প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/১২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


2 ܘ ܲܠ সহ, ইহাদিগের রাসযুক্ত ত্রিকটু সেবন করিলেও সর্পৰিষ 枣项目 তুলসী সর্পবিষনাশপক্ষে একটি প্রধান ঔষধ। তুলসীয়ল কেবল সর্পবিষে কেন, যাবতীয় বিষ-রোগে প্ৰযোজ্য ও আশুফলপ্রদ। তুলসীর গুণপৰ্য্যায় পূর্ববারে অনেক কথা আলোচিত হইয়াছে। এবার তুলসী যে সর্পবিষনাশক, लाहोंदे दविद । সৰ্পে কোন ব্যক্তিকে দংশন করিবামাত্রই, পূর্বোক্ত -প্রকারে দংশনস্থানের উৰ্দ্ধদেশে বিশেষ করিয়া তাগা বন্ধন কৱিবে । পরে জলন্ত লৌহ বা কাষ্ঠাগ্নিদ্বারা দংশনস্থানে সেঁক দিবে। এইরূপ সেঁক দিবার পর তুলসীর রস করিয়া সৰ্পদষ্ট ব্যক্তির দংশনস্থানে পত্ৰাদি সহ লােগাইয়া রাখিবে ও প্রচুর পরিমাণে তুলসীর রস রোগীর নাভিগর্ভে স্থাপন করিবে। রোগীর সর্বাঙ্গে এবং তালুমূলে ও পদতলে বিশেষ করিয়া তুলসীর রস মাখাইয় দিবে। পরিশেষে রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তুলসীর রস পান করাইবে। এইরূপ করিলে দেখিতে পাইবে, রোগীর শরীরস্থ বিষ ক্রমে ক্ৰমে নিস্তেজ হইয়া আসিতেছে। তুলসীপত্রের রস লইয়া ফোটা ফোটা করিয়া রোগীর চক্ষুতে প্ৰদান করিবে। বেশ করিয়া রোগীর সর্বাঙ্গে তুলসীরস মাখাইয়া রাখিবে, যতক্ষণ না রোগীর বিষদোষ নষ্ট হইয়াছে, ততক্ষণ রোগীকে তুলসীর রসে ভিজাইয়া রাখিবে। তুলসীকে সৰ্বরোগনাশক বলিলেও অত্যুক্তি হয় না। স্বয়ং বিশ্বপিতা নারায়ণ পৃথিবীতে এত পদার্থ থাকিতে, সেই সকল পরিত্যাগ করিয়া একমাত্ৰ তুলসীকেই যে শিরে ধারণ করিয়াছেন, তাহাতেই তুলসীর সর্বগুণের প্রশংসা করা হুইয়াছে। অন্য কোন বিষরোগেও তুলসী এবস্থপ্রকারে সেবন করাইলে বিষ নষ্ট হয় । আমরা আশা করি, প্ৰত্যেক গৃহস্থই বাড়ীর শোবার ঘরের নিকটে বা চারি ধারে বেশ করিয়া তুলসীকুঞ্জ রাখিতে পারেন। বিশেষ পরীক্ষা করিয়া দেখিবেন, যেখানে তুলসী-বন রহিয়াছো-সৰ্পগণ সেস্থানে でび研3 st al I নিম ও সৰ্পভয় হইতে রক্ষা পাইবার আশ্চৰ্য্য ঔষধ । নিম্ববৃক্ষতলায় বা আশে পাশে সৰ্প থাকে না। সৰ্পে দংশন করিবামাত্রই প্রচুর পরিমাণে নিমপাত খাইতে দিবে এবং নিমপাতা পাথরে থেতো করিয়া ক্ষতস্থানে বঁাধিয়া রাখিবে । এখন কথা হইতেছে এই যে, সৰ্প ত একজাতীয় নহে ; বহু জাতীয় সৰ্প আছে। কোন কোন সৰ্পের বিষ এত তীব্র যে, সেই সকল সৰ্প কাহাকে ও দংশনমাত্ৰই সে ব্যক্তি ধরাশায়ী হইবে । দষ্টস্থানে তাগা বাধিবার সুযোগটি পৰ্য্যন্তও দিবে না। এমতাবস্থায় কি করা কৰ্ত্তব্য ? পুৰ্বেই বলিয়াছি, সৰ্পে কামড় দেওয়ামাত্ৰই মানুষ অনাথবন্ধু। [ ena re, atra, Yoo DD DS DBBD DDBD DBDB S DB BBDBDD DBBDB DBBB ফণাধারী সৰ্প আছে, তাহারা দংশন করিবামাত্ৰ যে কোন জীবই মরিয়া যায়। প্ৰথম দংশনেই যে জীব অজ্ঞান হয়, সে আর কখনও চৈতন্যলাভ করে না । উহাদিগকে কালসাপ বলে । অতএব তাহাদিগের হস্ত হইতে উদ্ধারের উপায় কি ? সর্পরা শূন্য প্রদেশ দিয়া কখনও বিচরণ করে না। DuD BDD BBD D BB S SDB TD DDD জাতীয় সাপ আছে যে, তাহারা বৃক্ষের ডালে ও ঝোপে বাপে লুকাইয়া থাকে। সকল জাতীয় সাপের এক প্রকার दि न८छ् । সাপের মুখ হী করাইলে দেখিতে পাইবেন, তাহার মুখের ভিতর উপরের দিকটায় একটা থলে আছে। ঐ থলে ঠিক ছোট মৎস্তের পিত্তাধারের মতন । যখন দংশন করে, তখন ঐ বিষখলে হইতে বিষ নিঃসৃত হইয়া দষ্টস্থানে প্ৰবেশ করে। সাপুড়িয়ার জীবন্ত সর্পকে ধরিয়া সাড়াশী দিয়া ঐ বিষের থলি খুলিয়া ফেলে এবং সর্পকে বিষদন্তহীন করিয়া। তবে তাহার সঙ্গে খেলা করে । স্নহীক্ষীর অর্থাৎ সিজ গাছের আটা, গবান্বত ও পক্ষ পান করিলে সর্বপ্ৰকার সাপবিষ নষ্ট করা যায় । কিন্তু কালসাপজাতীয় সৰ্পের দংশনমাত্ৰই যদি মৃত্যু হয়, তখন তুলসীপত্র বা মহীক্ষার কোথায় মিলিবে ? সেই জন্য ভয় করিবার কিছুমাত্র কারণ নাই। কেননা, আয়ুহানকে কেহ আয়ু দিতে পারে না। আর যাঙ্গার আয়ু আছে, তাহাকেও কেহ মারিতে পরিবে না । চেষ্টা করিয়া দেখিতে হইবে,-বাচানো যায় কি না । সৰ্পে দংশন করিবামাত্ৰই, দষ্ট ব্যক্তিকে খুব হাওয়াপূর্ণ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন স্থানে লইয়া আসিবে। প্ৰথমেই তাগাবন্ধন কবিতে ভুলিবে না। তার পর তুলসীপত্র অথবা নিশ্বপত্র কিম্বা সিদ্ধগাছ, যাহা নিকটে পাইবে, তখনই তাহা ংগ্ৰহ করিয়া রোগীর গায়ে প্রলেপ দিবে, খাইতে দিবে। এবং দণ্ঠস্থানে উহার যে কোন একটি দ্রব্য বঁাধিয়া দিবে। সৰ্পদষ্ট ব্যক্তিকে ও দংশনকরণমাত্ৰই আধাপোয়া হইতে এক পোয় পরিমাণ রশুিনরস সেবন করাইবে । ৬/চন্দ্ৰবদন বসু নামক একটি ভদ্রলোক সপবিষ্যসম্বন্ধে একখানি হস্তলিখিত গ্ৰন্থ রাখিয়া মারা গিয়াছেন । গ্ৰন্থখানি সেকেলে ধরণে বাঙ্গালায় লিখিত ও নিতান্ত ভ্ৰমপূৰ্ণ ভাষায় লিপিবদ্ধ। আমরা সম্প্রতি সেই পুথিখানি হস্তগত করিয়াছি। তিনি অনেকদিন অনেক স্থানে অনেক লোকের নিকটে সৰ্পবিষ-চিকিৎসাসম্বন্ধে অনেক ঔষধ শিক্ষা করেন এবং সে সকল গ্রন্থে লিখিয়া গিয়াছেন। তঁহার যখন ১৩১৪ বৎসব বয়স, তখন তিনি বিষ-চিকিৎসা শিক্ষা করিতে আরম্ভ করেন ও নানাস্থানে পৰ্যটন করিয়া বহু বিজ্ঞ ব্যক্তির নিকট নানাজাতীয় সৰ্পের নানাজাতীয় বিষের চিকিৎসাসম্বন্ধে