প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/১১২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


sers- re So Y دخص -ജ്യ ـ অর্থাৎ অণ্ডকোষের নিম্নভাগে উভয় গুলফ বিপরীতভাবে সংস্থাপিত করিয়া, উভয় পদের বৃদ্ধাঙ্গুলী দুই হস্তদ্বারা পৃষ্ঠদেশ দিয়া ধারণপূর্বক, জালন্ধর বন্ধ করিয়া নাসার অগ্রভাগ অবলোকন করিবে, ইহাকে ভদ্রাসন কহে। ইহা দ্বারা সমস্ত दार्षि दिनटे छद्म । জলন্ধরবন্ধসম্বন্ধে শিবসংহিতায় লিখিত আছে। যথা :- “বদ্ধ। গলশিরাজালং হৃদয়ে চিবুকং ন্যাসেৎ । বন্ধো জালন্ধরঃ প্রোক্তো দেবানামপি দুল্লািভঃ ॥ नांडिएश्। वश्ष्र्डि लूनां जश्वकभगफूडभ्। পিবেৎ পীযুষং বিসরং তদৰ্থং বন্ধয়েদিমম৷” অর্থাৎ গলদেশের শিরাসমূহকে বন্ধন করিয়া হৃদয়ে চিবুক রাখিবে,-ইহার নাম জলন্ধরবন্ধ। জন্তুসমূহের নাভিদেশস্থ অগ্নি সহস্রদলকমল হইতে নিঃস্থত অমৃত পান করিয়া থাকে, এই জন্য জালন্ধরবন্ধদ্বারা ঐ অমৃতকে অধোদেশে পাতিত হইতে না দিয়া উৰ্দ্ধে উঠাইয়া রসনাদ্বারা পান করিবে, তাহা হইলেই অমরত্ব লাভ হয়। আসন অভ্যন্ত না হইলে স্থানবিশেষে দৃষ্টিস্থাপন করিয়া মন স্থির করা ও জলন্ধরবন্ধ করা সহজ কাৰ্য্য নহে। দুৰ্জয় চঞ্চলমনের দেহমধ্যে তিনটি আসন নিরূপিত আছে ; যথা :- (यक नागांवडांश्र, विडौब जीभक्षाङांश, डूडीव्र श्ठाक्रूविद्ध অগ্রভাগসকল। যোগী উক্ত দেহস্থ তিনটি স্থানে মনকে লইয়া স্থির করিতে পারেন; তন্মধ্যে হঠসাধনকারী ভ্রমধ্যে দৃষ্টিস্থাপন করিয়া মনকে তথায় লইয়া স্থির করা অভ্যাস করিতে পারেন, রাজযোগী নাসাগ্রে দৃষ্টিস্থাপন করিয়া তথায় মনকে লইয়া স্থিরতর করিতে পারেন, জাপকগণ করাঙ্গুলির * অগ্রভাগদ্বারা মালাবিশেষ জপ করিয়া মনকে তথায় লইয়া স্থির করিতে পারেন। প্রত্যেক স্থানে দৃষ্টি বা জপের সহিত প্রকোন সাকার বিশেষ স্থূল বা সুন্ন ধ্যানের প্রয়োজন, শিক্ষার পক্ষে প্ৰথমে স্থল ও পরে সুন্ম ধ্যানই শাস্ত্রসন্মত। এইরূপ छूडिशांतन, शान ७ खांगकबबक, यछे डिन9ि qकलिड दा একযোগে হইলেই সাধক তন্ময় হইয়া সহস্রদলকমলনিঃসৃত অমৃতপান করিয়া অমরত্বলাভ করিতে সমর্থ হয়েনি। নচেৎ কিছুতেই মন-পক্ষীকে নিশ্চল দেহ-পিঞ্জরে আবদ্ধ রাখিয়া প্ৰকৃত যোগসাধন অভ্যাস করা যাইতে পারে না । সহস্ৰ সুখাসনে অভ্যস্ত হইলেও চঞ্চল মন নিজবশে আসে না । ” ख्नांथंबघू । [ প্ৰথম বর্ষ, শ্রাবণ, ১৩২৩ ৷৷ তখন আসনে কেবল দেহেরই উন্নতি হয়, মন ও জীবাত্মাসম্বন্ধে কোন কাৰ্য্যকারী হয় না । ভদ্রাসনে দেহের রোগসকল বিলীন হয় ; কাম, ক্রোধাদি মানসিক বিকারের সমতাপ্রাপ্ত হয় ; অধোদিকসম্বন্ধে যাবতীয় রোগ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ; মূত্ৰ-কৃচ্ছ, পাথুরি, মেহ, বাত, অৰ্শ, ভগন্দর, প্লীহা, যকৃৎ, উদারী ইত্যাদি রোগ আন্দেী জন্মিতে পারে না ; ক্রমশঃ পরিপাকশক্তির বৃদ্ধি হইয়া দেহকে বলবান করে। (৪) মুক্তাসন । অতঃপর সিদ্ধিপ্ৰদ মুক্তাসনের বিষয় লিখিত হইতেছে :- “পায়ুমূলে বামগুলফং দক্ষগুলফং তথোপারি। শিরোগ্রীবাসমং কায়ং মুক্তাসনস্তু সিদ্ধিদম।” গুহ্যমূলে বাম পাদমূল ও তাহার উপরে দক্ষিণ পাদমূল সংস্থাপিত করিবে এবং মস্তক, গ্ৰীব ( ঘাড়া) সমান করিয়া অবক্র শরীরে অর্থাৎ ঠিক সোজা হইয়া বসিবে, ইহাকে মুক্তাসন কহে। ইহা সিদ্ধিপ্ৰদ। এই আসনে অপানক্রিয়ার উৎকর্ষতা ও প্ৰাণের পুষ্টিলাভ হয়, বীৰ্য উৰ্দ্ধগামী হইয়া সাধকের অভীষ্টসিদ্ধি করে। পুরকের সময়ে গুহৃদেশ আর আকুঞ্চিন করিতে হয় না, সাধকের প্রাণ সহস্রদলাভিমুখেই নীত হয়, শিরা ও স্নায়ুসম্বন্ধীয় যত প্ৰকার রোগ সহসা আশ্চৰ্য্যরূপে প্ৰশমিত হইতে থাকে, দেহের জড়তা নষ্ট হয়। [ कभe: ।