প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৫০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


vòt NV अनांथबकू । থাকেন। তঁহারা বলেন, এ সব কাযে ভারতীয় শিল্পের পুরাতন আদর্শ বিকৃত হয়। কিন্তু তাহারা বুঝেন না, পানের ব্যবহার না থাকিলে শিল্পী আর পানের বাটা প্ৰস্তুত করিতে পারে না । কোন শিল্পীই তাহার রচিত দ্রব্যের সৌন্দৰ্য্যে মুগ্ধ হইয়া বসিয়া থাকিতে পারে না ; তাহাকে পরের নিকট আদৃত হইবে এমন পণ্য প্ৰস্তুত করিতে হয়কেননা সেই পণ্য বিক্রয় করিয়াই তাহাকে অন্নার্জন করিতে হইবে। সেই জন্য যুগে যুগে-কালের সঙ্গে সঙ্গে পণ্যের আদর্শও পরিবৰ্ত্তিত হয়, সে পরিবর্তন একান্তই স্বাভাবিক । আবার আমাদিগকে নূতন অবস্থার উপযোগী করিয়া পুরাতন শিল্পকে পরিবৰ্ত্তিত করিতে হইবে। নহিলে কিছুতেই প্ৰতিযোগিতা প্ৰহত করিয়া আমাদের উটজ শিল্পসমূহ আত্মরক্ষা করিতে পারিবে না। পূর্বে এ দেশে-সে কালের চুল্লীতে কাচের জিনিষ প্ৰস্তুত করা হইত। তাহার পর বিদেশ হইতে-বিশেষ অষ্ট্ৰীয়া হইতে নানারূপ কাচের জিনিষের আমদানী আরব্ধ হয় । সে সব জিনিষের মত সুন্দর জিনিষ প্ৰস্তুত করিয়া তেমনই সস্তাদরে বেচিতে হইলে আমাদিগকে নূতন চুল্লী গঠিত করিতে হইবে—নুতন ছাঁচ ব্যবহার করিতে হইবে-নূতন বিজ্ঞানসন্মত উপায় অবলম্বন করিতে হইবে। একটা দৃষ্টান্ত দিলে কথাটা বোধ হয়, আরও ভাল বুঝা যাইবে। এ দেশে সরকার কাচের শিশিতে কুইনাইন বেচিতেন । যুরোপে যুদ্ধ বাধিলে সে শিশির আমদানী বন্ধ হয়। অষ্ট্ৰীয়া হইতে আনিলে শিশির দাম ৯ টাকা ১ আনা হাজার পড়িত। সে শিশির আমদানী বন্ধ হইলে সরকার এ দেশে সেইরূপ শিশি প্ৰস্তুত করাইবার ইচ্ছা করিয়া কাচের কারখানায় দীর জানিতে চাহেন । এ দেশের সর্বনিম্ন দর-৬২ টাকা ৮ আনা । সরকার বাধ্য হইয়া কিছুদিন বিলাত হইতে ২২ টাকা। ৬ আনা দর দিয়া শিশি আনাইয়াছিলেন । এই জন্য কৰ্ণেল বুকানন ও মিষ্টার বিটসন বেল কলিকাতায় হ্যারিসন রোডে কাচের জিনিষের কারখানাগুলিতে ঘুরিয়াছিলেন। সরকারকে যে বাধ্য হইয়া টিনের নল ব্যবহার করিতে হইতেছে, তাহাতেই বুঝা যায়, সে সব কারখানা হইতে আদর্শানুরূপ শিশি সরবরাহ করা সম্ভব হয় নাই। অথচ যদি এই সব কারখানায় নূতন চুলী রচিত হয় ও নূতন উন্নত যন্ত্রাদি ব্যবহৃত হয়, তবে পণ্যের উৎকর্ষ সাধিত হইতে পারে। যুক্ত প্রদেশের সরকার পরীক্ষা করিয়া ইহা বুঝিয়াছেন। এইরূপ পরীক্ষা করিলে যে এ দেশের অনেক উটজ শিল্পে যে বিশেষ উন্নতি সংসাধিত হইতে পারে, তাহাতে আর সন্দেহ নাই। , কিন্তু সেই কাৰ্য্যের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতার ও বিশেষ : : বিবেচনার প্রয়োজন। লেডী কাৰ্ম্মাইকেলের যত্নে যে সমিতি প্ৰতিষ্ঠিত হইয়াছে, সে সমিতির দ্বারা সেই কাৰ্যোর আরম্ভ হইতে পারে। এই সমিতি যদি দেশের শিক্ষিত ব্যক্তিদিগের সাহায্যে দেশের সকল