প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভারতে শিল্প-ব্যবসা । [ শ্ৰীহেমেন্দ্ৰপ্ৰসাদ ঘোষ, বি. এ. লিখিত । ] মানুষের চিন্তার মধ্যে অন্নচিন্তাই সর্বপ্রধান। জন্ম হইতে মৃত্যু পৰ্যন্ত মানুষ সহজাতসংস্কারবশে অল্পসংস্থানের চেষ্টা করে। এই চেষ্টার ফলেই মানুষ ভূমি চিরিয়া শম্ভ উৎপাদনের কৌশল হইতে আরম্ভ করিয়া, কলকারখানা সংস্থাপন পৰ্য্যন্ত যত অনুষ্ঠান করিয়াছে, তাহা ভাবিয়া দেখিলে এ চিন্তাকে দুশ্চিন্তা বলা যায় না । কেন না, আমরা যাহাকে “সভ্যতা” বলি এবং যে সভ্যতার গর্ব করি, এই চিন্তাই প্ৰধানতঃ সেই সভ্যতার উৎপাদক । আবার এই সভ্যতায় মানুষের অভাব বন্ধিত হয় এবং সেই সব অভাব দূর করিবার জন্য DDD DDDD BD BiBBD DBB SuBDBDuDBSDD BBB বুদ্ধি করে। BDuBDB BBBDuD DDDBB BDBDDB DDD DD DBBB করিতে আরম্ভ করে। উৎপাদনের উপাদান তিনটি :- (२) टूर्भि, (२) वभ, (७) भूलक्षन। जूमि श्डश् अदा ७९°व्र হয়—সেই দ্রব্য বা সেই দ্রব্যে প্ৰস্তুত অন্য দ্রব্য মানুষ বাবझाइ रुद्ध । किङ् गाश्रुइ चम दाडौङ ड्रभि झ्शेcङ अदा উৎপন্ন করা অসম্ভব। আবার ভূমির জন্য ও শ্রমের জন্য মূলধনের প্রয়োজন। ভূমির মূল্য বা করি আছে ; শ্রমজীবী যত দিন পণ্য উৎপন্ন করিবে, ততদিন তাহার আহারের ব্যবস্থা করিতে হয়। সুতরাং মূলধন ব্যতীত চলে না। তাই উৎপাদনের উপকরণ :-(১) ভূমি, (২) শ্ৰম, (৩) মূলধন। বৰ্ত্তমানকালে “ভূমি” অর্থে কেবল পৃথিবীর উপরিভাগ বা অভ্যন্তর বুঝায় না ; পরস্তু সমগ্ৰ পৃথিবী, বাতাস, সাগর এবং উত্তাপ, আলোক, বিদ্যুৎ প্রভৃতি প্ৰাকৃতিক শক্তিও বুঝায়। ডিউক অব আরগাইল প্ৰভৃতি এই মতের প্রবর্তক। ভূমিতে শ্রম ও মূলধন প্ৰযুক্ত করিয়া প্রথম যে ব্যবসার সৃষ্টি হয়, তাহাই কৃষি। সভ্যতার প্রথম অবস্থায় সব দেশই কৃষিপ্রাণ থাকে। প্ৰথমে দেশমধ্যেই দেশের লোকের খাদ্যদ্রব্য উৎপন্ন করা হয়, বাণিজ্য তাহার পর। প্ৰবৰ্ত্তিত হয়। বাণিজ্যও প্ৰথমে দেশমধ্যেই বন্ধ থাকে। অন্তর্বাণিজ্য ক্রমে বহির্বাণিজ্যে পরিণতিলাভ করে। সে পরিণতি সৰ্ব্বত্রই সময়সাপেক্ষ এবং সেই বহির্বাণিজ্য আবার কালে আন্তজাতিক বাণিজ্যে প্রসার পায় । কৃষি সমাজবদ্ধ মানুষের সর্বপ্রথম ব্যবসা । যে ইংলণ্ড আজি শিল্পপ্ৰধান হইয়া দেশের লোকের খাদ্যের অধিকাংশের জষ্ঠ পরমুখাপেক্ষী, সে ইংলণ্ডও প্ৰথমে কৃষিপ্রধান ছিল। যে আমেরিকা আজ ব্যবসার বাজারে প্রাধান্যলাভের এত চেষ্টা করিতেছে, সে আমেরিকা কৃষিজাতন্দ্রব্যের লাভ হইতেই শিল্পব্যবসার