প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/১৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


888 च्षबांधंबघू । [ প্ৰথম বর্ষ, ভাদ্র, ১৩২৩ ৷৷ নারশোণিতের রক্তকণিকার মধ্যে ম্যালেরিয়া-জীবাণুর যে জীবনাংশ অতিবাহিত হয়, তাহাদিগের মধ্যে ক্লীবজনন সংসাধিত হইয়া থাকে। একটি রক্তকণিকার মধ্যে যখন শিশু-জীবাণু থাকে, তখন সেটি অতীব ক্ষুদ্রায়তনবিশিষ্ট। ঐ ক্ষুদ্র ম্যালেরিয়া-জীবাণুটি ক্রমশঃ আশ্রয়স্থল রক্তকণিকার ভিতরে যাহা কিছু সারিপদার্থ থাকে, তাহ খাইয়া নিজদেহ পুষ্ট করিতে থাকে। ক্রমশঃ জীবাণুটি রক্তকণিকাটি অপেক্ষাও কিঞ্চিৎ বৃহদায়তন হয় এবং অকস্মাৎ কীবজনন রীত্যনুসারে নিজদেহকে বহুসংখ্যায় বিভক্ত করিয়া রক্তের মধ্যে ছড়াইয়া পড়ে। যে সময়ে ঐ এক জীবাণু হইতে DBBBDBBD LLDBBBB guuS DDD DBBD DBB DDuDD পড়ে, সেই সময়েই আমাদের দেহে কম্প উপস্থিত হয়। যে সকল নবশিশু-জীবাণু জন্মগ্রহণ করিল, তাহারা প্ৰত্যেকে একটি একটি সুস্থ রক্তকণিকাকে আশ্ৰয় করিয়া পূর্বোক্ত প্রকারে নিজদেহ পুষ্ট করিয়া পরে বিভক্ত হইয়া আর এক দল শিশু-জীবাণুকে রক্তমধ্যে ছাড়িয়া দেয়। বারো, চবিবণ, আটচল্লিশ বা বাহাত্তর ঘণ্টা অন্তর এই ভাবে ক্লীবzK DDS DDBB0D SKJD DBD DBDDSSDDD DBDt DBDBSS BDD LgBD B DBDDSS CE BBBBD DDDDSSBDDDB প্ৰত্যেক চতুর্থ দিবসে ( ৭২ ঘণ্টা পরে ) কম্প দিয়া জ্বর আসে। মানুষের রক্তের মধ্যে আশ্রয়লাভ করিয়া ম্যালেরিয়াজীবাণু ক্লীবজননের রীতানুসারে বংশবৃদ্ধি করিতে থাকে। ও ম্যালেরিয়া-জীবাণুর বংশবৃদ্ধির অনুপাতে মানুষের রক্তের ংস হইতে থাকে। মনুষ্যদেহে কিছুকাল ক্লীবজনন প্রক্রিয়ার পরে কয়েকটি - ম্যালেরিয়া-জীবাণু ক্লীবত্ব ত্যাগ করিয়া কেহ কেহ পুরুষ-জীবাণু ও কেহ বা স্ত্রী-জীবাণুর আকারপ্রাপ্ত হয়। যখন জীবাণুদিগের মধ্যে স্ত্রী-পুরুষভেদ সৃষ্ট হয়, তখন মানুষের দেহে তাহদের জীবনের অপর বিকাশ । হওয়া আর সম্ভব নয় । সেই অবস্থায় মশকদেহে যাইতে পারিলে তখন দাম্পত্যজনন রীতানুসারে তাহারা বেশ বাড়িবার অবসর পায় । কিন্তু, যদি কোন ও কারণবশতঃ মানবদেহ ত্যাগ করিবার তাহণের সুযোগ না হয়, তবে ক্রমশঃ ঐ স্ত্রী ও পুরুষ উভয় জাতীয় জীবাণুই ধ্বংস প্ৰাপ্ত হয়। এই কারণেই ম্যালেরিয়ায় ভুগিয়া ভুগিয়া বিনা চিকিৎসাতেও লোক সময়ে সময়ে আরোগ্যপ্ৰাপ্ত হয় । আবার কোনও