পাতা:অধিকার-তত্ত্ব.pdf/২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অধিকার-তত্ত্ব । 爵 ኜS হইলে হিন্দুশাস্ত্রেরই মর্য্যাদা রক্ষ হইবেক এবং হিন্দুদিগের বর্তমান অবস্থা উৎকৃষ্ট হুইয়া উঠিবে । হিন্দুহিতৈষী মহাত্মা-গণ যেন হিন্দুধৰ্ম্মকে কেবল পুতলিকার অপরাধনায় অণবদ্ধ না রাখেন । সে প্রকার বদ্ধভাব হিন্দুধৰ্ম্মে কোন কালে ছিল না । হিন্দুধৰ্ম্ম স্বাভাবিক ধৰ্ম্ম । তাহার নিম্নে পুত্তলিকা পূজা উৰ্দ্ধে ব্রহ্মারাধনা । হিন্দুশাস্ত্রের চুড়ান্ত-কথা এই যে ব্রহ্মজ্ঞান বিনা মুক্তি হয় না । ধৰ্ম্মের এ সকল তাৎপর্য্যই সত্য, সকলই স্বাভাবিক । উহার কোন এক অঙ্গকে ত্যাগ কর, দেখিবে তদদ্বার। কোন না কোন প্রকার অধিকারীকে বঞ্চিত করা হইবেক । অতএব যাহাতে ব্ৰহ্মজ্ঞান উপার্জন পূর্বক উচ্চাৰিকারীগণ ব্রহ্মকে লাভ করিতে পারেন এবং যাহাতে দুর্বলাধিকারীগণ স্ব স্ব অভিরূচি ও ধারণানুসারে পূজা অচৰ্চা করিয়া ভবিষ্যতে ব্ৰহ্মপূজা করিতে সমর্থ হন, যে সকল মহাত্মা এখন—এই ধৰ্ম্মবিপ্লব সময়ে তাহার উদ্যোগ ও যত্ন করবেন তঁtহারণই ভারতের প্রকত সন্তু ন । আমারদের এই অভিপ্রায় পাঠ করিয়া ব্রাহ্মগণ যেন উলট না বুঝেন । অমর ব্রাহ্মদিগকে পৌত্তলিক হইতে বলিতেছি না । বরং যা হাতে র্তাহারা সৰ্ব্বতোভাবে অপেীভলিক থাকেন আমারদের তাহাই ইচ্ছা । আমরা জানি যে ত্রহ্মের। অনেকে হিন্দুদিগের বাহ্য পৌত্তলিকতার সহিত কোন সংশ্রব রাখেন না । কিন্তু তাহারদের অন্তরে বেশ পৌত্তলিক ভাব বিরাজ করিতেছে । অনেক ব্রাহ্ম ব্রহ্মকেই আকাশ বা জ্যোতিরূপে পূজা করেন, তাছা অবশ্য পোঁত