পত্তন করিয়াছে। যে জাৰ্ম্মণী ব্যবসার বাজার একচেটিয়া করিবার কল্পনা করিতেছিল, সে জাৰ্ম্মণীও ৪০ বৎসর পূর্বে কৃষিপ্রধান ছিল। এ সব দেশই ক্রমে শিল্পপ্ৰধান হইয়াছে। তাহার সর্বপ্রধান কারণ, কৃষির ফল সকল সময়েই অনিশ্চিত। অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টি, পঙ্গপাল বা শুয়াপোকা কৃষকের সকল শ্রম বার্থ করিয়া দিতে পারে। তাই কৃষিপ্রধান দেশে মধ্যে মধ্যে দুভিক্ষ অবশ্যম্ভাবী । রুসিয়ার কথায় রুসিয়ার রাজস্ব সচিব ডিউইট স্পষ্টই বলিয়াছিলেন, দেশ যত দিন কৃষি প্ৰাণ থাকিবে, ততদিন দেশে মধ্যে মধ্যে অজন্মায় দুৰ্ভিক্ষ হইবেই। য়ুরোপে ও মার্কিণে যে BBBD BB DDBYDB DBDB DgO DDD OSDBDDDB DBBB তাহারা আর কৃষিপ্রাণ নহে, পরন্তু শিল্পপ্ৰধান । এই-- টুকু বুঝিয়া—অনেক স্থলে ঠেকিয়া শিখিয়া যুরোপে ও মার্কিণে শিল্পপ্ৰতিষ্ঠায় বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হইয়াছে ও হইতেছে । ভারতবর্ষ কৃষিপ্রাণ। তাই ভারতবর্ষে দুৰ্ভিক্ষ লাগিয়াই আছে-বিশাল দেশের কোন না কোন স্থানে দুর্ভিক্ষাদানবের অত্যাচার অনুভূত হইতেছে। এই অবস্থায় দেশের লোক সৰ্ব্বদা সশঙ্কিত—সরকার সর্বদা বিব্ৰত ; রাজস্বব্যাবস্থা স্থির রাখা কষ্টসাধ্য। সেইজন্যই দেশের লোক ও সরকার উভয়পক্ষই এ দেশে শিল্পপ্ৰতিষ্ঠার পক্ষপাতী । ভারতবাসীরা সভ্য—এই ভারতে আৰ্যসভ্যতাই প্ৰবল— তাহার সঙ্গে সেমিটক সভ্যতা ও মিশিয়াছে। আজকাল আবার এই ভারতেই প্ৰাচীর ও প্ৰতীচীর ভাবপ্রবাহ প্ৰয়াগক্ষেত্রে গঙ্গাযমুনাপ্রবাহের মত মিলিত হইয়াছে। যে দেশ সভ্যতার সোপানে আরোহণ করে, কৃষিপ্রাণতার বিপদ সে দেশের নিকট আর অজ্ঞাত থাকে না ; বিশেষ, সভ্যতায় অভাবও বৃদ্ধি পায়। সেই জন্য দেশে সভ্যতার সঙ্গে সঙ্গে শিল্পের বিস্তার হয়। ভারতেও :তাহাই হইয়াছিল। রোম সাম্রাজ্যের প্রাধান্যের সময় ভারতীয় পণ্য সে সাম্রাজ্যে রপ্তানী হইত। প্লীনি দুঃখ করিয়া বলিয়াছিলেন, ভারতবর্ষ পণ্য যোগাইয়া বৎসর বৎসর রোম সাম্রাজ্য হইতে যে অর্থ লইয়া যায়, আজকালকার হিসাবে তাহ ৬৮ লক্ষ ৭০ झांखांबू त्रिोंका । বাইবেলেও ভারতীয় পণ্যের উল্লেখ আছে। তিন হাজার বৎসর ধরিয়া যে দেশের পণ্য বিদেশে আদৃত। হইয়াছে।--দেশের সমৃদ্ধিবৃদ্ধির উপায় করিয়াছে, সে দেশের সামাজিক অবস্থা যে শিল্পপ্রতিষ্ঠার ও শিল্পের উন্নতির বিশেষ অনুকুল হইয়াছিল, তাহাতে আর সন্দেহ নাই। যে জাতিভেদ বিদেশীদিগের বিস্ময়ের ও ঘূণার উদ্রেক করিয়াছে ও