প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৪৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ֆ88 Asahaahes adh حصصص - حصصحدة سد অনাথবন্ধু। [ প্ৰথম বর্ষ, পৌষ, ১৩২৩ । adma অনন্যসাধারণ এবং সর্বোপরি এক জন কৰ্ত্তব্যনিষ্ঠ ধৰ্ম্মপরায়ণ হিন্দু। প্রাচীনকালের ধৰ্ম্মভাব তাহার প্রতি কাৰ্য্যে প্রতিফলিত । শাস্ত্রের অনুশাসন অনুসারে তিনি সকল কাৰ্য্যই করিয়া থাকেন । বৈষয়িক ও ধৰ্ম্মকাৰ্য্যের বাহুলোর মধ্যে থাকিয়াও তিনি ডিষ্ট্ৰক্ট ও লোক্যাল বোর্ডের কাৰ্য্যে আত্মনিয়োগ করিয়াছেন এবং অবৈতনিক ম্যাজিষ্ট্রেটের কার্য্য DLL SDBKE LDD BBBttLLYS S MY SDBDD DDS রাজের পক্ষে এত কাজ করিয়া উঠাও কঠিন। তিনি ল্যাণ্ডহোল্ডার্সয়্যাসোসিয়েসনের স্থায়ী ভাইস প্রেসিডেণ্ট । গত ৰৎসর তিনি বেহারের নূতন ব্যবস্থাপক পরিষদে দ্বিতীয়বার সদস্য নিযুক্ত হইয়াছেন । ইহাতে মহারাজ বাহাদুর কিরূপ জনসাধারণের ভক্তি প্রীতি আকর্ষণ করিতে সমর্থ হহঁয়াছেন, তাহার জাজ্জল্যমান প্ৰমাণ পাওয়া যায় এবং নবগঠিত বেহার ও উড়িষ্যাপ্রদেশে লোকমত গঠনে ও শান্তিসংস্থাপনে তঁাহার প্রভাব কত অধিক, সরকার ও TöSfs *sfgb* PsSIC22 | গিধোড়ের মহারাজ বাহাদুরের সৌজন্য, অমায়িকতা, লোকের সহিত মিশিবার ক্ষমতা বাঙ্গালার সর্বজনবিদিত । BDDBB BBBDBBB DDD DDD DDDS MBDDBD यूडि, बांक्रांलांद्र नश्डि ऊँोंश्ाद्ध श्रृंदनश्क qथन ७ अभू8 রাখিয়াছে। এই ঘনিষ্ঠতাসম্বন্ধ সুপ্ৰতিষ্ঠিত: করিবার উদ্দেশেই তিনি রাজকুমার সমভিবাহারে শারীরিক অসুস্থতা ও রাজকাৰ্য্যের হানি সত্ত্বে ও গত বড়দিনের সময় বড়লাট বাহাদুরের কলিকাতায় অবস্থান উপলক্ষে কলিকাতায় থাকেন। এবং যদিও এক্ষণে বেহার ও উড়িষ্যা স্বতন্ত্র প্রদেশ বলিয়া পরিচিত হইয়াছে, তাহার নিকট বাঙ্গালা ও বিহারের প্ৰাচীন আত্মীয় সম্পর্ক এখনও শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সুপ্ৰকট । মহারাজ বাহাদুরের পারিবারিক জীবন মধুময় ও শান্তিsBS S SDDD DDDD DBDBB DD DBuY BDD DDD উচিত। সন্তানের প্রতি স্নেহে, সহধৰ্ম্মিণীর প্রতি প্ৰেমে, অনুজীবী ও পোস্যবর্গের সহিত সদয় ব্যবহারে বর্তমান মতা রাজের সমকক্ষ অত্যন্ত বিরল। তঁহার ভাগবস্তুক্তি, ঔদাৰ্য্য, KBD BEDS DBBB KKDDBD BDBD BDBD DDS প্রদেশে জনসাধারণের নিকট সুপরিচিত। লোক ঐ সকল বিষয়ের উল্লেখ করিবার সময় তাহাকেই দৃষ্টান্তস্বরূপ উল্লেখ করে। র্তাহার আত্মীয়কুটুম্বগণ পোষ্যবৰ্গ এবং প্ৰজাবৃন্দ ইচ্ছা করিয়া তাহাকে যেভাবে সসম্মানে আন্তরিক শ্রদ্ধাভক্তি স্তুতি নুতি করে, তাহা দেখিলে প্ৰাচীনকালের সে জায়গীরদারদিগের আমলের গৌরব কথা মনে পড়ে। ১৯১৫ খৃষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারী মাসে বেহারের ভূতপূৰ্ব্ব ছোটলাট বাহাদুর যখন গিধোড় আসিয়াছিলেন, তখন তিনি গিধোড়রাজ্যের প্রজাবর্গের এই রাজভক্তিসন্দর্শনে পরম পরিতুষ্ট হইয়াছিলেন। ১৮৯০ খৃষ্টাব্দে মহারাজ বাহাদুরের একটি পুত্রসন্তান জন্মে। তিনিই গিধোড়ের যুবরাজ। যুবরাজ বাহাদুরের ব্যবহার ও বুদ্ধিমত্তা প্ৰজাসাধারণের নিকট আশাপ্ৰদ। ১৯১৬ খৃষ্টাব্দে তিনি যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত হইয়াছেন এবং তঁাহার পিতার হইয়া রাজ্যের অনেক দায়িত্বপূর্ণ কাৰ্য্য নির্বাহ করিতেছেন । শাসনকাৰ্য্যে মহারাজ বাহাদুরের অভিজ্ঞতা পরিপকতা লাভ করিয়াছে । সেই মহারাজ বাহাদুরের শ্যেনদৃষ্টির অধীনে থাকিয়া মহারাজকুমার শ্ৰীযুত চন্দ্রমৌলেশ্বরপ্রসাদ সিংহ বাহাদুর জটিল রাজাশাসনকাৰ্য্যে বুৎপত্তিলাভ করিতেছেন । তিনি লোক্যাল বোর্ড এবং ডিষ্ট্ৰীক্ট বোর্ডে কাজ করিয়া সরকারের কাৰ্য্য করিতেছেন এবং অবৈতনিক ম্যাজিষ্ট্রেটের কাৰ্য্য করিয়া বিশেষ সুখ্যাতিলাভ করিয়াছেন । তিনি পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করিয়া কঠোর রাজকাৰ্য্যের বিরল প্ৰাপ্ত অবসরে ঐ সকল অবৈতনিক কাৰ্য্যগ্ৰহণ করিয়াছেন। মহারাজকুমার বাহাদুর এক জন মার্জিতবুদ্ধি ও যোগ্য যুবরাজ। সকলেই মহারাজকুমার বাহাদুরের কাৰ্য্যদক্ষতায় গৌরব অনুভব করে । ভগবান মহারাজা বাহাদুর ও যুবরাজকে দীর্ঘজীবী করুন ও রাজসংসারের গৌরব ও কুশল অক্ষুন্ন রাখুন, ইহাই আমাদের আন্তরিক কামনা ।