পাতা:অতিথি (প্রথম বর্ষ ১৯৩০).pdf/৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অতিথি ১৩৩৭ অসীমতা বাদ দিয়াও এ-ভাবখানি হয়ত, অন্য কতকগুলি কথার সন্নিবেশে একই গভীরতা লইয়া আমাদের মনে তাহার দাবী জানাইয়া যাইতে পারে, কিন্তু এমন কতক গুলি জীব আছে যে-গুলি উপমা ছাড়া আর কিছুতে প্রকাশ সম্ভবপর নয়। কালিদাসের সঞ্চারিণী দীপ-. শিখেব রত্রেী যং যং ব্যতীয়ায়........... নরেন্দ্র মাগাঢ় { বিবর্ণভাবং, বা রবীন্দ্রনাক্সে তুমি যেন ওই অM উদার, আমি যেন এই অস ম্পাথার, মাঝখানে তা’র আকুল ই ছে আনন্দ-পূর্ণিমা। — আমাদের মনে যতখানি সঞ্চ "আনিয়া দিতে পারে, উপমা-বিহীন ভাষার মধ্যে ততখানি-ততখানি কেন, একটুও প্রকাশ আশা করিতে পারি না । উপমা আর-এক দিক্ দিয়া ভাব-সম্পদ বাড়াইয়া দেয় আগেরটা যেমন মাত্রার দিক্ দিয়া, শেষেরট তেমনি সংখ্যার বহুলতায় । ব্রাউনিঙের কাব্যে যেমন নিক্ষিপ্ত-প্রয়োগ (Paranthesis), শেলীর কাব্যে সেই রকম, উপমাই অৰ্দ্ধেক সৌন্দর্য, গোষ্ঠৰ, স্বষম বহিয়৷ আনে। নূতন-নূতন রূপ চোখের সম্মুখে ভাসয় উঠে ; স্বপ্ন-জগৎ খুলিয়া পড়ে ; আমরা গহন ভুলে হারা হইয় স্বপ্ন রচনায় লাগিয়া পড়ি । এবং এই-খানে একটা ভাব অসংখ্য রূপের মধ্যে প্রকাশ পাইয় আপনাকে অশেষ করিয়া তুলে। কাব্যের মধ্যে যে অতি’র ভাব বা immensity, যা প্রতিনিয়তই কাব্যকে জীবনের চেয়ে মহত্তর, বৃহত্তর, অধিকতর স্বন্দর করিয়া তুলে, উপমাই সে-টুকুর অনেকখানি সহায়তা করিয়া থাকে। বৈষ্ণব কাব্যই তাহার প্রমাণ। নীচের উদ্ধৃত-অংশ-টুকু তাহারই একটা দৃষ্টান্ত । যাহা যাহা পদযুগ ধৱই। তাহা তাহা সরোরুহ ভরই ॥ * बैंश ऍाश दलकङ अत्र । র্তাহ তাহ। বিজুরি তরঙ্গ । যাহা র্যাহা নয়ন বিকাশ । র্তাহি কমল পরক্ষণশ ॥ র্যাহা যাহা লহু হাস সঞ্চার । তাহা তাহা আমিঞা বিকার ॥ র্যাহা যাহা কুটিল কটাথ । র্তাহি মদন শর লাথ ॥’ (عي এ পর্য্যস্ত জগতে জীব-জন্তু-তরু-লতা-বস্তুর মধ্যে স্পষ্ট কোনে বিভাগ-রেখা টানিতে পারা যায় নাই । একটীতে আর-একটার ছোয়াচ, লাগিয়া থাকে। স্পঞ্জ জন্তু, না উদ্ভিদ ?...ঞ্জেলি তরল কি কঠিন ?...আর একটু পরিচিত দৃষ্টাস্ত ধরা ধাকু । সকাল, সন্ধ্যা ইহাদের, রাত্রি ব৷ দিবস,—কাহার অস্তভুক্ত করা যায় ?...তন্দ্রা জাগরণের, কি ঘুমের ?...এ গুলির মীমাংসা আজ পর্যন্ত হইল না। এ গুলি, ন হয় মানিয়া লইলাম, প্রাস্তোস্থিত দৃষ্টান্ত বা Marginal Instances : f: 4:{f fisit: taiদিগকে দুইটী বিভিন্ন জাতির অন্তর্গত বলিয়া নিদেশ করিয়াছে, তাহদের একটীতে অপরের ছায়া পড়িতে দেখি । এমিবা (Amaeba) হইতে মানুষ পর্যস্ত, সব জীবই Cell দিয়া তৈয়ারি । এই ত গেল, শারীরিক দিকের কথা ! আবার এভরিনফ ( Evrienoff )’এর মতে, কীট-পতঙ্গ-উদ্ভিদ হইতে অসভ্য, সভ্য মামুষের NIŲ Theatricality-X instinct-offi afs-Ufot; ভাবে কাজ করিয়া যায়।......বিভিন্ন সম্প্রদায়-ভূক্ত দুইট কবির মধ্যে অনেক পার্থক্য-সত্বেও আমরা যথেষ্ট মিল খুজিয়া পাই। দুইটা বিশিষ্ট চরিত্রের মধ্যে আমরা একই দোষ গুণের স্পন্দন অনুভব করি। এ গুলির অর্থ কি ? ...মনে হয়, যেন জগতের রহস্য প্রত্যেকের মাঝে মিলিয়া মিশিয়া একাকার হইয়া রহিয়াছে। উপমা একটীতে আর একটর ছায়া আনিয়া এই আশ্চর্য রহস্য খানি ভরিয়া দেয়। আমাদের মনের প্রতিনিয়ত অবস্থা (mood) হইতে অবস্থাস্তরে যাওয়ার যে বেগ, উপমা নূতন-নূতন