শিল্পকেন্দ্ৰে শাখা সংস্থাপিত [ প্ৰথম বর্ষ, পৌষ, ১৩২৩৷৷ traper করিয়া স্থানীয় পণ্যের সকল সংবাদ সংগ্ৰহ করিয়া শিল্পগুলির অবস্থানুসারে উন্নতিপ্ৰবৰ্ত্তনের বাবস্থা করেন, তবে অল্পকালমধ্যেই শিল্পীরা সে সকল উন্নতি প্ৰবৰ্ত্তিত করিতে পারে। এ দেশের শিল্পীরা উন্নত বাবস্থা অবলম্বন করিতে अनशड नाश्-ठकुछेकि ऊँहडश् डाश्iद्ध दिएशश 2ीभांव श्रां०ब्रा DDDSS SDDD BDBBB BBBD DBD BBD0 DSS DBD সর্বোপরি দারিদ্র্যহেতু সে নুতন যন্ত্রাদি বা যন্ত্রাদির উপকরণ ক্রয় করিতে পারে না । সমবায়াসমিতির প্রতিষ্ঠাদ্বারা বা অর্থসাহায্য দান করিয়া শাখাসমিতিগুলি তাহাদের সেই অভাব ও দূর করিবার সুব্যবস্থা করিতে পারেন। যুক্ত প্রদেশের সরকার উটজ শিল্পের সংবাদ সংগ্ৰহ করিবার ব্যবস্থা করিয়াছেন । গ্রামে গ্রামে শিক্ষিত বাক্তি বা স্ব স্ব গ্রামের পণ্যের সংবাদ দিতেছেন । সেই সব পণ্যের নমুনা যদি একটি প্রদর্শনীতে রক্ষিত হয়, তবে তাহা দেখিয়া কেহ কিনিতে ইচ্ছুক হইলে সরকারী ব্যবসা-বিভাগের কৰ্ম্মচারীরা সেই পণ্যের উৎপত্তিস্থানের সদস্যকে লিখিয়া সেই পণ্য আনাইয়া দিবেন । এইরূপে কোন পণ্য বাজারে চলিত হইলে ক্ৰমে তাতার টান হইবে । তখন ব্যবসায়ীরা প্ৰত্যক্ষভাবে শিল্পীর সঙ্গে ব্যবসায়সম্বন্ধ সংস্থাপিত করিয়া জিনিষ কিনিতে আরম্ভ করিবে। এই কাৰ্য্য স্বেচ্ছায় বিনা পারিশ্রমিকে কাৰ্য্য করিতে ইচ্ছক শিক্ষিত ব্যক্তিদিগের সাহায্য ব্যতীত হইতে পারে না । এই বঙ্গদেশে আজও নানা স্থানে নানা শিল্প বৰ্ত্তমান। কিছুদিন পূর্বে বাঙ্গালা সরকার এ দেশের শিল্পসম্বন্ধে অনুসন্ধান করাইয়া যে বিবরণ প্ৰকাশিত করিয়াছিলেন, তাহাতেই নানা স্থানের নানা পণ্যের পরিচয় পাওয়া যায়। মিষ্টার কামিং বলেন, মুর্শিদাবাদ জঙ্গীপুরে ও খুলন। সাতক্ষীরায় উৎকৃষ্ট জাতি প্ৰস্তুত হয় ; যশোহরের স্থানে স্থানে ও সেইরূপ জাতি ও বঁটা প্ৰস্তুত হইয়া থাকে। আমরা অবগত আছি, মুর্শিদাবাদের জঙ্গীপুরে অতি উৎকৃষ্ট কম্বল প্ৰস্তুত হয়। সেই সব পণ্য যদি খরিদদার মহলে পরিচিত করিবার ব্যবস্থা হয় এবং খরিদদাররা যদি সে সব সহজে পাইতে পারে, তবে নানা শিল্পের উন্নতি হয় এবং ব্যবসাও চলে। লর্ড কাম্মাইকেল যে মুর্শিদাবাদী রেশমের রুমাল ব্যবহার করেন, তাহার কথা এখন অনেকেই অবগত হইয়াছেন। তাহারই ফলে সেই মৃতপ্ৰায় শিল্পের পুনরুদ্ধার সাধিত হইয়াছে। উটজ শিল্পের একটি অসুবিধা এই যে, এক সঙ্গে অনেক জিনিষ না পাওয়ায় ব্যবসায়ীদিগের পক্ষে সে সব জিনিষ লইয়া ব্যবসা করিবার সুবিধা হয় না। কিন্তু সে অসুবিধা 3 প্ৰতীকারসাপেক্ষ । অসাধারণ প্ৰতিভাশালী ব্যক্তির আবির্ভাব সর্বত্রই সাধারণ নিয়মের বাতিক্ৰম । নহিলে সাধারণতঃ দেখা যায়, যে স্থানেই কোন শিল্প বিকশিত হইয়াছে, সেই স্থানেই একাধিক পরিবারের সেই শিল্পীই অবলম্বন । সুতরাং শিল্পিীসক্তযদ্বারা পণ্য উৎপন্ন করা যায়।