প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


vg -L======******** সেই জলীয় অংশের শূন্যস্থান পূর্ণ করিবার জন্য শিকড় দ্বারা মুক্তিকা হইতে যে রস টানিয়া লয়, তাহা উৰ্দ্ধগামী হইয়া থাকে। এইরূপে ঐ রস উদ্ভিদের সমস্ত দেহে ব্যাপ্ত হইয়া পড়ে। মৃত্তিকা হইতে যে রস উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তরে প্রৰেশ । করে, তাহার জলীয় অংশ অবিশ্ৰান্ত উড়িয়া যাইতে থাকে, কিন্তু ধাতব অংশ উদ্ভিদের দেহে থাকিয়া দেহের পুষ্টিসাধন। করে। পণ্ডিতরা হিসাব করিয়া দেখিয়াছেন যে, একটি গাছে এক সের শুষ্ক পদার্থ সঞ্চিত করিতে প্ৰায় আড়াই মণ জল মাটি হইতে গাছে প্রবেশ করিয়া, গাছের পাতা প্রভৃতি দিয়া বাস্পাকারে আকাশে চলিয়া যায়। সুতরাং ফসলের RINN? ya MANMYNWYNWYMN*NW 'Wyrw. "NYA L L eLALLAA LSLALeLA LALALALALALLSLLLAALLLLLALAL ATL LMLM ATM LL LMLALALA ALALALLS LLLLLLS hi Maas. জন্য। জলের ও ধাতব পদার্থের যেমন প্রয়োজন, রৌদ্রের উত্তাপেরও তেমনই প্রয়োজন। সেইজন্য পৰ্য্যাপ্ত রৌদ্র না। পাইলে অনেক শম্ভ নষ্ট হইয়া যায় । জমীর আর একটা গুণ আছে। বৃষ্টির জলই কেবল মৃত্তিকায় রসসঞ্চার করে না। বাতাসে একটু না একটু জলীয় বাষ্প থাকে। মাটি সেই জলীয় বাষ্প শোষণ করিয়াও আপনার রস বৃদ্ধি করে। বিশেষতঃ অত্যন্ত শুষ্ক মৃত্তিকার এই গুণটি বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। তবে বৃষ্টির জল ও সেচের জলই মৃত্তিকায় রসসঞ্চারের বিশেষ সহায়। অনাবৃষ্টি হইলে ফসল টিকে না। [..ক্রমশঃ । 4522 of 2229 SSS జైg যক্ষ্মারোগ । [ শ্ৰী রমেশচন্দ্র রায়, এল এম. এস, লিখিত। ] বর্তমান সময়ে এই রোগের অতিমাত্রায় প্ৰাদুৰ্ভাব হওয়ায়, সভাজগতে এতদসম্বন্ধে নানারূপ আলোচনার সূচনা হইয়াছে। পাশ্চাত্য ভূখণ্ডে সম্প্রতি এই ব্যাধির এত বেশী প্রসার ঘাটয়াছে যে, এই বাধিকে তঁাহারা “শ্বেতকায়দিগের প্লেগ” ( মহামারী) এই আখ্যায় আখ্যায়িত করিয়াছেন। দুঃখের বিষয়, ভারতবাসীদিগের মধ্যেও ইহার প্রভূত পরিমাণে বিস্তার হইতেছে, কিন্তু আমরা নিশ্চেষ্ট হইয়া বসিয়া আছি। লোকশিক্ষা ও জনসমাজে৷ মতামতের সৃষ্টি করা সংবাদপত্রের কাজ । যাহাতে আপামর সাধারণ যক্ষ্মা কি, কেমন DBDBBBD DS BDB BDBDBD DDD DBDB DS DD DDD