পাতা:অধিকার-তত্ত্ব.pdf/৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অধিকার-তত্ত্ব । ঔষ্ঠত 赛》 কর্তৃপক্ষেরা ভারতীয় দুৰ্ব্বলাধিকারীগণের আত্মার স্বাভাবিক অণবশুকীয় কনিষ্ঠ ধৰ্ম্মের উপদেশ দিতে প্রকাশুরূপে দণ্ডায়মান হয়েন নাই, কিন্তু তাহারদের অভিপ্রায় ও উদ্দেশ্বকে অতি উদার বোধ হইতেছে । তাহার। মুক্ত কণ্ঠে এইরূপ বলিয়াছেন যে— •

  • সমাজ বন্ধনে মুসলমান ও খৃষ্টানদিগের ন্যায় ব্রাহ্মদিগের অতি ব্যস্ত হইবার প্রয়োজন নাই ।” ( তত্ত্ববোঃ, শ্রাবণ ১৭৯১ ) {
  • ইতিহাসে দৃষ্ট হইবে যে সমুদয় মনুষ্য জাতি সাধারণতঃ সমান উন্নতিতে কখনই আরোহণ করে না ।” তত্ত্ববোঃ, কাৰ্ত্তিক ১৭৯১ ) “ স্পষ্টই দৃষ্ট হইতেছে যে সেই অ'ছকালের জড়োপাসনা অনেকের নিকট শ্রেষ্ঠ-প্রণালী বলিয়া অদ্যপি পরিগৃহীত রহিয়াছে । সেই কম্পিত দেব দেবী সকল অনেকের ভক্তিস্থত্রে অস্থাপি অনুস্থত হইয়া অাছে এবং সভ্যাভিমানী প্রসিদ্ধ জাতি সকলের মধ্যেও মনুষ্যোপাসনা মহা সমারোহে অনুষ্ঠিত হইতেছে।” তত্ত্ববেঃ “ অনেকে পরিমিত মনুষ্যত্বকেই সাধ্যানুসারে বিস্তৃত করিয়া, মনুষ্যের স্নেহ, প্রেম, দয়াকে, মনুষ্যের মনকে, কম্পনা দ্বারা দীর্ঘতর করিয়া মনোবিহীন ঈশ্বর বোধে আরাধনা করিতেছেন । এতাবত আমরা ইহঁারদিগের কাহায়ে। প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করিতেছি না ; কেবল এই মাত্র বলিতেছি যেমন একদিকে অনেক আত্মা অপেক্ষাকৃত উন্নতি লাভ করিয়াছে, সেইরূপ অন্যদিকে এখনুও অনেক আত্মা । বৰ্ত্তমান উন্নতির নিম্নে সঞ্চরণ করিতেছে । ব্রাহ্মধৰ্ম্ম যে