প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/১৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ম্যালেরিয়া । [ ডাক্তার শ্ৰী রমেশচন্দ্র রায়, এল. এম. এস, লিখিত । ] ( R ) জীবাণুতৰ। আমরা জড়াজগতের কোনও , জিনিষের সুন্মানুসূক্ষ্ম অংশকে অণু, পরমাণু প্ৰভৃতি নামে অভিহিত করিয়া থাকি । ইষ্টককে একটা পাকা (ইষ্টকনিৰ্ম্মিত ) বাড়ীর সূক্ষ্মাংশ বলা যাইতে পারে। জীবজগতে যে কোনও জীবের সূক্ষ্মতম অংশকে কোষ (cell) বলে অর্থাৎ যেমন একটা বাটীর অস্তিত্ব তাহার প্রত্যেক ইষ্টকখণ্ডের উপর নির্ভর করে-প্ৰতোক ইষ্টকখণ্ডই বাটীর সূক্ষ্মতম অংশ, তেমনই জীবের সত্তার পক্ষে স্তুপীকৃত কোষই একমাত্র অবলম্বন - প্ৰত্যেক কোষের জীবনের উপরে জীবের সত্তা নির্ভর করে। কিন্তু একখানি ইষ্টকখণ্ড বা একটি পরমাণু অপর ইষ্টক বা পরমাণু নিরপেক্ষ হইয়া নিজ ক্ষমতার বা অস্তিত্বের অপর কোন ও প্ৰমাণ দিতে পারে না, জীবজগতের ব্যাপার তাদৃশ্য নহে। জীবজগতে এককোষ (ome-celled) বহুসংখ্যক জীব আছে । ইহাদিগকে ইংরাজীতে প্ৰটোজোয়া (Protozoa) বলে। ইহারা অতি সুন্ম জীবাণু। ইহাদের আয়তন ক্ষুদ্র ও গঠন অতি সরল DD BDBDS DBBDBD BDD DDBBD S DB DBBD0D প্ৰবল শক্ৰতাচরণ সহজেই করিতে পারে । এককোষ-প্ৰটোজোয়শ্রেণিভুক্ত জীবগণের জীবনব্যাপার আলোচনা করিলে এই এই তথ্যগুলি পাওয়া যায় ; যথা-(১) ইহারা পরাঙ্গাপুষ্ট জীব (parasite) অর্থাৎ আপনা হইতে ইতস্ততঃ সঞ্চালন করিয়া আহাৰ্য্য সংগ্ৰহ করিবার ক্ষমতা ইহাদের নাই ; পরগাছার ন্যায় এই জীবাণুর অপর প্রাণীর দেহে আশ্রয় গ্ৰহণ করিয়া, তদেহজাত পুষ্টি ইহারা আহরণ করিয়া থাকে। (২) ইহার জন্ম হইতে মৃত্যু পৰ্য্যন্ত কখনও এক জীবের দেহে আশ্ৰয় করিয়া থাকে না ; জীবনের বিভিন্ন কাল বিভিন্নশ্রেণীর জীবদেহে অতিবাহিত করে। STICKI Mtstsets: acets cost (vertebrate) acks CCP ester CNS test (S. CeCe (invertebrate) এবং একাশ্ৰয় হইতে ইহারা সহজেই আশ্রয়ান্তর গ্ৰহণ করিতে পারে, এরূপ বন্দোবস্তও আছে। এ বন্দোবস্ত না থাকিলে এই এককোষ জীবকুল নিৰ্ম্মল হইয়া পুড়িত। (৩) ইহাদের বংশবৃদ্ধি দুই রকমে হইয়া থাকে। ক্লীবজন্ম (A-sexual Generation) “s treet'. (Sexual Generation)। যে