প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৫৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সনাতন হিন্দুধৰ্ম্ম । yo 卤十页s11 ব্ৰাহ্মণ কে ?-পাচ হাজার বৎসর পূর্বে সর্পরূপী নহুষ রাজা যুধিষ্ঠিরকে এই প্রশ্ন করিয়াছিলেন । বলা বাহুল্য, যে সময় নহুষ এই প্রশ্ন করিয়াছিলেন, সেই সময় ভারতে বৰ্ণাশ্ৰমধৰ্ম্ম প্ৰচলিত ছিল ; তখন দেশে মুনি ঋষিরা ছিলেন, রাজা সুধিষ্ঠির স্বয়ং বর্ণাশ্ৰমধৰ্ম্মের পালক ছিলেন, ব্ৰাহ্মণ্যধৰ্ম্মের গোপ্ত ছিলেন, এরূপ ক্ষেত্রে তাহাকে নহুষ হঠাৎ “ব্ৰিাহ্মণ কে” এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিলেন কেন ? বিশেষতঃ, সেই প্রশ্নের উত্তরের উপর ভীমসেনের জীবন-মরণ নির্ভর করিতেছিল । এরূপ ক্ষেত্রে প্রশ্নটি যে বিশেষ কঠিন এবং সাধারণে তাহার উত্তর দিতে অসমর্থ, ইহা বেশ বুঝা যাইতেছে। নাহুষের প্রশ্নটি এই,- "ব্ৰাহ্মণঃ কে ভবেদ রাজন? বোদ্যং কিঞ্চি যুধিষ্ঠির ?” অর্থাৎ হে রাজন, ব্ৰাহ্মণ কে ? আর বোদ্যই বা কি ? এই প্রশ্নের ভিতর একটু মারপ্যাচ আছে। ইহার ঠিক অর্থ এই,- পৈতা গলায় ব্ৰাহ্মণ ত অনেক দেখা যায়, কিন্তু তাহাদের মধ্যে সীতা সতাই ব্ৰাহ্মণ কে ? আর বোদ্য অর্থাৎ জানিবার বিষয় তা অনেকই আছে, কিন্তু সত্য সতাই জানিবার বিষয় কি অর্থাৎ যাহা জানিলে আর কিছু জানিবার প্রয়োজন হয় না, সেই জ্ঞাতব্য বিষয়টি কি ? এই দুইটি প্রশ্ন ঠিক একই ভঙ্গীতে রচিত- একই সুরে গাথা । নাহুষও জানিতেন যে, ব্যাকরণ, জ্যোতিষ, আয়ুৰ্বেদ, ধনুৰ্বেদ প্রভৃতির আলোচিত বিষয়গুলিও বোদ্য । বিদ্যামাত্ৰই বোদ্য । কিন্তু সে উত্তর দিলে ভীমসেন নহুষের হস্ত হইতে নিস্তার পাইতেন না, হয়তঃ যুধিষ্ঠিরকেও সেই সঙ্গে ভবের খেলা শেষ করিতে হইত। তাই প্রশ্নের মৰ্ম্মজ্ঞ যুধিষ্ঠির উত্তর করিয়াছিলেন, “বেদ্যুৎ সর্প পরংব্ৰহ্ম নিদুঃখং সুখঞ্চ যৎ ।” হে সৰ্প ! সুখ দুঃখের অতীত, নির্বিকার যে পরব্রহ্ম, তিনিই বোদ্য। প্রশ্নের প্রথম অংশও, ঐ রূপ জটিলভাবে রচিত । উহার মৰ্ম্মার্থ কি হইলে ঠিক ব্ৰাহ্মণ হওয়া যায় ? প্রশ্নের জিজ্ঞাসা-ভঙ্গীই হেঁয়ালী। তাই যুধিষ্ঠির উত্তর করিয়াছিলেন,- সত্যং দানং ক্ষমা শীলং আনৃশংস্তং তপোষ্মণ । দৃশ্যান্তে যত্ৰ নাগেন্দ্ৰ ! স ব্ৰাহ্মণ ইতি স্বতঃ। যে লোকের সত্য, দান, ক্ষমা, চরিত্র-বল, অক্রুরতা, তপস্তা ও দয়া আছে, সেই লোকই প্ৰকৃত ব্ৰাহ্মণ । क्द्धि Gश्रेदू बनिब्राई शूशिछिद्र काल श्न नाश्। कथाটাতে অধিক জোর দিবার জন্যই তিনি আরও বলিয়াছেন,- լծ օՀ] শূদে তু যদি ভবেল্লক্ষ্ম দ্বিজে তাঁচ ন বিদ্যুতে। न देव श्रृंgलाडtवष्कू८था बांकcll न 5 लाकः ॥ যত্ৰৈ তল্লক্ষ্যতে সাপ বৃত্তং সঃ ব্রাহ্মণ: স্মৃতিঃ । যত্রৈ তন্ন ভবেৎ সর্প তং শূদ্ৰমিতি নির্দেশ্যেৎ । শূদ্রে যদি এই লক্ষণগুলি থাকে, আর ব্ৰাহ্মণে যদি ঐ লক্ষণগুলি না থাকে, তাহা হইলে সেই শূদ্র শূদ্র নহে ( সেই শূদ্ৰ প্ৰকৃতপক্ষে ব্ৰাহ্মণ) এবং সেই ব্ৰাহ্মণ ব্ৰাহ্মণই নহে (অর্থাৎ সেই ব্ৰাহ্মণ শূদ্র ) । হে সৰ্প ! যাহাতে এই বৃত্ত७ब्रि व्लक्रिड्, डिनिझे बांक ७aद९ षांशtङ छेशद्ध स्रङांत्र লক্ষিত হয়, তঁহাকে শূদ্র বলিয়া নির্দেশ করিবে । ইহাতে বুঝা গেল, ধৰ্ম্মরাজ যুধিষ্ঠির ব্ৰাহ্মণ্যকে প্ৰধানতঃ গুণগত বলিয়াই নির্দিষ্ট করিয়াছেন। আজকাল কেহ কেহ এই কয়টি বচন উদ্ধৃত করিয়া ব্ৰাহ্মণ্য বংশগত নহে, উহা সম্পূৰ্ণ গুণগত, ইহা প্ৰতিপন্ন করিতে চেষ্টা পাইয়া থাকেন। কেহ কেহ এই শ্লোকের দ্বারা সংপ্ৰমাণ করিতে চেষ্টা পাইয়া থাকেন যে, আদৌ হিন্দুসমাজে জাতিভেদ ছিল না ! কিন্তু সে প্ৰচেষ্টা সত্যের অপকুব মাত্র, সত্যসন্ধান নহে । কারণ সর্পরূপী নহুষ যুধিষ্ঠিরকে জেরা করিতে কসুর করেন নাই । তিনি প্রশ্ন করিলেন,- যদি তে বৃত্ততে রাজন বাহ্মণঃ প্ৰসমীক্ষতঃ । বৃথা জাতিস্তদায়ুষ্মন! কৃতির্যাবল্প বিদ্যতে ৷ হে রাজা যুধিষ্ঠির ! চরিত্রবিচার করিয়া ব্ৰাহ্মণ্যনিৰ্ণয় করিতে হইবে, ইহাই যদি তোমার মত হয়, হে আয়ুষ্মন! তাহা হইলে যে পৰ্য্যন্ত মানুষের পরিচয়যোগ্য কাৰ্য্য না থাকে, সে পৰ্যন্ত তাহার জাতি ব্যৰ্থ ? যুধিষ্ঠির তাহার উত্তরে বলিয়াছিলেন, সর্ববর্ণেই বর্ণসঙ্কর হইয়া থাকে ; সেই জন্য বৰ্ণভেদ অনুসারে ব্ৰাহ্মণ্যনিৰ্ণয় অসম্ভব । কে বৰ্ণসঙ্কর, তাহা বলা কঠিন । আকৃতি দেখিয়া যখন বৰ্ণসঙ্করত্ব নিশ্চয় করা অসম্ভব, তখন প্ৰকৃতি দেখিয়াই তাহা নিশ্চয় করিতে হইবে। সেই জন্য যুধিষ্ঠির বলিয়াছেন,- কৃতকৃত্যাঃ পুনৰ্ব্বণাঃ যদি বৃত্তং ন বিদ্যুতে। সঙ্করস্তাত্র নাগেন্দ্ৰ ! বলবান প্ৰসমীক্ষতে ॥ ব্ৰাহ্মণাদি বর্ণে জাত শিশু যদি স্ববণোচিত সংস্কারে সংস্কৃত হইলে তাহার বৃত্ত * অর্থাৎ সত্যনিষ্ঠাদি চারিত্রিক গুণ

  • ौिकाकाब नीलक% 'वूड' भोजन वाश। अछक कब्रिनitछन। তিনি বৃত্ত অর্থে এই স্থানে বৈদিক সংস্কার বলিয়াছেন। তাহার মতে