প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৪২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সনাতন হিন্দুধৰ্ম্ম। ইন্দ্ৰিয়নিগ্ৰহ । শাস্ত্ৰে ধাৰ্ম্মিকের পক্ষে ইন্দ্ৰিয়নিগ্রহের ব্যবস্থা আছে, ধৰ্ম্মের লক্ষণে তাহা বলা হইয়াছে। কিন্তু “ইন্দ্ৰিয়নিগ্ৰহ” শব্দের অর্থ লইয়া সময় সময় বিশেষ গোল ঘটে। কেহ কেহ মনে করেন যে, কতকগুলি ইন্দ্ৰিয়ের জোর করিয়া বিলোপসাধন করিলেই “ইন্দ্ৰিয়নিগ্ৰহ” করা হয়। কোন কোন সন্ন্যাসী তাহা করিয়া থাকেন। কিন্তু আমার মনে হয় যে, এই মত ঠিক নহে। সেই জন্য আমি এই বিষয়টি লইয়া কিঞ্চিৎ আলোচনা করিতে ইচ্ছা করি । ইন্দ্ৰিয়শব্দের অর্থ কি ? ইন্দ্ৰ এই দেহের রাজাআত্মা ৷ ইন্দ্ৰ শব্দের উত্তর লিঙ্গার্থে হয়। প্ৰত্যয় করিয়া ইন্দ্ৰিয় শব্দ নিম্পন্ন হইয়াছে । ইহার অর্থ-যাহাঁদের উপর BBD YDD BDL S DLDD DS TKBSS BBB কৰ্ম্মেন্দ্ৰিয়, পাঁচটি জ্ঞানেন্দ্ৰিয় ; আর এই দশ জনের সকলের উপরে মোড়লা করেন-মন মহাশয় । এই এগারটি ইন্দ্ৰিয়DD DBBD DDDLDD DDD LBB BDBDDBDBB BB LBD S ইন্দ্ৰিয়গণ দেহকে আশ্ৰয় করিয়া থাকে, সেই জন্য দেহের আর একটা নাম-ইন্দ্ৰিয়ায়তন । চক্ষু, কৰ্ণ, নাসিকা, জিহ্বা এবং ত্বক, এই পাঁচটিই জ্ঞানেন্দ্ৰিয় ; ইহাদের দ্বারা জ্ঞানলাভ হয়। আবার বাকা, পাণি, পাদ, পায়ু ও উপস্থ, এই পাঁচটি কৰ্ম্মেন্দ্ৰিয় ; ইহাদের দ্বারা। কৰ্ম্ম করা যায় । ইহা DD BBD0 gD DDSDBD SDBDSDBL BDB DBBB থাকে । বুদ্ধি, অহঙ্কার ও চিত্ত, এই তিনটিকেও কেহ কেহ অন্তরেন্দ্ৰিয়ের মধ্যে গণ্য করেন । বেশ জটিলতাস্থােষ্টর ভয়ে 'আমি শেষোক্ত তিনটিকে বাদ দিয়া মোটামুটি LTY Zz LLYOB STt DuLYt BDBDDS ggS কর্ণের দেবতা দিক, ত্বকের দেবতা বায়ু, চক্ষুর দেবতা সূৰ্য্য, DBBK SsLTTS BDBBDD BDDDDS L DDS DBOBBDDB প্ৰজাপাত, বাক্যের বহ্নি, হস্তের ইন্দ্ৰ, পাদের বিষ্ণু, মনের চন্দ্ৰ, বুদ্ধির ব্রহ্মা, অহঙ্কারের শঙ্কর এবং চিত্তের অচ্যুত । অতএব হান্দ্ৰিয়গুলি নিতান্ত উপেক্ষার বিষয় নহে। শাস্ত্র সর্বত্রই ইন্দ্ৰিয়নিগ্রহের ব্যবস্থা আছে। ইন্দ্ৰিয় কি, তাহ মোটামুটি বুঝা গেল । শরীরে জ্ঞানার্জনের ও কৰ্ম্মসাধনের জন্য যে সকল যন্ত্রাদি আছে, তাহাহ ইন্দ্ৰিয়। এখন বুঝতে হুইৰে,--নিগ্ৰহশব্দের অর্থ কি ? আমরা সাধারণতঃ নিগ্ৰহ অর্থে পীড়ন বুঝি । কিন্তু বাস্তবিক উহ! গ্রিহশব্দের