পাতা:অধিকার-তত্ত্ব.pdf/৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


७२ অধিকার-তত্ত্ব | অধিকার উন্নত হইয়াছে। এইক্ষণ অসঙ্কোচে ব্রাহ্মধৰ্ম্ম প্রচার করিতে থাক, তাহাই লোকের পক্ষে ব্ৰহ্মজ্ঞান লাভের যথার্থ সোপান হইবেক । পৌত্তলিকভার পোষকত করিলে মুক্তিলাভের হেতুভূত ব্ৰহ্মজ্ঞান ভিরোহিত হইয়া যাইবেক ।” ৩ । কিন্তু ক্ষণকাল চিন্তা করিয়া দেখ, বর্তমান হিন্দু, মুসলমান, খৃষ্টান প্রভৃতি তাবৎ সমাজের ভাবৎ লোকেরই কি এখন ব্রহ্মজ্ঞান ও ব্রহ্মোপাসনার অধিকার যথার্থই উন্নত হইয়াছে ? সাঁওতাল, আবর, সিংপোহ, কুকী, এবং অামারদের দেশের হাড়ি, চৰ্ম্মকার প্রভৃতি জাতি সমূহ সকলেই কি প্লেীৰ্ত্তলিকতা পরিত্যাগ করিয়া রূপ-নামবিশেষণ-বিবর্জিত ব্রহ্মোপাসনা করিতে পারগ হইয়াছে ? এক দও বিবেচনা করিলে কিয়ৎ পরিমাণে বুঝিতে পরিবে যে, বর্তমান সময়ে এই ভারতবর্ষের শতাংশের একাংশ লোকেরও স্ব স্ব ব্রহ্মজ্ঞানের অধিকার অত্যন্তু দুৰ্ব্বলাবস্থায় রহিয়াছে, এবং অন্যান্য সকল দেশেরও এই ভাব । সাওতাল, কুকী, অবির প্রভৃতি পাৰ্ব্বতীয় জাতি সকলের মধ্যে এবং সুসভ্য জনপদ সমুহের নিবাসী অনেক ইতর ও ভদ্রজাতির মধ্যে স্থল-উপাসনা সুদ্ধ প্রচলিত রহিয়াছে এমত নহে, কিন্তু প্রায় সেই পূৰ্ব্বকালের ন্যায়ই জাগ্রত ও জ্বলন্ত রহিয়াছে। এখন তুমি তাহারদিগের সম্মুখে ব্ৰহ্মজ্ঞান প্রচার করিতে যাও, দেখিবে হয় তাহারা আদে তাহ গ্রহণ করিতে অস্মর্থ হইবেক, নয় যদি সৌভাগ্যক্রমে গ্রহণ করেও, তথাপি সেই ব্রহ্মকে হয় ব্রহ্মাবিষ্ণুর মত মনে বা