বরকন্দাজ দিয়ে ধরে এনে কাছারি ঘরে পুরে ফেলি। পারবে?
—আপনাকে একটা কথা বলি। ও বাজে ধরণের মেয়ে নয়। একটা শেষে কেলেঙ্কারি করে বসবেন? নীলি আসুক ঘরে, মিটে গেল। ওকে ঘাঁটাতে যাবেন না।
এত কথা বললাম—এই জন্যে যে জোয়ারদ্দার মশায় প্রৌঢ় ব্যক্তি, পান্নার বাবা কিংবা জ্যাঠামশায়ের বয়সী। এ বয়সে ওর অমন লালসার উগ্রতা দেখে লোকটার ওপর অনুকম্পা জেগেচে আমার মনে। আমার দলের লোক, আমি ত সব ছেড়েছি ওর জন্যে। নেশা এমনি জিনিস। তেমনি নেশা তো ওরও লাগতে পারে।
জোয়ারদ্দার মশায় নাছোড়বান্দা। ওর ইচ্ছা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বেড়ে গিয়েছে। যেই শুনেচে পান্নাকে পাবে না, অমনি পান্নাকে না পেলে আর চলচে না। ওকেই চাই, রাণী চন্দ্রমানকেও না।
আমি ওর সব কথা শুনে বললাম—ওর আশা ছাড়ুন।
—কেন? ওকি? অর্ডিনারি একটা খেমটাওয়ালী তো?
—তাই বটে, তবে ও অন্যরকম।
—কি রকম?
—আপনাকে খুলে বলি। আমি মশাই নিতান্ত রাধুনি বামুন নই। আমি ডাক্তার। ওর জন্যে সব ছেড়ে এসেছি। ওর দলে থাকিনে, ওর সঙ্গে এসেচি—
নায়েব অবাক হয়ে আমার মুখের দিকে চেয়ে দুষ্পাঠ্য