প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/১০০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ম্যালেরিয়া। [ শ্ৰী রমেশচন্দ্র রায়, এল এম, এস, লিখিত। ] লোকক্ষয় । সকল ব্যক্তিই নিজ নিজ আয়-ব্যয়ের হিসাবনিকাশ করিয়া থাকেন ; আমরা যদি সমস্ত বাঙ্গালাদেশটাকে একটা বিরাট পরিবার মনে করিয়া একবার হিসাব লই যে, এই পরিবারের মধ্যে বৎসরে বৎসরে কত লোক জন্মাইতেছে ও কত লোক মৃত্যুমুখে পড়িতেছে, আর এই জমা (জন্ম) ও খরচের (মৃত্যু) নিকাশ করি, তবে স্পষ্ট ধারণা জন্মাইবে যে, আমরা উৎসক্সের পথে যাইতেছি। বিলাতের তুলনায় হিসাবটা একৰূির খাতাইয়া দেখুন :- (১) ইংলণ্ড ও ওয়েলস বাৎসরিক sley Ry.V. মৃত্যুসংখ্যা O YG 8 লোকবৃদ্ধির হার • • • I'S) A (২) পশ্চিমবঙ্গে (বৰ্দ্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, মেদিনীপুর, लकी, झांबद्ध) । জন্মসংখ্যা : VO. R भूङ्कागश्था OR“ cब्लांकडूक्रिज्ञ शांव्र · R (R (৩) পূর্ববঙ্গে (ঢাকা, ময়মনসিং, ফরিদপুর, বাখরগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ত্রিপুরা, নোয়াখালি) । জন্মসংখ্যা 8 •ه .)R মৃত্যুসংখ্যা NJ) o (R লোকবৃদ্ধির হার • • • S. o. 0 আমরা শুধু ইংলণ্ডের সহিত বাঙ্গালাদেশের জন্মমৃত্যুর তালিকার তুলনা করিলাম ; কিন্তু অপরাপর পাশ্চাত্যদেশেরও যা অবস্থা, এ সম্বন্ধে ইংলণ্ডেরও প্ৰায় সেই অবস্থা ; যথা হাজারকরা লোকবৃদ্ধি। ଅଫିମ୍ପି • 9 ؟( নিউজীলণ্ড | RS br অষ্ট্রেলিয়া - Sr. মার্কিণ যুক্তরাজ্য RS আদমসুমারির তালিকা দেখিলে সৰ্ব্বপ্রথমেই এই ভীষণ সত্যটি আমাদের উপলব্ধি হয় যে, আমরা ধ্বংসোন্মুখ জাতি। বাঙ্গালীদের মধ্যে জন্ম-মৃত্যুর জমাখরচ করিলে লোকক্ষয়েরই বেশী প্ৰমাণ পাওয়া যায়। তাহার পরে DB D DD DBB BBDDS DBBLSS DBDD BD অনুসন্ধান করি, তবে দ্বিতীয় সাতাটি এই দাড়ায় যে, সমস্ত दांश्रिांक्षां* शऊ cढ्लांक दांड्रांश भद्र, उांश: ७८ांश ५aकতৃতীয়াংশ। শুধু ম্যালেরিয়ারোগেই মরে। আমরা কোথাও প্লেগ হইয়াছে শুনিলে শিহরিয়া উঠি এবং দলে দলে সেই গ্রাম পরিত্যাগ করি ; ওলাউঠা হইয়াছে শুনিলে, খাদ্যপেয় নিৰ্বাচনের ও জল ফুটাইবার D S BDD DDSDYSDBBDS S DBBuS S LDDDDL টীকায় দেহ স্বেচ্ছায় ক্ষতবিক্ষত করি, সৰ্পদংশনের কথা শুনিলে মূৰ্ছিত হইয়া পড়ি, কিন্তু কোথাও ঘরে ঘরে ম্যালেরিয়া ধরিতেছে শুনিলে--এমন কি, স্বপরিবারের মধ্যে প্ৰত্যেক জনে ম্যালেরিয়াগ্ৰস্ত হইলেও, আমরা কোনও রকম ভয় পাই না,-আমরা কেবল অদৃষ্টকে ধিক্কার দিই এবং একটা অবশ্যম্ভাৰী ক্ষণিক অশান্তি মনে করিয়া, সে সমগ্ৰ ব্যাপারটাকেই একপ্ৰকার উপেক্ষা করি! অথচ, সমস্ত বাঙ্গালাদেশে প্লেগ, কলেরা, ইচ্ছাবসন্ত ও সর্পদংশনে যত লোকক্ষয় হয়, একা ম্যালেরিয়ায় তদপেক্ষা বেশী লোকক্ষয় হইয়া থাকে । আমরা বিপদের সঙ্গে বহুকাল একত্র বাস করায়, বিপদকে আর বিপদ বলিয়াই মনে করি না,-বরং তাহাকে অবশ্যম্ভাবী নিত্যসহচর মনে করিয়া থাকি। এই অদৃষ্টবাদিতাই আমাদের সৰ্ব্বনাশের মূল—এই বিপদকে তুচ্ছ জ্ঞান করাই আমাদের ধ্বংসের কারণ। এই ধ্বংসকাৰ্য্য কোন সুদূর অতীতকালে আরব্ধ হইয়াছে-এখনও সম্মুখে অনন্ত ভবিষ্যৎকাল পড়িয়া রহিয়াছে! সুতরাং আমরা পরে সামলাইয়া উঠিতে পারিব-এ আশাও দুরাশা। যেহেতু, চল্লিশ পঞ্চাশ বৎসর পূর্বে যে যে স্থান স্বাস্থ্যকর ছিল, এখন সেগুলি ভীষণ ম্যালেরিয়াকবলিত। পূর্বে হাওয়া বদলাইবার জন্য লোক ব্যাণ্ডেলু, হুগলী, চুচুড়া, বৰ্দ্ধমান সহরে, কৃষ্ণনগর সহরে, বারাসত সহরে যাইত, এখন ঐ সকল সহর ভীষণ ম্যালেরিয়ার লীলাক্ষেত্ৰ! কিছুদিন পূর্বে আমরা উত্তরপশ্চিম প্ৰদেশকে পরমস্বাস্থ্যকর স্থান বলিয়া জ্ঞান করিতাম, এখন ঐ প্রদেশও ক্রমশঃ সে মৰ্য্যাদা হারাইতে বসিতেছে অর্থাৎ একদিকে যেমন ম্যালেরিয়ার অতি বিস্তৃতি ঘটিতেছে, অন্যদিকে তেমনই শনৈঃ শনৈঃ স্বাস্থ্যকর স্থানগুলিব্যারামের কেন্দ্ৰ হইয়া দাড়াইতেছে ;-ভবিষ্যতে যে কোথায় পীড়িত ব্যক্তিরা আশ্ৰয় লইবে, তাহা বলা কঠিন হইয়া দাড়াইবে। যুদ্ধের ভাষায় বলিতে গেলে বলিতে হয়। যে, ম্যালেরিয়া-শক্রি একদিকে যেমন আমাদের লোকক্ষয় করিতেছে, অপরদিকে সেই সঙ্গে আমাদের দখলের গ্রামগুলি একে একে কাড়িয়া লইতেছে! এখন “বল মা তারা,