প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/১১০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ শ্ৰীতারিণীপ্ৰসাদ জ্যোতিষী লিখিত। ] -> - V. استحسیستا all ---------- ve اسصتحسع C-- - ۔۔۔۔۔ 를 司 পূর্বে সিদ্ধাসনের বিষয় লিখিত হইয়াছে, এক্ষণে পদ্মাসনের বিষয় বিস্তারিত বলিব। পদ্মাসন দুই প্ৰকার :-বন্ধপদ্মাসন ও মুক্তপদ্মাসন। বদ্ধপদ্মাসন মুক্তপদ্মাসন অপেক্ষা কিঞ্চিৎ কঠিন। বদ্ধপদ্মাসনে দুই হস্তদ্বারা পৃষ্ঠভাগ হইতে দুই পদের বুদ্ধাঙ্গুল দৃঢ় রূপে ধারণ করিৰার নিয়ম আছে, আর মুক্তপদ্মাসনে কেবল বাম ও দক্ষিণ হস্ত সম্মুখের দিকে আনিয়া এক হস্তের উপর আর এক হস্ত রাখিতে হইবে। যাহাদিগের কটি ও উদর বৃহৎ, তাহাদিগের পক্ষে বন্ধপদ্মাসন অসম্ভব ; যাহারা ক্ষীণদেহ, যাহাদিগের উদর ও কটিদেশ সরু, তাহাদিগের পক্ষেই বদ্ধপদ্মাসন ও সকল প্ৰকার আসন অভ্যাস সহজে হইতে পারে । অপক অস্থি ও শরীর কোমল এবং বয়ঃক্রম ৩০ বৎসরের নূ্যন সংখ্যা না হইলে আসন অভ্যাস করা অতিশয় কঠিন হয় ; ১২ বৎসর বয়স্ক বালক যাহা সহজে অভ্যাস করিতে পরিবে, ৩০ বৎসর হইলে সে আর সেরূপভাবে সহজে পরিবে না । ক্ষীণ, নীরোগ ও নধর শরীর হইলে ক্রমশঃ অভ্যাসদ্বারা সকল আসন শিক্ষা হইতে পারে বটে, কিন্তু উহাতে হস্তপদাদি ভগ্ন হইবার আশঙ্কা থাকে। স্কুল শরীর বা ডাগর উদর লইয়া কখন আসন শিক্ষা করিতে যাইবে না ; চালিত কথায় বলে “চাওড়ে চুতর লম্বে পেষ্ট। কিছু না ভেয় সদগুরুসো ভোট ॥” অর্থাৎ যাহার পাছ বিস্তৃত, পেট লম্বা, সে ব্যক্তি কখন সদগুরুর দর্শন পায় না। অর্থাৎ তাহার দেহ কথন যোগাভ্যাসের উপযুক্ত হয় না । , “বামেরূপরি দক্ষিণং হি চরণং সংস্থাপা বামং তথা । - দক্ষোরূপরি পশ্চিমেন বিধিনা ধৃত্বা কারাভ্যাং দৃঢ়ম৷ অঙ্গুষ্ঠ হৃদয়ে নিধায় চিবুকং নাসাগ্রামবলোকয়েৎ । DBDBDDDBDBDS KBBD LLDL S অর্থাৎ বাম উরুর উপরে দক্ষিণ চরণ ও দক্ষিণ উরুর উপরে বাম চরণ সংস্থাপিত করিয়া দুই হস্তদ্বারা পৃষ্ঠভাগ হইতে দুই পদের বৃদ্ধাঙ্গুল দৃঢ় রূপে ধারণ করবে। ইহাকে বদ্ধপদ্মাসন বলে । প্ৰকারান্তরাং যথা “উত্তানীে চরণেী কৃত্ব উরু সংস্থেী প্ৰযত্নতঃ।। উরুমধ্যে তথোক্তানীে পাণিকৃত্বা তু তাদৃশে৷ নাসাগ্রে বিন্যসেন্দুটিং দন্তমূলঞ্চ জিহবায়া । উত্তোল্য চিবুকং কক্ষ উখাপ্য পবনং শনৈঃ। যথাশক্ত্যিা সমাকৃষ্য পুরয়োদুদরং শনৈঃ ॥ যথাশক্ত্যিা সমাকৃষ্য ধারয়োদুদরং শনৈঃ । যথাশক্তৈব পশ্চাত্তরেচয়োদবিরোধতঃ ॥ যথাশক্ত্যিা ততঃ পশ্চাদ্রেচয়েদুন্দরং শনৈঃ । ইদং পদ্মাসনং প্রোক্তং সৰ্বব্যাধিবিনাশনম৷” ইতি শিবসংহিতায়াম। অর্থাৎ বাম উরুর উপরে দক্ষিণ পাদ ও বাম হস্ত এবং দক্ষিণ উরুর উপরে বাম পাদ ও দক্ষিণ হস্ত উত্তান (চিৎ) করিয়া রাখিয়া, নাসার অগ্রভাগে দৃষ্টিসংস্থাপনপূর্বক দন্তমূলে জিহবা স্থাপিত করিবে এবং চিবুক ও বক্ষঃস্থল উন্নত করিয়া ক্ৰমে বায়ু যথাশক্তি আকর্ষণপূর্বক উদরে পূরণ ও ধারণ করিবে: এবং পশ্চাৎ যথাসাধ্য অবিরোধে রেচন করিবে,-ইহার নাম পদ্মাসন । ইহা দ্বারা দেহস্থিত সৰ্ব্বব্যাধি বিনষ্ট হয়। প্ৰকারান্তরে গ্ৰহচামলের ত্ৰয়োদশ পটলে লিখিত হইمس-: NQliة 1 2)ii؟ “উর্বেরুপরি মোদ্রান্তে উভে পদতলে তথা । পদ্মাসনং ভবেদেতৎ সর্বপাপপ্রণাশনম্। উক্ত দ্বিবিধ পদ্মাসনের ফলসম্বন্ধে শিবসংহিতা পুনরায় বলিয়াছেন। যথা :- “দুল্লািভং যেন কেন্যাপি ধীমতা লভ্যতে পরম। অনুষ্ঠানে কৃতে প্ৰাণঃ সমশচলতি তৎক্ষণাৎ ॥ "