প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


efeat N-reti Tirl আলোচ্য, এই জন্য ইহাকে গন্ধৰ্ব্ববিদ্যা বলে। কিন্তু কোন জাতি গন্ধৰ্ব্ব নামে - প্ৰসিদ্ধ ছিল, এক্ষণে তাহাদিগের বংশধর কেহ বা আছে কি না, তাহার নির্দেশ করা সুকঠিন। চারি সহস্ৰ বৎসর পূর্বে যে, সঙ্গীতগ্ৰন্থ এ দেশে প্রস্তুত হইয়াছিল, প্তাহ অন্যাপি প্ৰাপ্ত হওয়া যায়। উহা পাঠে জানা যায় যে, অত প্ৰাচীনকালেও এ দেশে সঙ্গীতশাস্ত্রের শ্ৰীবৃদ্ধিসাধন হুইয়াছিল। . . . 1 আমাদিগের অতি প্ৰাচীন সময়ের বর্ণনা এইরূপঃ যথাপুথিৰীস্মৃষ্টির সমকালে দেবাদিদেব মহাদেবের পঞ্চ মুখ হইতে পাচ, পাৰ্ব্বতীর মুখ হইতে এক, এই ছয় রাগের সৃষ্টি হইয়াছিল।... মহাদেবই সঙ্গীতবিদ্যা প্ৰথম সৃষ্টি করিয়া বিশ্বপতি পরমাত্মা গোলোকপতির গ্ৰীতি সম্পাদন করেন, তখন জগন্নিবাস বিষ্ণু, আদিদেব মহাদেবের সঙ্গীতে দ্রব , হইয়া গঙ্গারূপে মহাদেবকে প্ৰেমালিঙ্গন করেন ; অতঃপর, ব্ৰহ্মা সেই কয়েকটি রাগ প্ৰথম শিক্ষা করিয়া ইহাদিগকে ধান করিবার জন্য ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন ঋতুর নির্দেশ করেন ; যথাশরতে ভৈরবী ; হেমন্তে মালব বা মালকোষ ; শিশিরে নটনারায়ণ, শ্ৰী ; বসন্তে হিন্দোল বা বসন্ত; গ্রীষ্মে দীপক, পঞ্চম এবং বর্ষায় মেঘ। এই ছয়টি রাগ ব্ৰহ্মা ছয় ঋতুতে গান করিবার জন্য ঋতু অনুসারে প্রত্যেক রাগের অনুগত আর ছয়টি রাগিণীর সৃষ্টি করেন। ঐ রাগিণী গুলি যে যে রাগের অনুগত, সেই সেই রাগের ভাৰ্য্যাস্বরূপ বলিয়া প্ৰসিদ্ধ আছে। ব্ৰহ্মা এই কয়েকটি রাগরাগিণী ক্রমশঃ নারদ, রম্ভা, তুম্বুরু, হুহু এবং ভরত এই পাঁচটি শিষ্যকে শিক্ষা দিলেন। কোন কোন সঙ্গীতগ্রন্থের মতে সোমেশ্বর সঙ্গীতবিদ্যা সৃষ্টি করিয়া অষ্টাদশ শিষ্যকে শিক্ষা দেন ; যথা, দেবতাদিগের মধ্যে দুৰ্গা ও সরস্বতী, নাগলোকের মধ্যে শেষ, ঋষিদিগের মধ্যে নারদ, ভরত, কণ্ডপ, শাখা মৃগ ও হনুমান এবং গন্ধৰ্ব্বদিগের মধ্যে কলানাথ, সাবৃদল, তুম্বুরু, আসোয়, দেশা, হোেহাঁই, কোহল, তাহা, হুহ, রাবণ, অৰ্জ্জুন, নারদ ও ভরত ঋষিদ্বয় সঙ্গীতশাস্ত্রের অধ্যাপনা করিতেন। হুহু ও তুম্বুরু গন্ধৰ্ব্বদ্বয় কণ্ঠে ও যন্ত্রে ক্রিয়াসিন্ধাংশ শিক্ষা দিতেন, রম্ভ নৃত্যবিদ্যার শিক্ষণ দিতেন, ইহারা প্ৰত্যেকেই এক একখানি সঙ্গীতগ্ৰন্থ প্ৰণয়ন করিয়াছিলেন। তন্মধ্যে ভরতপ্রণীত গ্ৰন্থই প্ৰথম প্রচারিত হয় এবং ভদ্রনামক জৈনক নট । এই গ্ৰন্থ সৰ্ব্বত্র অধ্যাপনা का ब्रशेख्न । भक्षुत्रिं डब्रुङ आंबांव्र उंङ छब्र ब्रांश ७ छडि* রাগিণী হইতে আটচল্লিশটি উপরাগিণীর সৃষ্টি করিয়া উহাদিগের পুত্ররূপে নির্দেশ করেন। এইরূপ কথিত আছে, দিবারাত্রি অষ্ট, প্রহরে বিভক্ত থাকা প্ৰযুক্ত, প্ৰত্যেক প্রহরে গান করিবার জন্য এক এক রাগের আট আটটি করিয়া পুত্ৰ নির্দিষ্ট হয়। কেহ কেহ অনুমান করেন, সঙ্গীতে আটটি মাত্র রস পরিগৃহীত হয় বলিয়া, ঐ আট রসের অনুগত এক একটি গান : করিতে হইবে ভাষিয়া এক এক রাগের আট আটটি