প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৭৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্জিক-পঞ্চাঙ্গশোধন । [ কলিকাতা সংস্কৃত কলেজের জ্যোতিষশাস্ত্ৰাধ্যাপক শ্ৰী রাধাবল্লভ স্মৃতি ব্যাকরণ জ্যোতিষতীর্থ কর্তৃক লিখিত। ] [ পূর্বপ্ৰকাশিতের পর । ] ৫ । পঞ্চম আপত্তি,-য়ুরোপীয় গণনা স্থূল নহে, ইহা অতি সুন্ম গণনা ; কিন্তু আমাদের শাঙ্গে স্থল গণনাই গ্ৰাহা, সুন্ম গণনা গ্ৰাহী নহে। হেমাদ্রি বলিয়াছেন—“স্থলমার্গসিদ্ধম্ভৈব তিথিনক্ষত্ৰাদ্দেগ্ৰহণাৎ ।” উত্তর-হেমাদ্রি যে স্থূল নক্ষত্ৰ লইতে বলিয়াছেন, । ইহার অর্থ এরূপ নহে যে, ভুল নক্ষত্ৰাদিই হেমাদ্রির অভিপ্ৰেত। হেমাদ্রি জয়ন্তীব্রতে লিখিয়াছেন যে, কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী তিগিতে রোহিণী নক্ষত্রের যোগ হইলে যে জয়ন্তীবত হইবে, এ কোন প্রকারের গণনার রোহিণী ? নক্ষত্রের গণনা দুই প্রকারে হইয়া থাকে । রাশিচক্রকে সমান DD DDD DD BDBBBSDD BBDKS SSS BD SLOBD DBBDBB ধরিয়া যে অশ্বিন্যাদি। ২৭ নক্ষত্ৰ গণনা হয়, সেই গণনার রোহিণী, কি অসমান ২৮ ভাগে বিভক্ত করিয়া অভিজিৎসহ ২৮ নক্ষত্রের গণনা হয়, সেই গণনার রোহিণী, ইঙ্গার কোন রোহিণীর সহিত অষ্টমীর যোগ হইলে জয়ন্তীব্ৰত হইবে ? এই প্রশ্নের উত্থাপন করিয়া তিনি স্বয়ং বলিয়াছেন—“স্থলমাৰ্গ সিদ্ধম্ভৈব তিথিনক্ষত্ৰাদ্দেগ্ৰািণাৎ।” সমান ২৭ ভাগে বিভক্ত করিয়া যে অশ্বিন্যাদি। ২৭ নক্ষত্রের গণনা হয়, তাহার নাম স্থলমার্গ-গণমা । অসমান ২৮ ভাগে বিভক্ত করিয়া যে অভিজিৎসত ২৮ নক্ষত্রের গণনা প্ৰণালী, তাহার নাম সুক্ষ্মমার্গ। এই মার্গের গণনা প্ৰণালী কোন কোন ঋষিগ্রন্থে উল্লিখিত থাকিলেও তাহার ব্যবহার নাই, সকল GLSuB BBDBD BBBDBDDD BuBD DD DBD DBDBDuD করিয়া ২৭ নক্ষত্রের গণনা করেন এবং অভিজিতের স্মাবশুকাস্থলে উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্রের শেষপাদ ও শ্রবণা নক্ষত্রের প্ৰথম চারি দণ্ডকে পারিভাষিক অভিজিৎ নক্ষত্ৰ নামে ব্যবঙ্গার করেন ; সুতরাং স্থলমাৰ্গ নক্ষত্রগণনাই সৰ্ব্বত্র প্রচলিত, সুন্মমার্গের নক্ষত্রগণনা প্রচলিত নহে। হেমাদ্রি ও DDD DBBDDB DBSDBDDBDBB BDDBD BDB DBBBD S হেমাদ্রি। এটি সন্দর্ভে ভাস্করাচাৰ্যোর সিদ্ধান্তশিরোমণি DDBDB BDDBDDSBDS BB uDBBDS SBDDBuBDBD বচন এই-- “छूणां क्रूऊ ऊॉनम्रम् या लाल्८खा।