প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৬০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ལན་ལ་ཤུ---་མཚེམ་ཤརྔལn ། ] ৪২৩ ইতিহাস । DDS BD D DDB TDDB BBBD BDBDB BB DD সেবায় উৎসৃষ্টি । এই দুই রাজবংশের অধিকারবলে তঁাহারা নিজেদের পূজার সময় ঘণ্টা, চামর, পদ্মাসন সমস্তই ব্যবহার করিতে পারেন । মন্দির-সংস্কার বা দেবতার অন্যান্য সমস্ত প্রয়োজন মিটােন তঁাহাঁদেরই কাৰ্য্য। এই অধিকার কিন্তু এমনভাবে রক্ষা করা হইয়াছে যে, মন্দির জনসাধারণের হইয়া দাড়াইয়াছে এবং ইহার প্রধান পরিচালক পুরোহিতই হইয়াছেন । এরূপ অবস্থায় পুরোহিতরা বুঝিলেন যে, তাহারা দেবতার প্ৰতিভূ এবং মন্দির-সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ই র্তাহাদের স্বকীয়। বৰ্ত্তমান পরোহিতের পূর্বগামী শৈলজানন্দ ওঝা এই বিশ্বাসের বশবৰ্ত্তী হইয়া, নিজের ইচ্ছানুসারে সম্পত্তির ধ্বংস করিতেছিলেন । * তাই অপরাপর পাণ্ডারা একত্র হইয়া গিধোড়রাজের নিকট আবেদন করিলেন যে, শৈলজানন্দের পৌরোহিত্য কাড়িয়া লওয়া হউক । ন্যায় ও ধৰ্ম্মের পক্ষাবলম্বী মহারাজ নিজের অর্থব্যয় করিয়া, এই শৈলজানন্দকে তাচার পুরোহিত্যপদ হইতে বিচুত করিলেন। aha ansparrogar - al ܫܣܦܩܝܣܩܡܣ ഷ -—. শৈলজানন্দের পর হইতেই মন্দিরের কাৰ্য্য নির্বাহ করিবার জন্য একটি সমিতি প্ৰতিষ্ঠিত হইল এবং সেই সমিতির কাৰ্য্যাবলী নির্দিষ্ট হইল। এই সমিতির প্রধান সভ্য হইয়াছেন, গিধোড় কিম্বা খয়রার কোন বংশধর । কেন না মন্দির প্রতিষ্ঠাতা রাজা পুরাণমল ইহাদের পূর্বत्रूक्ष । त्रिभद्रांनन्त ७३ ५श्न ७थक्षांन शूद्भांश्डि । দুঃখের বিষয়, তিনিও তাহার পবিত্র কাৰ্যোর উপ - যুক্ত নহেন । দেবতার সেবার জন্য যে প্ৰকার ভক্তির আবশ্যক, যেরূপ প্ৰাণের আকুলতার ও হৃদয়ের উচ্চতার প্রয়োজন, তিনি সে প্রকারে কিছুরই অধিকারী न्मtङ्क्र | বিষয়-সম্ভোগে দেবাৰ্চনা হয় না। যে সরলতা ও বিলাসशैनडा विधान ७ डडिल टाव, डाश्। ऊँक्षांब्र नाशे । ऊांछे সমিতি ও গবৰ্ণমেণ্টকর্তৃক স্থায়ীকৃত তাহার অধিকারDgg DDBS S KB DBDB DB DBBD SS BBDDD অধিকার দেখিতে চাহেন না, তিনি যাদ্ধা করেন-ভক্তের 2 | ইতিহাসসম্বন্ধে মোটামুটি যাহা বলিবার, তাঙ্গা পূর্বেই একপ্ৰকার বলা হইয়াছে। আজকাল পাশ্চাত্যখণ্ডে ইতিহাসের আলোচনা বিশেষভাবে বুদ্ধি পাইয়াছে। পূর্বে জনশ্রুতি ও কিম্বদন্তীর উপর নির্ভর করিয়াই অতীত যুগের ইতিহাস সঙ্কলিত হইত। ঐতিহাসিকরা আপন আপনি BB BDuDDBB BBB BBD DBDYBuuTD D DBDD D DBBSDDD সত্যের পরিমাপ করিয়া লইতেন। এখন ঠিক সে দিন নাই । এখন নিদৰ্শন-দর্শনে সত্যের ও তথ্যের আবিষ্কারের প্রিয়াস চলিতেছে। এখন ইতিহাসের ক্ষেত্রেও “বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান” চলিতেছে । আমার মনে হয়, এই অনুসন্ধানকে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান না বলিয়া “আভিজ্ঞানিক” অনুসন্ধান বলিলেই ঠিক হয়। কারণ উহাতে অভিজ্ঞান বা স্মারকচিহ্ন বা পুরাবস্তুদর্শনেই লুপ্ত ইতিহাসের উদ্ধারসাধন করিতে হয়। সংহারক। কাল অতীতের সমস্ত অভিজ্ঞান ও অবদান নিশ্চিহ্ন করিয়া মুছিয়া দিতে দিতে চলিয়া যাইতেছে। জনশ্রুতিকে ও কিম্বদন্ত্রীকে এমনভাবে বিকৃত কবিয়া LSJJSDSDK uuDDBD B BDD KKB DBD ED DBt তুলিতেছে ; এমন কি, মানবের বৃদ্ধিকেও এমনভাবে বিকৃত করিয়া তুলিতেছে যে, এক যুগে যাহা বাস্তব ছিল, পরবস্ত্ৰীকালে তাহা লোক কাল্পনিক বলিয়া মনে করিতেছে ; কিন্তু আমাদের এই ধরিত্রীদেবী কালের কবল হইতে নিজগর্ভে অতীতের অনেক অভিজ্ঞান—অনেক নিদর্শন লুকাইয়া রাখিয়াছেন ও রাখিতেছেন, যাহা বৰ্ত্তমানকালে অতীতের সেই সত্যকে জনসমাজে প্রচার করিয়া দিতেছে। এডুকে (Dolmen), পাতালগুহ, পিরামিড, গুহাগুম্ফ প্রভৃতি যেমন অতীত যুগের মানবীয় কীৰ্ত্তিমালাকে প্ৰকাশ করিয়া দিতেছে, তেমনই ভূগর্ভে লুক্কায়িত অস্থিপঞ্জির ও প্রস্তরীভূত জীবকঙ্কাল অতীত যুগের জীবগণের পরিচয় দিতেছে। পাশ্চাত্য পণ্ডিতরা সেই সমস্ত নিদর্শন ধরিয়া লুপ্ত ইতিহাসের সন্ধান করিতেছেন। তাহার ফলে যে, পৃবৰ্ব্বতন ঐতিহাসিকদিগের কত সিদ্ধান্ত বিপৰ্য্যন্ত হইয়া গিয়াছে, DBDBDS S DDD S Y D DD BD S KKS BiiDBDBBEB