কোনও স্থলে জীবাণুদের ঐ রূপে স্বতঃংসপ্ৰাপ্তি না ঘটিয়া, স্ত্ৰীজাতীয় জীবাণুগণের স্বতঃ গর্ভোৎপাদন ঘটে ও তদ্বারা তাহাদের বংশবৃদ্ধিও হইয়া থাকে। যদি এনোফিলিসজাতীয় কোনও মশকী। ঐ ম্যালেরির-জীবাণুবাহী মানুষকে দংশন করে, তবে শোষিত রক্তের সঙ্গে বহুসংখ্যক স্ত্রী ও পুরুষজাতীয় ম্যালেরিয়া-জীবাণু মশকীর পাকস্থলীতে যাইয়া পড়ে। এই | °ॉकौब्र अडाल्ठ८ब्र लौ-श्रूङ्गgषद्र शक्रम ष ७३ ठांशंब्रि ফলে স্ত্রীজাতীয় জীবাণুটির গর্ভসঞ্চার হয়। গর্ভসঞ্চারের সঙ্গে সঙ্গেই স্ত্রীজাতীয় জীবাণুটি মশকের পাকস্থলীর গাত্ৰविांब्र१ भूर्षिक उद्मप्रक्षा थबिट्टे शंद्देशlश्रङ् । श्रांक्श्र्नौब्र গাত্ৰমধ্যে থাকিয়া তন্মধ্যেই স্ত্ৰীজাতীয় জীবাণুটি বহুসংখ্যক শিশু-জীবাণু প্রসব করে। শিশু-জীবাণুগুলি তথা হইতে oča: ča: 833 глаtafštvo (Salivary Glands) যাইয়া পৌছায়। নররক্তের সঙ্গে মিশকের দেহে স্ত্রী ও পুরুষজাতীয় জীবাণুগণের প্রবেশকাল হইতে মশকদেহে জাত শিশু-জীবাণুগণের মশকের লালাগ্ৰন্থিতে উপস্থিত হওয়ার কাল-দশা হইতে বারো দিন । যখন মশকের লালাগ্ৰন্থিতে শিশু-জীবাণুগণ যাইয়া উপস্থিত হয়, সেই সময়ে ঐ জীবাণুবাহী মশকটি যত লোককে দংশন করিতে থাকে, তত লোকেরই দেহে দলে দলে ঐ শিশু-জীবাণুগণকে ছাড়িয়া দিতে থাকে। এক বার নররক্তে উপস্থিত হইতে পারিলে শিশু-জীবাণুৱা প্ৰত্যেকেই এক একটা রক্তকণিকাকে আশ্ৰয় করিয়া বসে এবং মানুষের দেহে অবস্থিতিকালীন পুনরায় ক্লীবজনন প্ৰথায় বংশবৃদ্ধি করিতে থাকে ; ক্রমশঃ ঐ রূপ জননের পরে পুনরায় পুং ও औखांडोब्र औबांबूज्ञ श्रुटि श्ब्र; शूनद्रांत्र मनक्क्ड्रक गृष्ठे হইলে জীবাণুর দাম্পত্যজননক্রিয়া সংঘটিত হয়। এইরূপে ম্যালেরিয়া-জীবাণুর নারদেশেই-(১) প্ৰথম দফা বহুবার ক্লীবজনন (A-sexual Cycle) (২) তৎপরে স্ত্রী ও পুংজাতির সৃষ্টি (Crescent Formation) যদি এই ਸਨ। भांसक যদি ਸ਼ਾ। দংশন মশকী। দংশন করে- न कgद्ध, डीव স্বতঃ গর্ভসঞ্চার দ্বারা অথবা ক্রমশঃ নরনরদেহে বংশ বৃদ্ধি দেহের মধ্যে স্বতঃই (Parthens Gene- ংশলোপ । នs) মশকীদেহে-দাম্পত্যজনন প্রথানুসারে (Sexual Cycle) is যদি মশকী মানুষকে যদি মশকী। মরিয়া যায়, ংশন করে, তবে তবে সেই সঙ্গে তাহার পূৰ্বোক্ত প্রকারে দেহে আশ্ৰিত জীবাণু(थथम औद - खनन মাতা ও সন্ততি সকলেই পরে পুং ও স্ত্রী সৃষ্টি मब्रिग्री थांक । পুনরায় ঘটে ।