প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


R8 শ্বেত ও কৃষ্ণ উভয় তুলসীই সমগুণবিশিষ্ট । শুক্লাকৃষ্ণাচ তুলস্যা; গুণৈস্তুল্যাঃ প্ৰকীৰ্ত্তিতা । ( ভাবমিশ্রঃ।) সুরসাদি তুলসীসমূহ সমগুণবিশিষ্ট হইলেও মরুবক, দমনক ও অর্জক, তুলসীত্ৰিয়ের একটু একটু গুণবৈশিষ্ট্য व्जफ्रिङ झुग्न । " . . মরুবক—তীক্ষুবীৰ্য্য, লঘুপাকী ও ইহার রস বা চুৰ্ণ বৃশ্চিক, বোলতা, ভীমরুলাদির দষ্টবিষ ও বেদনানাশক। মরুদগ্নিপ্রদে ঈদ্যাস্ত্ৰীক্ষোষঃ পিত্তলো লঘুঃ। বৃশ্চিকাদিবিধ শ্লেষ্মবাতিকুণ্ঠ কৃমি প্ৰণুং | ( ভাবমিশ্রীঃ । ) দমনক-কষাসুতি ক্তরস, শুক্র জনক, গ্ৰহণীদোষ, কাণ্ডু, ক্লেদ ও ত্রিদোষনাশক । দমনস্তুবরস্তিক্তে হৃদর্ঘ্যোবৃষ্যঃ সুগন্ধিকঃ । গ্ৰহনুদা বিষাকুষ্ঠাস্ত্ৰ ক্লোদক ধু ত্রিদোষজিৎ ৷ ( ভাবমিশ্রীঃ । ) অৰ্জক-নেত্ররোগহর, সুখপ্রসবকারক, রুক্ষ্ম ও শীতবীৰ্য্য । নেত্ৰামিয়াহুরা রুচ্যাঃ সুখপ্রসবকারকাঃ । ( রাজনির্ঘণ্টঃ । ) সুরসা। --সাধারণতঃ ঔষধার্থে ও দেবাচ্চনাদি কার্যে আমরা যে গ্ৰামাসুলভ শ্বেত তুলসী বা বঙ্গার করি, তাহাই সুরসা তুলসী। ইহার পত্রের আকার মধাম ও ইহা বহুপত্রবিশিষ্ট । মরুবক ।-বড় বড় পত্ৰবিশিষ্ট সুগন্ধি তুলসী। অনেক স্থানে ইচা “রামতুলসী’ নামে আখ্যাত হইয়া থাকে । দমনক-পশ্চিমে এই তুলসীকে দোনা বা দবা তুলসী বলে; বাঙ্গালা দেশের অনেক স্থানে ইহা ‘গুলাল তুলসী’ নামে প্রখ্যাত। বর্বরী -সাধারণতঃ কৃষ্ণপত্ৰবিশিষ্ট । ইহার পত্রাকার ক্ষুদ্র না হইলেও খুব বড় নহে। ইহা শ্বেতবর্ণও দেখা যায়। ইহাকে বাঙ্গালায় প্রায় ‘বাবুই তুলসী’ বলিয়া থাকে। সুরসা তুলসীর কফ, কাস ও শ্বাসনাশক গুণ এমন সুন্দর যে, ইহা সদ্যোজাত শিশু হইতে অশীতিপর বৃদ্ধেরও শ্লেষ্মবিকৃতিবিনাশে ব্যবহৃত হয়। মাত্ৰ-সন্তোজাত শিশু श्दन। डूप्लगी। অনাথবন্ধু। n v YW VAN AM AN AV A tao. Ar A a VA AM Y A ANNW dA AN WAA WA WA WA VWWA WAM "VANA YN AWAY NA [ ४iथम दर, डांगांg, s७२७ । Wf * f YA a Wy' Y.AV A aF *YAV Y "h f *AL v, Aa vRA os হইতে ১ বৎসর বয়স্ক শিশুর প্রতি ৫ ফোটা হইতে ১০ বা ১২ ফোঁটা, পূৰ্ণবয়স্কের পক্ষে সিকি ভরি হইতে আধা ভরি। শিশুদের পক্ষে মধু, কখনও