পাতা:অধিকার-তত্ত্ব.pdf/৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ ļa ] ৮ । “ কিন্তু পরব্রহ্ম-জ্ঞান হইলে, কোন নিয়মের প্রয়োজন থাকে না, যেমন মলয়ের বাতাস পাইলে তালের পাখী কোন কার্য্যে আইসে না।” ( মহা-নিৰ্ব্বাণ । ) ৯ ৷ ‘ অতএব বেদ পুরাণ তন্ত্রাদিতে যত যত রূপের কল্পন। এবং উপাসনা-বিধি দুৰ্ব্বলাধিকারীর নিমিত্তে কহিয়াছেন, তাহার মীমাংস। পরে এইরূপ শত শত মন্ত্র এবং বচনের দ্বার। আপনিই করিয়াছেন।” ( রামমোহন রায়, ঈশোপনিষদের ভূমিকা । ) ১০। “ হে জীবসকল ! উত্থান কর, অজ্ঞান-নিদ্রণ হইতে জাগ্রত হও এবং উৎকৃষ্ট আচার্য্যের নিকট যাইয়। জ্ঞান লাভ কর । পণ্ডিতেরা এই পথকে শানিতক্ষুরধারের ন্যায় দুর্গম করিয়া বলিয়াছেন।” (ব্রাহ্মধৰ্ম্মগ্রন্থ । )