প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৬৮৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


...yr . qቀማ.ቀቃ←ማሞኖ ቸቂn | ] W تخصص তাহারও গতি ভিন্নমুখী হইলে চলিবে না, সাহিত্য যদি এই আনন্দের সন্ধান না দেয়, তবে তাহা মানবজীবনের চরম লক্ষ্য সাধনকাৰ্য্যে কোন প্ৰকারই সাহায্য করিল না বলিতে হইবে। সেরূপ সাহিত্য মানবের সহচর হইবার সম্পূর্ণ অনুপযোগী, সুতরাং সে সাহিত্যের সার্থকতা নাই । শব্দার্থহিসাবে সাহিত্য হইতে আমরা সাহচর্য্যের ভাব পাই বটে, কিন্তু শুধু শব্দের অর্থ ধরিয়া বস্তুর বিচার করিলে চলিবে না, সাহিত্য বলিতে আমরা কি বুঝি, এক্ষণে তাহাই দেখিবার চেষ্টা করিতেছি। প্ৰকৃত শব্দার্থ হইতে অনেকটা সঙ্কুচিতার্থেই আমরা সাহিত্যশব্দের ব্যবহার করি । শব্দার্থহিসাবে বলা যাইতে পারে, যাচাই আনন্দ লাভের পথে মানবকে সাহায্য করে, তাহাই সাহিত্য ; যাহা হইতে মানব আনন্দ পায়, তাহাই সাহিত্য। বিজ্ঞানবিদ বিজ্ঞান হইতেই আনন্দ পায়, সঙ্গীতজ্ঞ সঙ্গীত হইতেই আনন্দ পায়, বণিক বাণিজ্য হইতেই আনন্দ পায়, শিল্পী শিল্প হইতে আনন্দ পায়, অতএব বিজ্ঞান, সঙ্গীতশাস্ত্ৰ, শিল্পকলা, বাণিজ্যনীতি, সমস্তই সাহিত্য। কিন্তু ব্যবহৃত সঙ্কুচিত অর্থে বিজ্ঞানাদি পূর্বোক্ত সমস্ত বিদ্যাই সাহিত্যের বহির্ভূত হইয়া পড়ে। প্ৰকৃত সাহিত্যে আনন্দ ত আছেই, অধিকন্তু রসও আছে । মানবচিন্তার অন্তৰ্গত বিজ্ঞানাদি অন্যান্য বিদ্যায়। শুধু আনন্দ আছে, রস নাই এবং এই রসের অভাবই তাহাদিগকে প্ৰকৃত সাহিত্য হইতে স্বতন্ত্র করিয়া রাখিয়াছে । আনন্দের সহিত রসের একত্ৰ সন্নিবেশন ও সংমিশ্রণই সাহিত্যের বিশেষত্ব । প্ৰকৃত ও সার্থক সাহিত্যপাঠে আমরা আনন্দ উপভোগের সঙ্গে সঙ্গেই রসাস্বাদন করিয়া পরিতৃপ্ত হইয়া থাকি । কিন্তু এই রসের অবতারণায় একটু:গোলযোগ ঘটিবার আশঙ্কা আছে। কেহ হয়ত বলিবেন যে, কেহ কেহ কুৎসিত বিষয় হইতেও যথেষ্ট আনন্দ ও রস পাইয়া থাকেন, তবে অশ্লীল কুৎসিত :বিষয়কে ও সাহিত্যের অঙ্গীভূত করিতে হইবে, নতুবা সাহিত্য অসম্পূর্ণ থাকিয়া যাইবে। এ কথার উত্তরে বলা যাইতে পারে যে, যে আনন্দ ও রস উপভোগ করিয়া সোই পরম আনন্দ ও রসের আভাস পা ওয়া যায়, তাহাই প্ৰকৃত আনন্দ ও প্ৰকৃত রস, এবং তাহারই স্থান সাহিতো আছে। কুৎসিত বিধায়ু হইতে কখনই এই প্রকার BDBYS D DB K0 DBD D EBBDS K0DK KDD0 DDS কারণ তাহা বস্তুগত প্ৰকৃতিবিরুদ্ধ। অতএব সাহিত্যে অশ্লীল, কুৎসিত বিষয়ের স্থান হইতে পারে না। কুৎসিত বিষয় হইতে যাহা পাওয়া যায়, তাহা আনন্দ নহে, আনন্দের আকারে মোহ ; রস নহে, রসের আকারে বিষ । যে ব্যক্তি শানবের সর্বপ্রধান শত্ৰু মায়া দ্বারা মত অধিক মোহিত হয়, সেই ব্যক্তিই কুৎসিত বিষয় উপভোগ করিয়া তত অধিক তথাকথিত আনন্দ ও রস পাইয়া থাকে । আনন্দুের ও ! *ोंश्ड्ङ्गिाद्ध जार्थकऊ। দিয়া মানবের যে চিন্তার ধারা প্রবাহিত হইয়া থাকে, । 