প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


eኯiዛ ቍ€}-¢ኮ°ኯማ ጓሮግ፲] | ] আবার আজকাল কেহ কেহ ইহাতে দক্ষতাও যোগ দিয়া BBD SS DB DBBS DDB0D gDD BDDD BBDD BBBDBK S DD DDD D BBB DBDD DBB DDDS (ठभनहे देहांड अब्र७ अडिब्रिड फ़ांब्रि िविश्व निडांड আবশ্যক। সেই চারিটি বিষয় এই-মৃত্তিকা, বীজ, সার ও জলবায়ু। পাঠক জানেন যে, মৃত্তিকার উপরই চাষবাসের ফল প্ৰভূত পরিমাণে নির্ভর করে। সাহারার স্থায় নিরছিন্ন বালুকাবিস্তারে লাঙ্গল দিয়া শস্তের বীজ ছড়াইলে ফসললাভের কোন আশাই থাকে না। আবার সকল প্ৰকার মাটিতে সকল রকম ফসল ফলে না । সুতরাং মাটির দোষগুণের উপর কৃষির বৈফল্য ও সাফল্য বিশেষভাবে নির্ভর করিয়া থাকে । দ্বিতীয় প্রয়োজন-বীজ। বীজ যত ভাল হয়, ফসলও তত ভাল হয়। কৃষির তৃতীয় প্রয়োজনীয় বিষয় —সার। জমীতে বিবেচনাপূর্বক সার দিতে পারিলে, উহাতে ফসলের যথেষ্ট উন্নতি করিতে পারা যায়। জমীতে কিরূপ সার দিলে কোন ফসল অধিক উৎপন্ন হয়, পাশ্চাত্যখণ্ডে তাহা এখন একটা বিরাট বৈজ্ঞানিক ব্যাপারে পরিণত হইয়া উঠিয়াছে। ইহার ফলও এখন অত্যন্ত বিস্ময়কর হইয়াছে। সারা দিয়া বালুকাবহুল মরুকান্তারেও নন্দনের সুষমা বিকাশ করা হইতেছে! সেইজন্য সারপ্ৰদান ব্যাপারটা কৃষিবিদ্যার একটা প্ৰধান অঙ্গ হইয়া দাড়াইয়াছে। জলবায়ুর উপরও কৃষির সাফল্য অনেক পরিমাণে নির্ভর করে । সাধারণতঃ দেখা যায় যে, শীতপ্রধান দেশে যে সকল ফসল সহজে জন্মে, গ্ৰীষ্মপ্ৰধান দেশে সে সকল ফসল উৎপন্ন করা অত্যন্ত কঠিন 'ও নিতান্ত ব্যয়সাধ্য। কাশ্মীরের বনে বাগানে স্বচ্ছন্দজাত বৃক্ষে যেমন আপেল জন্মে, বাঙ্গালার মাঠে তেমন আপেল উৎপাদন করা অসম্ভব। কৃষিতে জলের ও রৌদ্রের বিশেষ প্রয়োজন ; জলের অভাবে মাঠে শস্ত শুকাইয়া যায়, ইহা সকলেই জানেন । তবে সেচের দ্বারা অনেক সময় অনাবৃষ্টির অসুবিধা কতকটা দূরীভূত করা যায়। কিন্তু অতিবৃষ্টির প্রভাব প্ৰতিহত করা অনেকটা কঠিন। দেশবিশেষে কৃষির উন্নতি করিতে হইলে সেই দেশের জলবায়ুর কথা বিশেষভাবে মনে রাখিতে হয়। ইহা ভিন্ন সকল কাজেই দক্ষতা নিতান্ত আবশ্যক। আমরা কৃষকদিগকে সাধারণতঃ “চাষী’ বলিয়া উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করিয়া থাকি, কিন্তু উহ আমাদের মুখতারই পরিচায়ক। কৃষকরা যে কাজ করে, তাহাতে তাহদের বিশেষ জ্ঞানের ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হৃষ্টয়া থাকে। যুরোপে কৃষাণগণ বিশেষ সন্মানিত ; তথায় BB DDD DBD DBB DD DBD 0 BBBB DDDD DDD মানস্বীী ব্যক্তিগণ তথায় কৃষিবিদ্যার উন্নতি-সংসাধনে আত্মনিয়োগ করিয়া থাকেন। তথায় কৃষিবিদ্যা শিক্ষা করিতে ফাইলে বিশেষ পাণ্ডিত্য অর্জনের প্রয়োজন হয়। আমাদের দেশের লোক ইহা বুঝেন না বলিয়া আমাদের এত দুৰ্গতি। অবশ্য আমরা একথা বলি না যে, যুরোপীয় কৃষিবিদ্যা এ কৃষি । SAqAALALLLL LLL LLL LLL LLL LLL LqLqLLLA LAL LLLMLALq LqLLALALSMMLSLSLMLMLSLeLeLeLeeLeLeLeeLLALAeLeLLqLqLqLqLqqAAAAAAAASLLLL SSS SC দেশে হুবহু আমদানী করিতে পারিলেই আমাদের দেশের কৃষির উন্নতি হইবে। এক দেশের প্রথা অন্য দেশে অন্ধভাবে অনুকরণ করিলে, তাহাতে কখনই সুফল ফলিতে পারে না। ইংলণ্ডের জলবায়ু ও ভারতের জলবায়ু ঠিক ? একরূপ নহে, ইংলণ্ডের মৃত্তিকার সহিত বাঙ্গালার মৃত্তিকায় প্ৰভেদ অনেক । ইংলেণ্ডের সামাজিক ও অন্যান্য পারিপাশ্বিক অবস্থার সহিত বঙ্গদেশের সামাজিক ও অন্যান্য পারিপাশ্বিক অবস্থার বিশেষ বৈসদৃশ্য আছে। এরূপ ক্ষেত্রে বাঙ্গালায় ইংলণ্ডের কৃষিপদ্ধতি হুবহু আমদানী করিলে কোন ফল হইবে না। ডাক্তার ভেলকারের ন্যায় কৃষিবিদ্যবিশারদও একথা মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করিয়াছেন। তবে আমার এইমাত্ৰ বক্তব্য যে, ইংরেজ, মার্কিণ, জাৰ্ম্মাণ, ফরাসী প্ৰভৃতি যুরোপীয় জাতিরা তাহদের দেশে কৃষিবিদ্যার উন্নতিসাধনের জন্য অত্যন্ত ঐকাস্তিকতার সহিত আপনাদের বিদ্যাবুদ্ধি নিয়োগ করিতেছেন, আমাদেরও সেইরূপ করা। কৰ্ত্তব্য । র্তাহারা পরীক্ষণ ও পৰ্য্যবেক্ষণ দ্বারা যে সকল সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়াছেন, তাহাও উপেক্ষা করা যুক্তিযুক্ত নহে। জমীই কৃষির প্রধান অবলম্বন। জমী না হইলে কৃষি হইতেই পারে না। জমী যত ভাল হয়, কৃষিজাত ফসল ততই ভাল হইতে থাকে। সেইজন্য ভাল জমীর খাজনা অধিক হইয়া থাকে এবং ভাল জমী পাইবার জন্য সকল চাষীই ব্যস্ত হইয়া থাকে । জমী ভাল কি মন্দ, তাহা জমীর মৃত্তিকার উপরই নির্ভর করে। নানা রকমের মাটি আছে। এক রকমের মাটিতে কেবল বালী, সে মাটিতে ফসল হয় না। বালুকার দোষ এই যে, উহা পরস্পর মিশিতে চাহে না । শুষ্ক বালীতে প্ৰায় কোন প্ৰকার লতাগুল্ম জন্মে না । বেলোজমীতে অর্থাৎ যে জমীতে বালীর ভাগ অধিক, সে জমীতে কোন কোন ফসল জন্মিয়া থাকে। আর এক প্ৰকার মাটী আছে, উহাকে আটালে ( এটেল ) মাটি বলে। অত্যন্ত অধিক আটালে মাটিতে-যে মাটির আটা এত অধিক যে, উহা শুকাইলে পাথরের মত শক্ত, হয়,-কোন ফসল জন্মে না। ঐ রূপ মাটিতে লাঙ্গল বিঁধে না । ইংরেজীতে যাহাকে Gaulty Clay বলে, তাহা এই শ্রেণীর কড়া আটালে মাটি। এইরূপ খাটি কড়া মাটিতে ফসল জন্মে না। সাধারণতঃ দো-অ্যাশ’ মাটিতেই ফসল জন্মে। শুষ্ক মরুতুল্য বালুকাত্মিক মৃত্তিকাকে চাষের উপযোগী করিয়া লওয়া আজকালকার দিনে কঠিন নহে। আমাদের দেশের চাষীরা অনেক সময় অত্যন্ত অধিক বেলোজমীতে বিঘাপ্রতি দুই তিন গাড়ি কাদা মিশাইয়া ঐ জমী চাষের উপযোগী করিয়া থাকে। ঐ কাদা বা আটালে মাটি বালীর সহিত ভালভাবে মিশাইলে বালীতে আটা জন্মে, তখন উহা ‘দো-অ্যাশ’ মাটিতে পরিণত হয়। বিলাতী চাষারাও পুর্বে এই প্রকারে নিতান্ত বেলেমাটিকে দো-আঁশমাটিতে পরিণত করিত। ইংরেজীতে ঐ রূপ মাটি