প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৫৮২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কাণীর বিশ্বেশ্বরের মন্দির । প্রাচীনকালে হুয়েন্থসাং প্রমুখ চৈনিক পরিব্রাজকগণ বারাণসীধামে যে বিশ্বেশ্বরের মন্দির দর্শন করিয়াছিলেন, তাহা বৰ্ত্তমান বিশ্বেশ্বরের মন্দির হইতে কিঞ্চিৎ দূরে অবস্থিত ছিল । এখন যে স্থানে আদি বিশ্বেশ্বরের মন্দির অবস্থিত, তাহার নিকটেই সেই মন্দির ছিল । তথায় যে বিশ্বনাথের BBD BBSDD BB K DD0 DDDDDDSS BBDB BBDDB করিয়া মহম্মদ ঘোরীর সেনাপতি সালার মাশুদ গাজী যখন বারাণসীধাম লুণ্ঠন করেন, তখন তিনি বিশ্বেশ্ব রজীর সেই লোক প্ৰসিদ্ধ ঐতিহাসিক মন্দির বিপবাস্ত করিয়| ফেলিয়াছিলেন। মন্দির বিধ্বস্ত হইলে পর হিন্দুরাজগণ ঐ স্থানে পুনরায় বিশ্বেশ্বর-মন্দির নিৰ্ম্মিত করিতে চাহিয়াছিলেন, কিন্তু দিল্লীর মুসলমান বাদশাহগণ র্তাহাদিগকে উক্ত মন্দির পুনর্গঠিত করিবার অনুমতি প্ৰদান করেন নাই । খৃষ্টাব্দে এই মন্দির মাশুদ গাজী কর্তৃক বিধ্বস্ত হইয়াছিল। অবশেষে যখন খৃষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে মুসলমান সম্রাট্রদিগের মূৰ্ত্তিমান গৌরব আকবর বাদশাহ দিল্লীর সিংহাসনে আরূঢ় হইয়াছিলেন, তখন জয়পুরের রাজা মানসিংহ সেই প্ৰাচীন মন্দিরের প্রায় দেড় শত ফিট দক্ষিণে এক অতি সুন্দর মন্দির নিৰ্ম্মিত করিয়া দিয়াছিলেন। সপ্তদশ শতাব্দীতে সঙ্গীণ চেতা, ঔরঙ্গজেব সেই সুন্দর মন্দির বিধবন্ত করিয়া তাহার স্থানে এক প্ৰকাণ্ড মসজিদ নিৰ্ম্মি ৩ করিয়া দিয়াছেন । ঐ মন্দির বিধবাস্ত হইলে পর অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ইন্দোরের প্রাতঃস্মরণীয়া কীৰ্ত্তিমতী মহারাণী অহল্যাবাঈ Ο Οδ S বিশ্বেশ্বরের বাৰ্ত্তমান মন্দির নিৰ্ম্মিত করিয়া দিয়াছেন। এই মন্দির উচ্চে ৫১ ফিট হইবে । অনন্তর শিখরাজ পাঞ্জাবকেশরী রণজিৎ সিংহ উহার গুম্বজ ও চুড়া সুবর্ণদ্বারা মণ্ডিত করিয়া দিয়াছেন । সেই জন্য য়ুরোপীয়রা ইহাকে ({ olden Templ( বা হৈ’ম-মন্দির বলিয়া থাকেন। ‘অনাথবন্ধু’র প্রচ্ছদপুষ্টায় এবার যে চিত্রটি দেওয়া হইয়াছে, উহাই সেই “গুম্বজ ও চুড়ার মনোহারিণী প্ৰতিকৃতি । SDBSStkDL BBD BBBDLDDS DK uDBD DDDSSDDD নেপালরাজ প্রদত্ত একটি সুন্দর কারুকাৰ্যখচিত ঘণ্টা আছে । মন্দিরস্থ অন্যান্য সমস্ত ঘণ্টা অপেক্ষ। এই ঘণ্টাটি बूथ् ४द । বিশ্বেশ্বরের বাৰ্ত্তমান মন্দিরটি পূৰ্ব্ব মন্দির অপেক্ষা অনেক ক্ষু দ। ঔরঙ্গজেব যে মন্দির বিনষ্ট করিয়া দিয়াছেন, DBDBmtBS BDDBD SBSBD BDBK DDDBSS S DB DDS DBB বিশ্বনাথ স্বপ্নে ভক্তবৃন্দকে জানাইয়া দিয়াছিলেন যে, তিনি ঐ স্থানে আবির্ভূত হইবেন । সেই জন্য ঐ স্বল্প পরিসর স্থানে তঁহার মন্দির রচিত হইয়াছে। মন্দিরের তুলনায় নাটমন্দির আরও ক্ষু দ। স্থানাভাবই ক্ষুদ্রত্বের কারণ। ঔরঙ্গজেবের মসজিদের পশ্চাদ্ভাগে মানসিংহ রচিত বিশ্বেশ্বরের মন্দিরের ভগ্নাবশেষ বৰ্ত্তমান আছে । উহা এখন তথায় হিন্দু শিল্পের গৌরবকেতন ও ঔরঙ্গজেবের ধৰ্ম্মান্ধতার কীৰ্ত্তিকে তিন উ৬ভীন করিতেছে । উহা যে বিনষ্ট হইয়াছে, সে দোষ কালের নয়, সে দোষ কপালের ।