প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৪৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


에 9- T1 || ] r صحسسسسسسسسحصــصحيحصحصحصصحسس صحيحسسسسسسسسسسسسسسس পাঠে জানিতে পারা যায় যে, গিধোড়-রাজকে আবশ্যককালে দিল্লীর সমাটুকে ২৫৯ অশ্বারোহী ও ১০ হাজার পদাতিক সৈন্য দিতে হইত। মোগল-বাদশাহদিগের আমলে গিধৌড় রাজবংশ যে গৌরবে গৌরবান্বিত হইয়াছিলেন, উত্তর কালে বহুদিন পর্যন্ত তঁহাদের সেই গৌরব অক্ষুন্ন ছিল । সরকারী কাগজপত্র ও দলিলাদি হইতে জানিতে পাৱা যায় যে, ১৭৫০ খৃষ্টাব্দ পৰ্য্যন্ত উল্লিখিত ছয়টি পরগণা গিধোড়ি-রাজিদিগের করায় ওই ছিল । প্ৰথমে বিস্ত হাজারী পরগণাটিই উক্ত রাজবংশের হস্তচু্যত হয়। অবশেষে গিধোড়ি-রাজ বিশেষ চেষ্টা করিয়া ইহার মালেকানস্বত্ব লাভ করিয়াছিলেন । ১৭৬৮ সালে রোহিণী পরগণা গিধোড়িরাজের হস্তচু্যত হইয়া বীরভূমের রাজার হস্তগত হয়। দেওঘর ও বিথোের, এই রোহিণী পরগণারই অন্তর্গত। যখন এই ব্যাপার সংঘটিত হইয়াছিল, তখন গিধোড়ের মসনদে বাজা অমর সিংহ প্ৰতিষ্ঠিত এবং খয়রার রাজা আজিৎ সিংহ রাজ্যশাসন করিতেছিলেন । ১৭৭৪ খৃষ্টাব্দের ঘাটোয়ালবিদ্রোতে গিধোড়, রাজগণ সৰ্ব্বতোভাবে সরকারকে সাহায্য করিয়াছিলেন। ফলে সেই যুদ্ধে বীরভূমের মুসলমান রাজা পরাজিত হইয়াছিলেন সত্য, কিন্তু তাহারা আর রোহিণী পরগণার পুনরুদ্ধার করিতে সমর্থ হন নাই। বৈদ্যনাথ জীউর তীর্থখাত্ৰিগণের বিজন দুর্গম গিরিপথমধ্যে সহায়তাজন্য যে সকল ঘাটোয়াল এই রাজবংশের বৃত্তিভোগী ছিলেন, কালে ঠাঙ্গারা পরাক্রাপ্ত হইয়া এই রাজবংশকে সৰ্ভচুত করিয়া স্বাধীন হন । বাঙ্গালা ও বেহারে বৃটিশরাজ্য প্রতিষ্ঠিত হইলে এই বংশে। উনবিংশতিতম রাজা গোপাল সিংহ কিছুদিনের জন্য রাজাচুত হইয়াছিলেন, কিন্তু অল্পকালপরেই তিনি আবার * রাজো প্ৰতিষ্ঠিত হইয়াছিলেন । ১৭৯৮ খৃষ্টাব্দে এই বংশের রাজগণের সহিত বৃটিশ গবমেণ্ট চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করেন এবং ইহার রাজাকে রাজা বলিয়া স্বীকার ও সম্মান করেন । ইষ্ঠার বংশধর মহারাজ জয়মঙ্গল সিংহ ১৮৫৫ খৃষ্টাব্দে এবং ১৮৩১ খৃষ্টাব্দে সাওতালবিদ্রোহ প্ৰভৃতিতে সরকারের সাঙ্গাধা পাইয়াছিলেন । ১৮৫৭ খৃষ্টাব্দে সিপাহীবিদ্রোঙ্গে তিনি সরকারের সাহায্য করিয়াছিলেন বলিয়া সরকার টাঙ্গাকে সেই কাৰ্যোর জন্য তিন হাজার টাকা আয়ের $1 টি নিষ্কার বিধায় আমরণ ভোগদখল করিতে দিয়াছিলেন । *স্পশোঁসে সরকার ১৮৬৫ খৃষ্টাব্দে রাজা জয়মঙ্গল সিংহকে **ারাজ উপাধি এবং ১৮৬৬ অব্দে কে. সি. এস. আই. উপাধি প্ৰদান করেন। অতঃপর যখন মহারাণী ভিক্টোরিয়া

