প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৬৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


zथंथं थ७-नवम नश्थm ।। ] th- ۔۔۔۔۔۔۔ aba a ab alha saMT ব্যবসায়ে নিয়োজিত করিয়াছে, সে ব্যক্তি গ্ৰাম হইতে নানা উপায়ে, প্ৰকৃত ঘুতই সংগ্ৰহ করিবে এবং উৎকৃষ্ট দ্রব্যই সরবরাহ করিবে, যেহেতু তাহার কৰ্ম্মকুশলতা, তাহার কাৰ্যোর সুশৃঙ্খলা এবং তাঙ্গার প্রচুর অর্গব্যয়ই তাহার ব্যবসায়ের মেরুদণ্ড-সে। সত্যের মৰ্য্যাদা না রাখিলে, একেবারে অতলজলে ডুবিবে। ; এবং, সে সত্যের মৰ্য্যাদা রাখিবার জন্যই এত পরিশ্রম পূৰ্ব্ব হইতেই করিতে শিখিয়াছে। কিন্তু যে মূঢ় শ্ৰম করিতে চাহে না, যাহার মূলধন সামান্য, সেই অসত্যের সাহায্যে ধনী হইতে চায়, যেহেতু তাতার দোষ প্ৰকাশ হইয়া পড়িলে, তাহার কোন ও বিশেষ ক্ষতি হইবার সম্ভাবনা । नक्षे । পাশ্চাত্যদেশে ঘুতের ব্যবহার না থাকুক, মাখনের ব্যবহার আছে । এই মাথনের ভেজাল হয় । কিন্তু সুখের বিষয়, উর্বর মস্তিস্ক পাশ্চাত্যবাসীরা অনুৰ্ব্বব্রমস্তিষ্ক মাড়বারি নহেন । তঁাহারা কৃত্ৰিম মাখন বা মাগারিণী তৈয়ারী করিয়া অতি স্বল্পমূল্যে বেচিতে আরম্ভ করিলেন। তঁহাদের মার্গারিণ ব্যবহারের ফলে মাখনের অযথা মূল্যবৃদ্ধি হয় নাই ; কিন্তু আমাদের দেশে এই আন্দোলনের ফলে ঘুতের ভেজাল ত চলিবেই, পরন্থ এই আছিলায় মাড়বারিগণ দৃতের মূল্য অযথা বাড়াইয়া দিয়া নিজেদের দিন ক্রয় করিয়া व्श्व । এখন উপায় কি ? উপায় অনেক গুলি ! প্রথম উপায়— BLGDB BDDBBD DDBDSS SaBB BDBDD DDBDD SBSSG কেহ ও ভেজালমিশ্রিত জিনিষ বিক্রয় করিলে, তাহার উপরে স্পষ্টাক্ষরে ভেজালের নাম ও পরিমাণ লিখিতে বাধা থাকিবে । এবং যে না বলিয়া, বা গোপনে, ভেজালমিশ্ৰিত খাদ্যদ্রব্য বিক্রয় করিবে, সেই ব্যক্তির অনূ্যন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড হইবে ; জরিমানা বাজামিন আদৌ গৃহীত হইবে DS DDD DBDBBD DBBBDBBS DBBDDS KBD DB DBBD DBS তাহার জন্য দু’চার শত টাকা দণ্ড কি করিবে ? দীর্ঘকালের জন্য সশ্রম কারাদণ্ডই একমাত্র শাস্তি বিহিত হইলে সুফল অবশ্যম্ভাবী। জাৰ্ম্মাণী ও আমেরিকায় এই দুইটি বিধানের সাহায্যে ভেজাল বন্ধ হইয়াছে। বিক্রেতাকে হয় খাটি জিনিষ রাখিতে হয়, নতুবা ভেজালমিশ্ৰিত জিনিষ রাখিলে তাহার আধারের উপরে স্পষ্টাক্ষরে কি কি ভেজাল কি পরিমাণে ব্যবহৃত হইয়াছে,তাহা প্ৰকাশ করিয়া রাখিতে হয়। দ্বিতীয় উপায়—য়ুতের পরিবর্তে অপরাপর স্নেহজাতীয় পদার্থের ব্যবহার করা । মাখন, মহুয়ার তৈল, চিনাবাদামের তৈল, তুলার বীজের তৈল, জলপাই তৈল, নারিকেল তৈল, চর্বি-প্ৰভৃতি ঘুতে ভেজাল দেওয়া হয়। একথা অন্ততঃ পািনর কুড়ি বৎসর ধরিয়া আমরা শুনিয়া আসিতেছি- অথচ বেশী মূল্যে ঘুতের নাম করিয়া ঐ সকল পদার্থ। এতকাল সেবন করিয়া আসিতেছি । এখন কেন আমরা স্পষ্টতঃই, জানিয়া শুনিয়া, মহুয়ার তৈল, তিল (SS1) श्रांrg (ख्डी व् । 