ক্ষুত্র নির্দিষ্ট হইয়াছে। মহর্ষি ভারতের মত ক্রমশঃ চতু সঙ্গীতশাস্ত্ৰ । র্দিকে বিস্তৃত হইয়া পড়ায়, ঋষি ও গন্ধৰ্ব্বোরা ঐ মতে সঙ্গীত '89 Wr v AAA Mr rrrrrr . . . . শিক্ষা করিতে লাগিলেন। তারপর গন্ধৰ্ব্বোরা সঙ্গীতশিক্ষায় এত পারদর্শী হইলেন যে, এখনও সঙ্গীতবিদ্যাকে গন্ধৰ্ব্ব, বিন্ধু! বলিয়া লোকসমাজে বলিয়া থাকে । . . . ७ोंौनभाड cोब्रांगो ब्रांत्रिनीबू (४नत्र उभांछि । डेड সঙ্গীতগ্রন্থাদির মতে দিবা পাঁচ ভাগে বিভক্ত ; যথা,-প্ৰাতঃ, DDBBS K DSBBBDS BDS D Bu uDBDDB LKDuS সন্নিবেশস্থলে ছয় রাগের পাঁচ পাঁচটি রাগিণী সৃষ্টি হয় এবং পুনর্বার দিবারাত্ৰিকে আট প্রহরে ভাগ করিয়া এক এক রাগিণীর আট আটটি পুত্র বলিয়া, আটচল্লিশটি উপরাগের উৎপত্তি হয় । . . . . . . এই সকল রাগরাগিণী অষ্টপ্রকার সাহিত্যিক রসায়ুক্ত হইয়া জীবদেহে এক অভূতপূৰ্ব ঐন্দ্রজালিক কাৰ্য্য করিয়া থাকে। রসে, গুণে, সময় ও ঋতুর সহিত প্ৰযুক্ত হইয়া দেহের বায়ু, পিত্ত, কাফের সমতা জন্মায় ও রোগবিশেষের আরোগাকারী ক্ষমতা বিধান করিয়া থাকে ; সুস্থাবস্থায় মনের গতি অন্যদিকে প্ৰবৰ্ত্তিত করায়, মনুষ্যমন রসবিশেষে মোহিত, স্তম্ভিত ও আকৰ্ষিত করায় ; সন্ধীতপ্রবৃত্তিনিচয়কে উত্তেজিত করায় এবং রিপুকুলকে বশীভূত করায়। কোন প্রকার সুস্বর শ্ৰবণ করিলে এমন জীব নাই যে, তদিকে তাহার মন ধাবিত না হয়। কর্ণের সহিত স্বরের, এমনই স্বভাবসম্বন্ধ, যে উহা দ্বারা জগতে অলৌকিক ক্রিয়াসকল সম্পন্ন হইতে পারে। লোকে প্ৰবাদ আছে যে, এক ব্যক্তি সমুদ্রপোত হইতে বংশীধ্বনি করিয়া তাহার সুমধুর স্বর দ্বারা নানাপ্রকার জলজন্তুকে মুগ্ধ করিত। অন্যাপি য়ুরোপখণ্ডে সমুদ্রে মৎস্ত ধরিবার সময় ধীবরের বংশীধ্বনি করিয়া মৎস্য সংগ্ৰহ করিয়া থাকে। কোন সঙ্গীতনিপুণ ব্যক্তি স্বীয় কণ্ঠস্বর দ্বারা মনুষ্যকে উন্মত্ত করিতে পারে। সঙ্গীতের মোহিনীশক্তিপ্রভাবে পাষণ দ্রবীভূত হয়, মৃতের জীবনলাভ, অকস্মাৎ প্ৰচণ্ড অগ্নির উৎপত্তি এবং বৃষ্টির আবির্ভাব হওয়া প্ৰভৃতি অলৌকিক ব্যাপারের কথা অনেকেই শুনিয়া থাকিবেন । ভারতবর্ষীয় প্ৰসিদ্ধ গায়ক-গোয়ালিয়ার প্রদেশের নিকটবৰ্ত্তী মিঞা তানসেনের কথা ও তাহার সঙ্গীতের প্রভাব সকলেই অবগত আছেন । তিনি দীপক রাগ আলাপ করিয়া অগ্নির উৎপত্তি ও মল্লার রাগের আলাপ দ্বারা বৃষ্টির আবির্ভাব করাইতে সমর্থ ছিলেন । যদিও এই সকল কথা শুনিলে রূপকথার মত অনুমান হয়, তথাপি ইহা বিশ্বাস করিতে হইবে । সঙ্গীত যে সময়ে সময়ে ঐন্দ্ৰজালিক, ক্রিয়া করিয়া লোককে মন্ত্রমুগ্ধ করিতে সমর্থ হয়, তাহার। আর কোন সন্দেহ নাই। অনেকেই জানেন, প্ৰান্তরমধ্যে বেণুস্বর শ্রবণ করিয়া গো অশ্ব প্ৰভৃতি স্বরাভিমুখে ধাবিত DDDSDBBBBDB BB DBBB DBDDDD DDD DDDDBDB BBD ধৃত হয়; হান্তিগণ বাদ্যভাণ্ড ও সঙ্গীতে এমনই মোহিত হয় যে, তাহারা যেন তাহার প্রভাবে মৃদু পা ফেলিতে ফেলিতে নৃত্য করিতে থাকে ; অতি বড় হিংস্র বিষধর ৪. সঙ্গীতমন্ত্রে মুগ্ধ ও