প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


NR sa Y L. a LLL LLTLLLLLLL LLLL S SASS Lq LAMS LLLLS LLLL L LLLL LL L SLL LS LSLSLLLLLS LLLLL SS qSALS Lq qL L S LSL করিতেছে, সেই জাতিভেদ ভারতে শিল্পোন্নতির সহায় হইয়াছে। এক এক সম্প্রদায় এক এক কাযে, নিযুক্ত থাকিয়া তাহাতেই অসাধারণ পারদর্শিতা লাভ করিত । এক জাতির লোক অন্য জাতির ব্যবসা অবলম্বন করিতে পারিত না । তাহাতে শিল্পিসজঘ সংগঠিত হইত-শিল্পীর অধিকার সুরক্ষিত হইত। পুল্ল পিতার নিকট শিক্ষা পাইত-শিক্ষানবীশকে YOg t DBBBD BDBBDB ODSTBBDDLDBDD DDYSS B জাতি অনুসারে ব্যবসানির্দেশের প্রথায় যে কাব্য হইয়াছে, যুরোপের ট্রেড গিন্ডেও সে কাব্য হয় নাই। বাবসার ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা আর কোন দেশে হয় নাই ; গ্রীস, মিশর, রোম, কেহই এমন ব্যবস্থা করিতে পারে নাই । বোধ হয়, সেইজন্যই-পুরুষানুক্রমে একই কাযে রত থাকিয়া ভারতের শিল্পী যে শিল্পনৈপুণা লাভ করিয়াছিল, তাহাও আর কোন দেশের শিল্পী লাভ করিতে পারে নাই। সকল দেশেই অসাধারণ প্ৰতিভাশালী শিল্পীর আবির্ভাব হইয়াছে—তােহাদের কীৰ্ত্তি কালজয়ী হইয়াছে ; কিন্তু কুত্ৰাপি ভারতের মত শ্রমশীল, কাৰ্য্যরত শিল্পিসম্প্রদায়ের আবির্ভাব সম্ভব হয় নাই। ভারতীয় শিল্প যে নানারূপ প্ৰতিকুল অবস্থাতেও আজও বিলুপ্ত হয় নাই।--কলকারখানার প্রবল প্রতিযোগিতায়— সৌন্দৰ্যাদ্ধানহীন সস্তার ভক্তদিগের অনাদরে ও মরিয়া ও মরিতেছে না-- এই জাতিভেদের সামাজিক ব্যবস্থা তাহার সর্ব 、空taiaT マー「* ভারতের প্রজাসত্বে জনীতে প্ৰজার যে অধিকার, তাহা ও ঘে শিল্পবিস্তারের অনুকুল, সে কথা স্তার জর্জ বার্ডউড তাহার ভারতীয় শিল্পবিষয়ক পুস্তকে বুঝাইয়াছেন। এ দেশে সামাজিক ব্যবস্থা ও যে শিল্পবিস্তারের পক্ষে অনুকূল, তাঙ্গাতেও আর সন্দেহ নাই । হস্তার জর্জ বার্ডউড ভারতীয় গ্রামের বর্ণনায় এই ব্যবস্থার কথা! বুঝাইয়া দিয়াছেন। যে পথ গ্রাণে প্রবেশ করিয়াছে—তাঙ্গার বাপ্তিরে উচ্চ ভূমিখণ্ডের উপর বসিয়া কুম্ভকার চক্ৰ আবৰ্ত্তিত করিয়া পাত্ৰ প্ৰস্তুত করিতেছে। গ্রামের গৃহগুলির পশ্চাতে গাছে যন্ত্র বাধিয়া দিয়া তন্তুবায় নীল, রক্ত, স্বর্ণ বর্ণ মিলাইয়া কাপড় বিনিতেছে ; সুতার উপর গাছের ফুল পড়িতেছে। পথের পাশ্বে কঁাশারী গৃহস্থের ব্যবহারের পাত্ৰ নিৰ্ম্মাণ করিতেছে। ধনীর অলিন্দে বসিয়া টাকা ও মোহর গলাইয়া স্বর্ণকার বরাবর্ণিনীদিগের বরাঙ্গের শোভা অলঙ্কার প্রস্তুত করিতেছে। সে তাহারই চারিদিকে গাছের পাতার ও ফুলের আদর্শে অলঙ্কার গড়িতেছে- আর কখন কখন গ্রামের প্রান্তে পদ্মপুকুরের পাহাড়ে মন্দিরের গাত্রে ক্ষোদিত চিত্রের অনুকরণ করিতেছে । ইহাই শিল্পীর স্বৰ্গ-সে সন্তুষ্টচিত্তে আপনার স্বজনগণের সাহায্যে পণ্য প্ৰস্তুত করে। সে কলের মজুর নহে,--শিল্পী ; তাছার প্রতিভা কলের ইঞ্জিনীয়ারের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইয়া বিকাশে বাধা পায় না-পরন্তু বিকাশের অবসরই পায় ; সে তাঙ্কুর পরিবারের মধ্যে বাস করে— অনাথবন্ধু। LLS