বা সৈন্ধবলবণসহ ব্যবহার করা বিধেয় । সুরসা তুলসীর পত্র সৈন্ধবলবণযোগে দক্রস্থানে রাগড়াইলে ৩৪ দিবসে দন্দ্র আরাম হইতে দেখা যায় । তুলসী নিজের চতুষ্পার্শ্বস্থ বায়ুকে স্বীয় সুগন্ধাদি গুণ দ্বারা সংশোধিত করে। কেহ কেহ বলেন, তুলসীবৃক্ষ গৃহপ্রাঙ্গণে রোপিত থাকিলে, ম্যালেরিয়া জ্বর ও ভূতগ্ৰাম্যাদির সংক্রাম তা অনেকটা প্রশমিত হইয়া থাকে । তুলসীগন্ধমাদায় যাত্ৰ গচ্ছতি মারুতঃ দিশোিদশঃ পুণ্যং ত্যাগু ভূতগ্রামাংশ্চতুবিধান ৷ (ইতি পদ্মোপ্তািরখ গুম।।) সুরসা তুলসীর “সত্ৰ প্ৰবন্ধপার্শ্বে সন্নিবেশিত হইয়াছে, সুতরাং উহারই দেশভেদে নাম লিখিত হইল : -হিন্দুস্থানে, গুজরাটে, বঙ্গদেশে, ক্ৰ’মেলে, দাক্ষিণাতো—তুলসী, তুলসী। তৈলঙ্গে— গগমচোটু, তুলসী। মঙ্গারাষ্ট্রে-তুলস, তুলসী চেন্নাড়। কণাটে এ রেড তুলসী । ফারসাতে-রেখান। আরবীতে-উলসী বাদ পূৰ্ণত। ইংরেজীতে-খোয়াইটু ব্যাসিল। বোল । [ কবিরাজ শ্ৰীযুত আশু৩োষ ভিনগাচাৰ্য্য, কাব্যতীর্থ, কবিরত্ন, শাস্ত্রী লিপি আিত । ] আমাদের দেশে বেল অতি প্ৰসিদ্ধ দ্ৰব্য । বেল চেনেন না, এমন লোক এ দেশে নাই বলিলেও অতৃক্তি ভয় না ; সুতরাং ইতার পরিচয় দেওয়া নিম্প্রয়োজন । বেলগাছের জন্য বিশেষভাবে চাষ আবাদ করিতে ভয় না, জঙ্গলেও ইতা প্রচুর পরিমাণে জন্মে। ইচ্চার ফল, পাতা, শাখা প্ৰভৃতি আমাদের দেশে বহু প্রয়োজনে বা বঙ্গত হইয়া থাকে ; অতএব ইত্যা নে আমাদের অত্যন্ত প্ৰয়োজনীয়, এ কথা বলাই বাহুলা । পাকা বেল অতি সুস্বাগ, সুগন্ধি ও মুখরোচক ; কচি বেলপোড়া উদরাময়ে বিশেষ হিতকর ; বেলপাতা দেবপূজায় অবশ্য প্রদেয়। ইতার শাখায় মানবকের দণ্ড, গুড়িতে বৃষোৎসর্গের যুপকাষ্ঠ ও শুষ্ককাষ্ঠে তোমাকাষ্ঠ প্ৰস্তুত হয় এবং বেলের আটা চিত্রকরগণ প্ৰতিমার “বাৰ্ণিশ”- রূপে বহুল ব্যবহার করিয়া থাকে। সুতরাং লৌকিক কাৰ্য্য সম্পাদনাৰ্থে সৰ্ব্বদাই বেল আমাদিগের সমধিক উপকারী ।

  • ইচ্ছা ভিন্ন ভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে অভিহিত । হিন্দুস্থানে—-বেল, মহারাষ্ট্রে—বোলবৃক্ষ ও বেল্লফল, গুজরাটে-- বিলোবিলু, কর্ণাটে—বেললু, তৈলঙ্গে। —মারেউীপন্দুবিল্প, তামিলে-বিম্বপাকাম ও ল্যাটিনে-Arangle Marmelos ।