8 Vect adh adh তৈল, নারিকেল তৈল বা টাটকা চৰ্ব্বি ব্যবহার করি না ? DBDSDD D BDBLBD DBD DDDBB D DBuBBD D BBB ঐ সকল পদার্থ ব্যবহারের ফলে, ঘুতের মালা ও ঘুতের ভেজাল স্বতঃই কিমিয়া যাইবে । যেনি-তেন-প্রকারেণ শরীরের প্রয়োজনমত স্নেহময় পদার্থ গ্ৰহণ করিলেই দেহ অক্ষুন্ন থাকিবে, এই সারা সীতা । তাই যদি সত্য হয়, তবে ঘুতেই যে খাইতে হইবে, এমন কি কথা আছে ? মান্দ্ৰাজীরা টাটুকা নারিকেল তৈল খাইয়া, থাকেন ; কোন কোন দেশবাসীরা তিল তৈলই ধাইয়া থাকেন । তবে আমার! কোন ঘুতে আবদ্ধ থাকিব ? আজিকাল বিজ্ঞানের চচ্চার ফলে যদি কোন ও কৃত্রিম, অথচ উপকারী, স্নেহময় পদার্থ আবিষ্কৃত হয়, তাহা ও কেন না ব্যবহার করিব ? যতদিন গড়ডালিকা বৃত্তি অবলম্বন করিব, ততদিন পররূপাভিক্ষার্থী হইয়া থাকিতেই হইবে ; সামর্থ্য নাই, চেষ্টা নাই, আত্মরক্ষার্গ উদ্ভাবনী শক্তির প্রয়োগ নাই, সুধু সুধু আস্ফালন করিলে চলিবে কেন ? আমাদের দেশে গাভীর অবস্থা ক্রমশঃই শোচনীয় হইয়া পড়িতেছে । তাহার কারণ অনেক গুলি ; প্রথম-দেশের অস্বাস্থ্যকর অবস্থা, দ্বিতীয়-আমাদিগের অমনোযোগিতা, তৃতীয়-গোচারণ-মাঠের অভাব, চতুর্থ-বলিষ্ঠ যণ্ডের অভাব, পঞ্চম-সকল কাৰ্য্যে আমাদিগের গতানুগতিকতা । আমরা সকলেই পল্পীভবন ত্যাগ করিয়া, দু’পাতা ইংরাজী পড়িয়া, চেয়ার টেবিলে বসিয়া কাম করিবার জন্য লালাইত হই। শিক্ষার বেলায় অষ্টরস্তা, খালি দু’চারটি পড়ান বুলি বলিতে শিখি এবং তদ্বিনিময়ে নিজস্ব ( চিন্তাশক্তি) জলাঞ্জলি দিই। এদিকে নিরক্ষার, ক্ষীণকায়, রোগাজীর্ণ কৃষকের ও গোপালের উপরে মাদার দিয়া সংবাদপত্রে বড় বড় প্ৰবন্ধ লিখিয়া কৰ্ত্তব্যের পরাকাষ্ঠা দেখাই । আর তাহা করিলে চলিবে না। পল্পীজীবনকে পুনরায় জাগাইয়া তুলিতে হইবে, পল্লীভবনে হস্রদায়ের গ্ৰন্থিকে জড়াইয়া রাখিতে হইবে, “চাষার” সঙ্গে প্ৰকৃত ভ্ৰাতৃভাব স্থাপিত করিতে হইবে। পাশ্চাত্য শিক্ষার গৃঢ়তথ্য সংগ্ৰহ করিয়া দেশের প্রচলিত রীতির সঙ্গে খাপ খাওয়াইয়া গ্ৰাম্যবাবসায় গুলির উন্নতি করিতে হইবে । প্ৰত্যেক গৃহস্থকে গাভী প্ৰতিপালন করিবার জন্য সাহায্য করিতে হইবে, প্ৰত্যেক গ্রামে সুন্দরভাবে গোচারণের মাঠ রক্ষা করিতে হইবে। গৃহস্থের আবশ্য কাতিরিক্ত দুগ্ধ, দধি হইতে ঘুত করিবার উৎসাহ দিতে হইবে। এবং প্ৰত্যেক গৃহস্থের ঘর চাইতে কিছু কিছু সুত সংগ্ৰহ করিয়া বিক্রয় করিবার ব্যবস্থা করিতে হইবে । অনেক সুবক এই পন্থাবলম্বনে ধনবান হইতে পারেন। গো’র তুল্য মহিষও রাখিতে হইবে। যদি তৃণশষ্পবিরল, বারিহীন উত্তরপশ্চিম প্রদেশের গো-মহিষজাত ঘুতি দুরধিগম্য "দেহাত” হইতে ংগৃহীত হইতে পারে, তবে শস্যশ্যামলা বাঙ্গালার প্ৰত্যেক গ্রামে তাহাকে সুলভ করা কি এতই কঠিন ?