BBB অবলম্বন করিলে উহাকে নিবারিত করা যায়-এতদসম্বন্ধে জ্ঞানলাভ করিতে পারে, সংবাদপত্রের ও সাময়িকপত্রের তাহা করা উচিত। আজ আমরা সেই উদ্দেশ্যেই এই বিষয়ের অবতারণা করিলাম। যতদূর সম্ভব, ডাক্তারীভাষা বর্জন করিয়া সাধারণের বোধগম্য ভাষায় এই প্ৰবন্ধে সকল তথ্য বিবৃত করিব। জনসাধারণে এই প্ৰবন্ধটি অবহিতচিত্তে পাঠ করিলে বেশ বুঝিবেন যে, কেবল অদৃষ্টকে অবলম্বন করিয়া বসিয়া থাকিলে চলিবে না ; চেষ্টার ফলে সুফল ফলিবেই ফলিবে । यकांब्रांकों कि ? যে কোনও রোগে শরীরের ত্বরিত ক্ষয় হইতে থাকে, BDB DDDBDB DD DBD BBDS SDDD DBBBB যন্মারোগ বলিলে বক্ষোদেশের পীড়াকে বুঝায় ; এই পীড়ায় ঘক্ষে বেদনা, স্বল্প জার, প্ৰবল কাশি ও প্রচুর পরিমাণে কাশ SBBK iBD BDBE BBD BDB DDB DTD DDSS DD জনসাধারণের জানা না থাকিলেও, ঐ ক্ষয়রোগ উদরাময় বা d “ডিসপেপসিয়া” ( অজীর্ণ) বা “সুতিকা” কিম্বা রক্তপ্ৰস্ৰাব, শিবামুণ্ড (অর্থাৎ কোনও গ্ৰন্থিন্ধীতি) প্ৰভৃতি নানারূপে প্ৰকটিত হইয়া থাকে । আমি এমন কধা বলি না যে, সুতিক বা অজীর্ণ হইলেই তাহা ক্ষয়রোগ ; আমার বক্তব্য এই যে, কোনও কোনও অজীর্ণ ও সুতিক ক্ষয়রোগের রূপান্তর মাত্র । জনসাধারণের মধ্যে আরও কয়েকটি ভ্ৰমাত্মক ধারণা আছে; তঁহাদের ধারণা আছে যে, যক্ষ্মারোগ হইলেই মুখ দিয়া রক্ত উঠিবে এবং যক্ষ্মা হইলেই জর থাকিবে। কিন্তু যদিও শতকরা নব্বুই জনের পক্ষে ঐ দুর্ট কথা খাটে, সকলের পক্ষেই উহা প্ৰযোজ্য নহে। অনেকের ধারণা আছে যে, যন্মারোগে খোলা জায়গায় খুব ভ্ৰমণ করা ভাল ; এটিও ভ্ৰমাত্মক ধারণা। शश्कारांद्वांद्र कांद्वं कि ? যক্ষ্মারোগের কারণ একপ্রকারের জীবাণু। উহাকে ইংরাজীতে টুম্বার্কেল giftet (Tubercle Bacillus ) কহে। ঐ জীবাণু নাসারন্ধ পথে অথবা মুখের ভিতর দিয়া বক্ষোস্থিত ফুসফুসে নীত হয়। ফুসফুসে আসিয়া তাহারা যেখানে আটকায়, সেখানে ফোড়ার মত ব্ৰণ উৎপাদন করে -ঐ ব্ৰণকেই টুলবার্কেল (Tubercle) কহে। ক্রমশঃ ঐ BDB BBD DDYieuDB SDBB BBD DD DSyES পাশি কয়েকটি ব্ৰণ এইরূপে গহবর হইয়া গেলে, তাহাদের সমষ্টি গহবরাট আকৃতিতে সময়ে সময়ে ক্ষুদ্র বন্ধমুষ্টির মত বড় হইতে পারে। যে টুলবার্কেল ব্যাসিলাসকে যক্ষ্মারোগের কারণ বলা হইল, তাহা ইতস্ততঃ বায়ুতে ভাসমান অবস্থায় উড়িয়া উড়িয়া