8b"○ রসের স্বরূপ কি, তাহা বিচার করিয়া দেখিতে হইলে অগ্ৰে উপযুক্ত শিক্ষা লাভ করিয়া, সাধনা করিয়া, অধিকারী হইতে হইবে, নচেৎ অশ্লীল বস্তু হইতে উপজাত পঙ্কিল LDBDBDBD DDDDD DBBSBBB BDD DBD DBBBDD হইবে। সুতরাং যাহা প্রকৃত আনন্দ্র, যাহা বিশুদ্ধ রস, যে আনন্দে মোহ নাই, যে রস সত্ত্ব গুণকে আবরণ করে না, যাহা কুপ্রবৃত্তি হইতে জাত নহে, যাহা কুপ্ৰবৃত্তির উত্তেজক নহে, যে আনন্দে ও যে রসে সেই পরম আনন্দময়ের-সেই পরম রসময়ের আভাস পাওয়া যায়, সেই আনন্দ – সেই রসই সাহিত্যে স্থান পাইবে এবং সেই আনন্দ ও রসের অস্তিত্ব, গভীরতা ও পরিব্যাপ্তি অনুসারেই সাহিত্যের সার্থকতার বিচার হইবে । শিল্প, বিজ্ঞান প্ৰভৃতি বিবিধ বিদ্যা হইতে সাহিতাকে যেরূপ স্বতন্ত্র করা যায়, সেইরূপ ধৰ্ম্মগ্ৰস্থ হইতে ও সাহিত্য গ্ৰন্থকে স্বতন্ত্র করা যায়। ধৰ্ম্মগ্রন্থে যে আনন্দ ও রস আছে, তাহা অত্যন্ত গাঢ় ও গুঢ় অবস্থায় আছে, সে আনন্দের সন্ধান পাওয়া এবং সে রস সুচারুরূপে উপভোগ ও পরিপাক করা অসাধারণ সৌভাগ্যশালী ও শক্তিশালী ব্যক্তির পক্ষেই সুসাধা, অপরের পক্ষে নহে। উপনিষদের একটিমাত্র সূত্রের মধ্যে বা ভাগবতের একটিমাত্ৰ শ্লোকের মধ্যে ঈশ্বরপরায়ণ ব্যক্তি হয়ত একত্র এত আনন্দের-এত রসের সন্নিবেশ দেখিতে পান যে, সেই সূত্র বা সেই শ্লোক আস্বাদন করিয়াই তিনি সারাজীবন বিভোর হইয়া থাকেন। কিন্তু সাধারণ পাঠকের নিকট সেই অপরূপ সুত্ৰ বা শ্লোকটি নিতান্ত সাধারণভাবেই প্ৰতীয়মান হইবে । এইরূপেই সাধারণ পাঠক ধৰ্ম্ম গ্ৰন্থনিহিত আনন্দ ও রসের প্রকৃত আস্বাদন হইতে বঞ্চিত থাকে । সাহিত্যেও উক্ত প্ৰকার আনন্দ ও রস আছে, কিন্তু তাঙ্গা অপেক্ষাকৃত তরল ও লঘু ভাবে থাকিয়া সৰ্ব্বত্র পরিব্যাপ্ত হুইয়া আছে। যাহা ধৰ্ম্মগ্রন্থে অভ্ৰভেদী সুনিৰ্ম্মল তুষারশৈলীরূপে নির্জনে দণ্ডায়মান থাকিয়া ঘোগিগণেরই অধিগম্য ও উপযোগী স্থান ছিল, সাহিতো তাহা করুণাবিগলিত হইয়া অমৃত প্রবাহিণী স্রোতস্বিনীর আকার ধারণা করিয়া—নানাবিধ গ্ৰাম নগর জনপদকে শোভাসম্পদে ভূষিত করিয়া—তাঙ্গাদিগের সমস্ত আবৰ্জনারাশি ধোঁত পরিয়া-তোহাদিগকে নিৰ্ম্মল পবিত্ৰ করিয়া—তাহানের শািন্তক্ষেত্ৰকে উৰ্ব্বর করিয়া—তাঙ্গাদিগের ক্ষুদ্র বৃহৎ সমস্ত কাৰ্শোই সহায়তা করিয়া—তাহাদের সকল সন্তাপ দূর করিয়া—জননীর ন্যায় হাসিমুখে তাছাদের সকল উপদ্রব সহ্য করিয়া- ক’লক’লনাদে সাগরাভিমুখে চলিয়াছে। DEKK JJJD BDDB00EDSY0DDBBDB KgDBBBES uBuuBuDD সাহিত্য-পপই সাধারণের পক্ষেণে ভগবৎসাধনার প্রথম অবস্থায় SKKD 0 KKD KK SS DDDBBDBB DBLSBBD S BEY DBD লক্ষ্য রাখা উচিত যেন সদসাপারণের এই প্ৰথম সাধনের পথ সৰ্ব্বদাই আবৰ্জনাসুক্তি ও কণ্টকাদিশূন্য থাকে, যেন