প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/১১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


JV) ~~ ܚܝܩܦ̈ܩܝܚܣܡܣܝ ܦܵܣܝ .ZA ܣܦܦ̈ܩܚ uasama LLSLLSLLSLLSGLLSALSLSSSMSSSMLSSSMSSSLqLSLSLSLSLSLSSeSLSLSALAAMLSSLSLALS কিরূপে বায়াম করা উচিত ? “ডন”, “বৈঠক”, কুন্তী, সন্তরণ প্ৰভৃতি সহস্র উপায়ে বায়ামচৰ্চা করা যায়। পঞ্চাশ বৎসর পূৰ্ব্বে, ধনীদিগের মধ্যে মদ্য ও বেখ্যার যত না প্রভাব ছিল, কুন্তী প্রভৃতি করার তদপেক্ষা বেশী প্ৰচলন ছিল। তখনকার কালের ধনী, জমীদার প্রভৃতি মোটরে করিয়া বাগানে যাইয়া “পাট” দে ঔয়া অপেক্ষা বন্ধুবান্ধবে মিলিয়া কুম্ভী, সন্তরণ, মল্লযুদ্ধ, লাঠীখেলা প্রভৃতি করিতে ভালবাসিতেন। এক্ষণে অঙ্গচালনা করা, অসভ্য বৰ্ব্বরোচিত কায বলিয়া বিবেচিত হয় । এখন “গোলদাবীতে দু' পাক দেওয়া” যথেষ্ট পরিশ্রমের কায্যের মধ্যে পরিগণিত। এমত স্থলে কোন রকমের ব্যায়াম সৰ্ব্বকাল, সৰ্ব্বব্যক্তি ও সর্বসময়ের উপযোগী, তাহা নিম্নে সংক্ষেপে বিবৃত করা যাইতেছে। ( ১ ) বেড়ান।— নিতান্ত বালক, বৃদ্ধ ও রুগ্নবাক্তির পক্ষেই বেড়ানকে পরিশ্রম বলিয়া ধৰ্ত্তব্য । দ্রুত বেড়াইলে সহজে ক্লান্তি আসে ও হৃৎপিণ্ড অনার্থক উত্তেজিত হয়, তএব তাহাতে লাভ বিশেষ কিছুই নাই। যুবকের পক্ষে অন্ততঃ ২৪ ক্রোশের কম বেড়ান পরিশ্রমই নহে । (২) মুগুরভাজা ।—ইহাতে বুকের ও হাতের এবং কতক পরিমাণে পেটের পেশার উপকার হয়, শরীরের অধোভাগের কিছুই হয় না। (७) जश्रुङ्ग:१, cगोङ्गांन, कूठी-१क्षविंड 'म्' बॉफु ও সর্বশরীরেরই কিছু কিছু উপকার হয়। যাহাদের উদরের পীড়া সহজেই হয়, তাহদের পক্ষে সস্তরণ করা উচিত নহে। (৪) “গ্রাউণ্ড একসাৰ্ব্বসাইজ’ অর্থাৎ “জিমন্যাষ্টিক” করা।—“ডন” করা, ফুটবল খেলা, কুন্তী করা—প্রবল পরাক্রান্ত বা খুব সবল লোকেরই করা উচিত। আমার মতে বৰ্ত্তমানকালে বাঙ্গালীদের যে রকম স্বাস্থ্য হইয়াছে, BDDDBDB DDSDDBDS SLLLLLLSS DD DBD BDD শ্ৰেয়ঃ । ভারী ডাম্বেল ব্যবহার করা সকলের পক্ষে উচিত নহে। স্যাণ্ডোপ্রবত্তিত শুশ্ৰীংযুক্ত হাল্কা ডাম্বেলের তুলনা নাই। সাধারণতঃ প্ৰত্যেক ডম্বেলটা অদ্ধ হইতে দেড় সেরের চেয়ে ভারী হওয়া উচিত নহে এবং তের চৌদ্দ বৎসর বয়স হইতেই উহার ব্যবহার করা উচিত। স্যাণ্ডোপ্ৰবৰ্ত্তিত ছবি ও কোমকমতে ব্যায়াম করা খুব ভাল। তবে স্যাণ্ডোর দুইটি কথায় আমার আপত্তি আছে। তিনি প্ৰত্যেক কসরতের নিয়ে, কতবার উহা করিতে হইবে, তাহা লিখিয়া দিয়াছেন ; অন্ধবিশ্বাসে তাহার অনুসরণ করা অযৌক্তিক । নিজ নিজ সমর্থ্য অনুসারে সংখ্যার পরিমাণ করিয়া লইতে হইবে। দ্বিতীয় কথা, বায়ামানুশীলনের অব্যবহিত পরেই BBBBB BBB KuBKSLL DDD DDDD DBD SDJLE DSDBD উচিত ; আমার তাহাতেও আপত্তি আছে। বেশ করিয়া বিশ্রাম না করিয়া তাহ করা অনুচিত । ड्भांथदशू । [ প্ৰথম বর্ষ, শ্রাবণ, ১৩২৩ ৷৷