  • ৮ '1 ৭ খৃষ্টাব্দে দিল্লীর দরবারে ভারতসামাজ্ঞী উপাধি গ্ৰহণ "
    • ৰ্বন, সেই সময় গিধোড়ি-রাজ পলুপোল্লাদিক্ৰমে মহারাজ
    • ? `°1क्षि भ्रु ब ।।
    • ারাজ জয়মঙ্গল সিংহের পর মহারাজ শিব প্ৰসাদ

gK0B SDSLLSDDDD S tDBB KLLD SBBDDB S "« ص ۹ڑ في 1 . মহারাজ সায় রাবণেশ্বর সিংহ বাহাদুর। Ֆ8 Փ গিধোড়াধিপতি মহারাজ। সার রাবণেশ্বর সিংহ বাহাদুর তঁহারই পুত্ৰ । ইনি ১৮৮৫ খৃষ্টাব্দে গিধোড় রাজসিংহাসনে উপবিষ্ট DBDDBYDSS HJJ gS0 DBBSS BD DSDYS লাভ করিয়াছেন । ছয়বার ইনি ব্যবস্থাপক সভায় সদস্যপদে বরিত হইয়া বিশেষভাবে কাৰ্য্যদক্ষতা প্ৰদৰ্শন করিয়াছেন। বেহার অঞ্চলে ভূম্যধিকারী ও আভিজাতগণের মধ্যে ইনি সর্বশ্ৰেষ্ঠ । গিধোড় রাজবংশ যে অত্যন্ত প্ৰাচীন ও কৌলীন্যগুণমণ্ডিত, তাহা অস্বীকার করিবার উপায় নাই । যে বৎসর বুটেনিয়ার ভাগ্য বিপৰ্য্যস্ত হয়, যে ১০৬৬ খৃষ্টাব্দে ইংলণ্ডের আন্তঃপাতী সেনােলাকের ভীষণ প্ৰান্তরে নম্মাণ্ডীর রাজা প্ৰথম উইলিয়ম ইংলেণ্ডেশ্বর হারলিন্ডকে পরাজিত করিয়া ইংলণ্ডের রাজা ই ইয়াছিলেন, সেই বৎসর হইতে গিধোড়- রাজবংশ বৰ্ত্তমান সময় পর্যান্ত আপনার প্রতিষ্ঠা অক্ষুন্ন রাখিতে সমর্থ হইয়াছেন। সে জাইগীর প্রথা বিলুপ্ত হইয়া গিয়াছে ; যুদ্ধ, কুটনীতি, শৌযা ও পবিত্রতার দিন আর নাই ; কিন্তু গিধোড়া-রাজগণ সেই প্ৰাচীন ভাৰ এখন ও অবাতত রাখিয়াছেন। এখন জনহিতৈষণায়, সাধারণ কাৰ্য্যে ও ব্যক্তিগতভাবে বিপন্নের সাঙ্গাযার্থ দানে, ভূমিসম্প্রদানে, পথিনিৰ্ম্মাণে, রেল বিস্তারে এবং নানাবিধ ধৰ্ম্মকার্স্যে অর্থানিয়োগে গিধোড়রাজগণ আপনাদের সেই পূৰ্ব্বগৌরব ও ঔদাৰ্য্যপ্ৰকাশ করিতেছেন। ইতাদের প্রতিষ্ঠিত অতিথিশালা, ধৰ্ম্মশালা, দাতব্য চিকিৎসালয় প্রভৃতি জনহিতকর প্রতিষ্ঠানে ইহাদের পরুষপুরুষানুক্ৰমে আগত গৌরব ও মহন্তু আত্মপ্ৰকাশ করিতেছে । এই বংশের রাজগণ পুরুষ পুরুষানুক্ৰমে ইংরেজিরাজগণের একান্ত অনুরক্ত ভক্ত । মহারাজ বাহাদুরের বয়স এখন সতান্ন বৎসর হইয়াছে । তিনি নানাবিধ লোক হিতকর ও শ্রমসাধ্যা কাৰ্যো আত্মনিয়োগ করিয়া আসিতেছেন । প্ৰায় একপাদ শতাব্দ পূৰ্ব্ব হইতে তিনি বাঙ্গালাপ্রদেশে যাহা করিয়া আসিয়াছিলেন, এ স্থলে তাহার উল্লেখ নিম্প্রয়োজন। তঁহার পিতামত মহারাজ। সারা জয়মঙ্গল সিংহ বাহাদুর কে. সি. এস. আই. বাহাদুরের উপদেশ ও শিক্ষার প্রভাবে তিনি এক জন অত্যন্ত উন্নতিশীল ও উচ্চBO BDD DBDBSk0 S S DDDDB BBDD DSB BD D ভাবের বীজ বপন করিয়াছেন, এই ভাবের ও শিক্ষার বীজ তাঙ্গার মানসক্ষেত্রে অস্কৃরিত, পল্পবিত ও পুষ্পিত হইয়া এখন নানাবিধ সুফল প্ৰসব করিতে আরম্ভ করিয়াছে । তিনি কাৰ্য্যক্ষেত্রে সেই উপদেশেরই অনুবাওঁনা করিয়া থাকেন । বৃটিশরাজের সহিত যাতাতে জনসাধারণের সৌহৃদ্য ও ঘনিষ্ঠতা বদ্ধিত হয়, তিনি সে বিষয়ে বিশেষভাবে চেষ্টা ও যত্ন করিয়া থাকেন । প্ৰজাদিগকে তিনি সন্তানের ন্যায় যত্ন ও প্ৰতিপালন করেন । তিনি শিকারে সিদ্ধহস্ত, রাজ্যশাসনে সুদক্ষ, সেবক ও পোথ্যাবর্গের প্রতি সহানুভূতিতে