মুখ্য অর্থনৈছে, উহা গৌণ অর্থ। নি+', গ্ৰহ+অল করিয়া নিগ্রহশব্দ গঠিত হইয়াছে। গ্রহ ধাতুর অর্থ= গ্ৰহণ করা । নি উপসৰ্গদ্বারা নিকৃষ্টভাবে বুঝায়। নিগ্ৰহ অর্থে নিকৃষ্টভাবে গ্ৰহণ। সুতরাং ইন্দ্ৰিয়নিগ্ৰহ অর্থে ইন্দ্ৰিয়গুলিকে বড় না। ভাবিয়া ছোট বলিয়া গ্ৰহণ করা বুঝায় অর্থাৎ ইন্দ্ৰিয়গুলিকে আমার নিয়ন্ত না করিয়া আমাকে ইন্দ্ৰিয় গুলির নিয়ন্ত করা বুঝায়। আমার মন আমাকে যে দিকে লইয়া যাইবে, আমি অগ্র-পশ্চাৎ না। ভাবিয়া সেই দিকেই ছুটিব, এরূপ না করিয়া আমি মনকে যে দিকে লইয়া যাইব, আমার মন সেই দিকে যাইবে-এরূপ শক্তিলাভ করা উচিত । মন হইতেছেন। সকল ইন্দ্ৰিয়ের সর্দার-মণ্ডল । মন যে দিকে না যায়, সে দিকে কোন ইন্দ্ৰিয়ই যায় না । কাজেই ইন্দ্ৰিয়নিগ্ৰহ করিতে হইলে DOBBD DBBBBB BDBD DBDBBKS BDLDDS DDDDSS S S DBDY র্যাহার ইন্দ্ৰিয়নিগ্ৰহ হইয়াছে, তঁাহাকে “বশী” বলে। বাঁশীশব্দের অর্থ-ইন্দ্ৰিয়গণ বাহার বশ হইয়াছে। এখন জিজ্ঞাস্য,-ইন্দ্ৰিয়দিগের কার্য্যই বা কি আর তাহাদিগকে নিগৃহীত করি বই বা কি জন্য ? ইন্দ্ৰিয়দিগের দ্বারা বিষয়ভোগ হয় ৷ প্ৰকৃতিদেবী জীবকে এই জগতে বঁধিয়া বা আটুকাইয়া রাখিবার জন্য রূপ-রস-গন্ধ-স্পৰ্শ-শব্দময় কত জিনিসই যে সাজাইয়া রাখিয়াছেন, তাহার সংখ্যা হয় না। ভোগালোলুপ জীব সেই বিষয়-সাগরে ডুবিয়া থাকে। মুখে যত লোক বৈরাগোর ধ্বজা উড়ায়, তাহার অধিকাংশ-প্ৰায় সব বলিলেও বেশী বলা হয় না-লোকই এই ভোগের গামলায় মুখ জুবুড়াইয়া আছে। তাহা হইতে তাহাদের মুখ তুলিয়া চোখ চাহিয়া আর কিছুই দেখিবার শক্তি নাই। প্রকৃতি ত্ৰিগুণাত্মক রাজুর দ্বারা জীবকে দৃঢ় গোজে বাধিয়াছেন, আর তাহার মুখে ভোগের গামলা দিয়া তাহাকে সংসারে আসক্ত রাখিয়াছেন । ইহা মায়ের বন্ধনও বটে, মায়ার বন্ধন ও বটে। বন্ধনের ফলেই হউক। আর প্রকৃতির বলেই হউক, বিষয়ের প্রতি জীবমাত্রেরই একটা অতি তীব্র তৃষ্ণা আছে। সে তৃষ্ণা দুনিবার। যতক্ষণ গুণের বঁাধন আছে, ততক্ষণ বিষয়ের তৃষ্ণা আছে ; পেঁ তৃষ্ণা যায় না-যাহঁতে পারে না। তবে যদি গুণের বাধন Y BBB DDD DDSSYTeBBD D DBS DB হইলে সে তৃষ্ণা ঘুচিয়া যায়। নতুবা সে তৃষ্ণা ঘুচিবার নহে । সুতরাং সাধারণ জীবকে বিষয়ভোগ করিতেই হয় । তাহার অন্য উপায় নাই । . . . . এই বিষয়ের আবার প্রকারভেদ আছে। যোগীর , झूठ cख्य न थांकिtण७ cडांौद्ध छिड ভেদ আছে।