  • raspragmeghahadurum arrierario Agih ah adhess. 7هـ

DBBDBB BB DBB BB BDDDS DD DS TDD DDD আমি বলি না। পূর্ণমনোযোগের সহিত দেহের প্রত্যেক অংশকে কাৰ্য্যে লাগাইলে অর্গাৎ ইচ্ছামত মাংসপেশীগুলির ধীরে অথচ সজোরে সঙ্কোচন-প্রসারণ বারংবার করিলেও সুন্দরীরূপে বায়াম করা যায় । অপরের দ্বারা বিশিষ্টরূপে তৈলাভ্যঙ্গ করিলেও বেশ ব্যায়াম করা হয় । মাটি কাটা, বৃক্ষচ্ছেদন করা, কুপ হইতে জলোত্তোলন করা-রীতিমতভাবে এগুলি করিলেও বেশ ব্যায়াম করার কাব্য হয় । বস্তুত যে কোনও কায করিবার কালীন তত্ত্বৎ কাযের জন্য শরীরের যে যে অংশের পরিশ্রম হইতেছে বা হইতে পারে, সেই সেই অংশের ও কায্যের দিকে মনোযোগ করিয়া পরিশ্রম করিলেই ব্যায়ামের সুফল ফলিবে । কাহার পক্ষে বায়াম সহ্যু হয় ? নিতান্ত ব্যাধি ও জরাগ্ৰস্ত ব্যক্তি এবং শিশু ব্যতীত বায়াম করিলে সকলেরই সহ্যু হয় এবং উপকার হয় । আমার মতে প্ৰত্যেক প্ৰকাশ্য পরীক্ষার সঙ্গে বায়াম পরীক্ষা BDBKKDB DBB BBBBDBDD DDD DDS S BBD DDDBBS ছালবৃত্তি, ম্যাট্রিকুলেশন, ইণ্টারমিডিয়েট প্রভৃতি পরীক্ষার “টেষ্ট” পরীক্ষা আছে, যাহাতে সফল না হইলে, প্ৰকাশ্য সাধারণ পরীক্ষায় ছাত্ৰাদিগকে উপস্থিত হইতে দেওয়া হয় না, তেমনই বায়ামের সম্বন্ধেও একটা বাধাবাধি এমন নিয়ম হওয়া উচিত যে, ছাত্রদিগের মানসিক উন্নতির পরীক্ষার অনুপাতে, শারীরিক উন্নতির পরীক্ষাদানও অবশ্যকৰ্ত্তব্য বলিয়া বিবেচিত হওয়া চাই। এ দিকে শিক্ষাবিভাগের কর্তৃপক্ষীদের মনোযোগ আকর্ষণ করিতেছি। আর এক কথা । আমাদের দেশে আজকাল লাইব্রেরী বা পাঠাগারের বাহুল্য হইতেছে। তাহার ফলে প্ৰকৃত জ্ঞান বাড়িতেছে কি না, তাহা জানি না, তবে রাশি রাশি উপন্যাস ও কবিতার বন্যা আসিয়াছে এবং যেটুকু সময় ছাত্ৰগণ বিশুদ্ধ বায়ুসেবনে বা অঙ্গচালনায় ব্যয় করিত, সেটুকু অলস, খোসগল্প ও উপন্যাস বা কবিতাপাঠে ব্যয়িত হইতেছে ! পুরুষেরা স্বেচ্ছায় হউক, অনিচ্ছায় হউক, নানা উপলক্ষে নানা রকমে অঙ্গচালনা করিতে ও নিৰ্ম্মল বায়ুসোধন করিতে অবসরও পান-বাধ্যও হন । কিন্তু রমণীদিগের পক্ষে কদাচিৎ বিশুদ্ধ বায়ুসেবন করা সম্ভবপর হইলেও গৃহকাৰ্য্যে যেটুকু অঙ্গচালনা হয়, তদ্ব্যতীত বায়ামের সুযোগ কখনও হয় না । ধনিগৃহে রমণীর পক্ষে ব্যায়ামের কথা মুখে আনাও খৃষ্টতা এবং আমার মনে হয়, রমণীদিগের পক্ষে বায়ামের কথা উত্থাপন করাটাই বর্বরতা বলিয়া উপেক্ষিত হইবে ! হউক, তাহাতে দুঃখিত নাহি । তাহা সত্বেও মুক্ত কণ্ঠে ঘোষণা করিতেছি যে, প্ৰত্যেক স্বামীর কৰ্ত্তব্য-স্ত্রীর ব্যায়ামচৰ্চা করান, প্ৰত্যেক পিতার