LLL LqLS LLL qqq q LS LS qLL LLLLL S LSS qLLLLLS LLS LLS L L L L L L L LqLLLLLLLqLLLLLL LALLLLL S SqL TSSSLSLSSS0S S "- is a ra. [ প্ৰথম বর্ষ, আষাঢ়, ১৩২৩ ৷৷ সে গৃহস্থ ; সে সমাজের এক জন । ইহাতে যে সমাজের কত কল্যাণ হয়, তাহা বিলাতের বারিক বন্ধ মদ্যপ শ্রমজীবিগণের কথা স্মরণ করিলেই বুঝা যায়। এইরূপ অনুকুল অবস্থায় পুষ্ট হইয়াছিল বলিয়াই ভারতীয় শিল্প যে শক্তি সংগ্ৰহ করিয়াছিল, তাহাতে সে শিল্প অনায়াসে তুরাণীয়, দ্রাবিড়ীয়, গ্ৰীক, মোগল, সব আদর্শেরই উপযোগী: ভাগ আত্মসাৎ করিয়া আত্মপুষ্টি সংসাধন করিতে পারিয়াছিল --কিছুতেই আপনার বৈশিষ্ট্য হারায় নাই। শিল্প যখন, বৈশিষ্ট্য হারাইয়া কেবল অনুকরণে প্ৰবৃত্ত হয়, তখন হইতে । তাহার অবনতি আরব্ধ হয়, আর. তাহারই ফলে পরিণামে, শিল্পের সর্বনাশ হয় । ভারতের বস্ত্রব্যবসায়ে এক দিন ভারতে প্ৰভূত ধনাগম হইত। খৃষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীর পূর্বে যুরোপে কার্পাসশিল্পের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয় নাই। ভারত হইতে এই শিল্প কবে যে মিশরে ও আসিরিয়ায় প্ৰবৰ্ত্তিত হইয়াছিল, ইতিহাসে তাহা জানা যায় না। খৃষ্টীয় ত্ৰয়োদশ শতাব্দীর পূর্বে ঘুরোপে তুলার চাষ হইত না।--তখন তুলায় কাগজ প্ৰস্তুত হইত-কাপড় হইত না । ত্ৰয়োদশ শতাব্দীতেই । ইটালীতে ভারতীয় বস্ত্রের অনুকরণে বস্ত্রবয়ন আরব্ধ হয় ; ইংলণ্ডে সে ব্যবসার পত্তন সপ্তদশ শতাব্দীর পূর্বে হয় নাই। ১৬৪১ খৃষ্টাব্দে ও ভারতীয় তুলার কাপড়ের অনুকরণে ম্যাঞ্চেষ্টারে যে কাপড় প্রস্তুত করা হইত, তাহা পশমী। ভারতীয় পণ্যের প্রতিযোগিতা প্ৰহত করিয়া স্বদেশে এই শিল্পের প্ৰতিষ্ঠা করা যে অসম্ভব, ইংলণ্ড তাহা বুঝিয়াছিল। কারণ, সকল শিল্পেরই উন্নতিসংসাধন-প্ৰতিযোগিতার উপযোগী করিয়া বৰ্দ্ধন-সময়সাপেক্ষ ও বায়বহুল । সেইজন্যই অবাধবাণিজ্যের অবাধ পক্ষপাতী বাৰ্ত্তাশাস্ত্রবিদ মিলও দেশে নূতন শিল্প প্ৰতিষ্ঠার সময় বিদেশী পণ্যের উপর আমদানী-শুল্ক বসাইয়া নূতন শিল্পের সাহায্যদানের পক্ষপাতী । ইংলণ্ডকেও আইন করিয়া দেশে ভারতের বস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করিতে হইয়াছিল। সে ১৭০০ খৃষ্টাব্দের কথা। ঢাকাই মসলিনের কথা সকলেই অবগত আছেন। সেরূপ বস্ত্ৰ জগতে আর কুত্ৰাপি প্ৰস্তুত হয় নাই। ১৮৪০ খৃষ্টাব্দে ও ডাক্তার টেলারে লিখিয়াছিলেন, ঢাকায় ৩৬ প্রকারের কাপড় হয়। এখন সে ইতিহাসের কথা । কিন্তু কেবল সুতী-কাপড়ে নহে, রেশমী-কাপড়েও বড় ব্যবসা চলিত। রেশমী-কাপড়ের জন্যই কাশিমবাজারে ইংরাজের কুঠার প্রতিষ্ঠা। দেখা গিয়াছে, ১৫৭৭ খৃষ্টাব্দে মালদহের সেখ ভীক নামক এক জন বণিক পারস্য উপসাগরের পথে রুসিয়ায় তিন জাহাজ মালদহীী কাপড় বিক্রয়ার্থ পাঠাইয়াছিলেন । আজ বিদেশী কাপড়ে যে “দেশের লোকের লজ্জারক্ষণ হয়, সে দেশের লোকের কাছে। এ সব কথা স্বপ্ন বলিয়াই বোধ হয় বটে। কিন্তু প্ৰসিদ্ধ জাৰ্ম্মাণ অর্থনীতিবিদ লিষ্ট বলিয়াছেন, যদি ভারতের

  • সুতী ও রেশমী কাপড় বিলাতে স্বচ্ছন্দে যাইতে দেওয়া হইত,