স্থলে একটি পূর্ণায়াবপ্রাপ্ত জীবাণু দ্বিধা বিভক্ত হইয়া একটি বৃদ্ধ-জীবাণু হইতে দুইটি তরুণ-জীবাণুতে পরিণত হয়, সেটিই ক্লীবজন্ম বলিতে হইবে। যে হেতু সে স্থলে পুরুষ ও স্ত্রী-জীবাণুদ্বয়ের সঙ্গম ঘটে নাই। দাম্পত্যজন্মের সময়ে একটি পুরুষ-জীবাণুর সহিত একটি স্ত্রী-জীবাণুর সঙ্গম হওয়ার ফলে একটি ডিম্ব সৃষ্টি স্থায় এবং সেই এক ডিম্ব BBDDBD DD DD DT BDBDD S SLDEDBB S LgiBBDB সৃষ্টি করে। এই জাতীয় এককোষ জীবাণুরা প্ৰথম কয়েক পুরুষ ক্লীবজন্মই দিয়া থাকে, পরে বহু পুরুষ গত হইলে ক্রমশঃ ইহাদের দাম্পতাজন্মের ক্ষমতা জন্মায় । এক বার দাম্পত্যজন্মের ক্ষমতা জন্মাইলে, উত্তর কালের বংশধরেরা দাম্পত্যজন্মের অধিকার লাভ করে। (৪) ইহারা যে জীবের দেহে আশ্রয় গ্ৰহণ করিয়া যখন থাকে, তখন সেই জীবের দেহের একাংশ হইতে অপরাংশে যাইতে সমর্থ হয় । ইহারা আশ্ৰয়দেহের সারাংশ নিজদেহে গ্ৰহণ করিয়া পুষ্ট হইতে থাকে এবং আশ্রয়ে থাকিয়া তথায় নানারূপ বিষ সৃষ্টি করিতে সমর্থ হয়। (৫) ইহাদের মধ্যে স্ত্ৰীজাতীয় জীবাণুদের দুইটি বিশেষ ধৰ্ম্ম আছে ; প্রথমতঃ, পূর্ণাবয়বপ্ৰাপ্ত স্ত্রীজাতীয় এককোষ জীবাণুগণ পুরুষজাতীয় জীবাণুতে অপগত না হইয়া গৰ্ভধারণ করিতে- পারে ; এরূপ গর্ভসঞ্চারকে ইংরাজীতে (Parthens Genesis) বলে ; ইহার অর্থ কুমারীর স্বতঃ গর্ভোৎপাদন । এরূপে BB DD DSDBDLDDD SSSDDLY DDS BBB BBS DBDB BBDBD শিশু-জীবাণুই থাকে। দ্বিতীয়তঃ, স্ত্রীজাতীয় এককোষ জীবাণুগণ সহজে মরে না ; ইহারা বহুবর্ষব্যাপী দীর্ঘায়ুঃ।। এই জন্য বহুবর্ষ পরে অকস্মাৎ ম্যালেরিয়া জাগিয়া উঠে ! ম্যালেরিয়া-জীবাণুর জীবনেতিহাস। এককোষ জীবাণুগণের সম্বন্ধে সাধারণভাবে যে যে কথা বলা হইল, তাহার প্রত্যেক কথাটিই ম্যালেরিয়া-জীবাণুর পক্ষে খাটে ; যে হেতু সমষ্টি এককোষ জীবাণুর মধ্যে ম্যালেরিয়া-জীবাণুটি ব্যষ্টি মাত্র। ম্যালেরিয়া-জীবাণুটি পরাঙ্গ পুষ্ট জীব। ইহার জীবনের একাংশ নরশোণিতের রক্তকণিকার মধ্যে অপরাংশ এক শ্রেণীর মশাকের পাকgắCTS s stats Niça (Salivary Glands) efSবাহিত হয়। যে মশকের দেহে ম্যালেরিয়া-জীবাণুর জীবনের কিয়দংশ অতিবাহিত হয়, তাহার নাম এনোফিলিস (Anopheles Maculipenis) I