে কখন পারবে কি না ? হয়তো এ ঘোর অন্যায়, সত্যই খুব অনুচিত । কিন্তু তবুও...তবুও...মনের ওপর কোন হাতই নেই আমার...সে ঘা-টার কথা শত চেষ্টা সত্বেও যে জেগে রয়েছে দিন দুপুর ...সেদিন অজস্তা’ থেকে ফিরে এসে যখন প্রথমেই গেলাম বীথিদের বাড়ীতে —আপনাদের বলব কী—যে ব্যাপারটা প্রথমেই প’ড়ল আমার পোড়া চোখদুটোয়, তা’ আমাকে ব্যাকুল বিহবল না ক’রে থাকতে পারেনি.আমি দেখলাম বীথির মধ্যে যা কিছু দেখতে পাব আধ-ফোট কোরকের মত—যা চেয়ে আছে আমারই পথপানে এক অসামান্য উদভ্ৰাস্ত পিপাসা নিয়ে, তার কোনটীরই আভাস পেলাম না তার কি মুখ থেকে, কি চোখ থেকে. বরং পেলাম তা’কে ঠিক পেদিনকারই মত, যেন আজও কী একটা অপকৰ্ম্ম ক’রে ফেলেছে.পরেশকে দেখে আমার মতিভ্রান্ত হয়েছিল কিনা সে মুহূৰ্ত্তে—কে জানে ?..চায়ের পেয়ালাটা দেখিয়ে আমি তবে একটু টিপ্প নীর ভঙ্গিমাতেই বীথিকে ব’লে ফেল্লাম তখন, বাঃ, বেশ চলেছে আপনাদের !

  • अझ फिफू श्रांशद्र भांख, আর একখানি ছন্দ-মধুর কাব্য হাতে নিয়ে।” হয়তো একটু ব্যথা পেল বীথি ! চোখট। সে ঘুরিয়ে নিলে। আমি বল্লাম--বিদায় বীথি !

ওঃ, সেদিন কি মহা মত্ত আনন্দেই না শিউলিকে পেয়েছিলাম তা’র নির্জন কক্ষটীতে ! কী প্রচণ্ড উন্মত্ততাতেই ন নিগূঢ় ভালবাসার অব্যর্থ দান প্রতিদানে দু’জনে অধীর হয়ে উঠেছিলাম সেই নিভৃতিকাময়ী সন্ধ্যরাঙিমার অপূৰ্ব্ব মোহ পরশটুকুকে আপনাদের অস্তরের সাক্ষী ক’রে নিয়ে ! বীথির নিরালা-জীবনযাত্রা দেখে শিউলি আজও নাইতে, শুতে, স্মরণ করিয়ে দেয় আমায়—কী অন্যায় অভ দ্ৰ ব্যবহারই ক’রে এসেছিলাম আমি সেদিন, বীথির অনাবিল প্ৰেম-পুণ্য প্রাণখানি নিয়ে ! ८न्चीन्वट्ब्रन्ज्ञ न्ज्ञऽe শ্ৰীমাখনলাল মুখোপাধ্যায় কাহাকেও ছ’সাত বছরেরটা দেখিয়াছি, বছর দুই তিন পরের দেখা । দেখি, সে যেন দু’তিন বছরের চেয়ে ঢের বেশী বাড়িয়া উঠিয়াছে। আর একটা জিনিষ যা চোখে দেখেই লাগে—তাহার তন্থতে যৌবনের রঙ ধরিয়াছে। অস্থথে অনেককেই ভুগিতে দেখি । কিন্তু তাহার বয়স যদি ষোলর কোঠায় আসিয়া থাকে, তাহার দেহের শীর যতই কেন অপচয় ঘটুক না, একটু সারিবার মুখে আসিলেই তাহার অঙ্গের কোলে কাস্তির রেখা ফুটিতে থাকে—বুঝি, ইহার গায়ে যৌবনের রঙ লাগিয়াছে। যেমন আম্রমুকুলের ফলোদগমের পূর্বাভাস জানায় শুক্রন মুকুলের মাঝে হঠাং-ছেয়ে-যাওয়া একটা স্নিগ্ধ শু্যামলিমা তেমনি যুবকের অমুখের পরই মুখে, চোখে, গালে, So