ांडिक्लिi९ ज९बादश्।ांझ-6श्उों: । সূক্ষ্মং প্ৰবক্ষ্যেহথ মুনিপ্রণীতং বিবাহ-যাত্ৰাদি ফল-প্ৰসিদ্ধ্যৈ। অধ্যাদ্ধাভোগানি ষড়ন্ত্ৰ তজজ্ঞাঃ প্রোচুর্বিশাখাদিতি ভ-ধ্রুবাণি। যড়ৰ্দ্ধভোগানি চ ভোগি-রুদ্রবাতান্তকেন্দ্ৰাধিপ-বারুণানি৷ শেষান্যতঃ পঞ্চদশৈকভোগাशरख ड-6डांश: अविभक्षा-डूखि:। সৰ্ব্বক্ষভোগোনিত চক্রলিপ্ত বৈশ্যাগ্ৰতঃ স্বাদভিজিদ ভ-ভোগঃ ॥ অশ্বিনী-৭৯০ কলা ৩৫ বিকল । vsg-\ps Sq झखिक-१००।०d । রোহিণী-১১৮৫৷৷ ৫২ ৷৷ ইত্যাদি অসমানভাগে অভিজিৎসহ ২৮ ভাগ করা সূক্ষ্ম নক্ষত্ৰানয়ন । ইহার প্রচলন ভারতবর্ষে কোন ७cएoशे नाश्। डांशांश् (श्भांत्णि दलिब्रांछन-कूलभt-गिक অর্গাৎ সমান ২৭ ভাগের নক্ষত্ৰই গ্ৰহণ করিতে হইবে। ইহাতে হেমাদ্রি এরূপ বলেন নাই যে, নক্ষত্রগণনায় স্থল অর্থাৎ ৩ ৪ ঘণ্টা ভুল করিতে হইবে। চন্দ্ৰ-সুৰ্য্যের অন্তরের প্ৰতি দ্বাদশভাগে এক এক তিথি হয়, ইহাই ধৰ্ম্মশাস্ত্রকারগণ ও সিদ্ধান্তকারগণ বলিয়াছেন। ইহার গণনার নিয়ম এক প্ৰকারই । ইহাতে আর স্কুল-সূক্ষ্ম নাই । সকল পঞ্জিকাকারই ১২ অংশে এক তিথি গণনা করিয়া থাকেন। পঞ্জিকাংস্কারকারীরাও ১২ অংশে তিথি গণনা করিতেছেন। বোধ হয়, “স্থলমাৰ্গ-সিদ্ধস্যৈব নক্ষত্ৰস্য গ্ৰহণাৎ” হেমাদ্রির এইরূপ পাঠ ছিল, বঙ্গদেশে পঞ্জিকার আন্দোলন আরম্ভ হওয়ার পর এসিয়াটিক সোসাইটি হইতে হেমাদ্রি মুদ্রিত হওয়ার সময়ে পঞ্জিকা-সংস্কারের বিরোধী পণ্ডিত মহাশয় তিথি, YYD uuDDBD BBDS SDDBS BB BBDDO DBBBD DDD হেমাদ্রিতে পূৰ্ব্ব হইতেই এই পাঠ থাকে স্বীকার করা যায়, BDBDS uBBB0 B DDBSsBDYYB SDTTS L S DDDD DDDDS তিগিতে মধ্যগ্ৰহণ ধরা হয়, তাহাই হেমাদ্রি সূক্ষ্ম তিথিরূপে গ্ৰহণ করিয়াছেন, কিন্তু তাহা গ্ৰহণ বাতীত অন্যত্র আবশ্যক কয় না । ধৰ্ম্মশাস্ত্রোপযোগী তিথিগণনায় সৰ্ব্বত্ৰ , »R SC gF fGf–Afs CFIfSRos \S qus इछेशांछ, দৃকতুল্যগণনাকারীরাও ऊाझाछे व्यहेडाक्लन्न श्डंब्रां५ श्र्वकारी श्र्नांव्र स्त्रांबशुक नांद्दे, हेझ बग।