প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ॐ श्रं ४ --श्रिीश्च नश्थंil ।। ] adha- ـــــــــــــــ al r vmr ver reper pur ধন, চন্দন, মালা, পদ্ম, উৎপল, তালবৃন্ত ব্যােজন, শীতল গৃহ, ধৰ্ম্মকালে অতি লঘু বস্তু, শর্করাখণ্ডের সুগন্ধি হিমপানক (সারবত), শর্করাযুক্ত মন্থ এবং শীতল ঘূতযুক্ত মধুর দ্রবন্দ্ৰব্যভোজন। এই কালে হিতকর । রাত্রিকালে শর্করা সহযোগে মধুর দুগ্ধসহ ভোজন করিবে, চন্দনলোপনপূর্বক মন্দবায়ুসঞ্চারিত স্থানে প্রস্ফুটিত কুসুমবিকীর্ণশয্যায় শয়ন করিবে । প্রতিদিবস প্ৰাতৃযে গাত্ৰোথান করিয়া নভোমণ্ডলগত উজ্জল তারকাসকল দর্শন করিতে করিতে উষার আগমন অপেক্ষা করিয়া, উঠানাজাত অৰ্দ্ধবিকশিত পুষ্পসকল স্বহস্তে চন্দ্ৰন করিবে । যে মানব স্বগুস্তে নিত্য পুষ্পচয়ন করে, নিত্য শিশিরক্ষাত দূৰ্ব্বাদল ও বিশ্বপত্র সংগ্ৰহ করে, যাহার পদতল ও মস্তক প্ৰত্যুষে আবরণহীন থাকে, সে নিশ্চয়ই দীর্ঘজীবী হইয়া থাকে। যে বুদ্ধিমান স্বাস্থ্যকামী ব্যক্তি প্রতিJJK BBDDB 0 KKBBD SODD S KCD SBDSKBK DL মৃত্ত্বিক বা দূৰ্বাঘাসের উপর ভ্রমণ করে, প্ৰভাত ও সন্ধ্যায় তারকা দর্শন করে, অতি উজ্জল আলোক ( ইলেকট্রিক ) গৃঙ্গে রাখে না, চন্দ্ৰলোকে শরীর সুশীতল করে, শুক্ল অষ্টমী ও চতুর্দশীতে চন্দ্রের পীসৃষি পান করে, সুৰ্যোদয়ের DDB S S SD0DBDDBSDS DDB DDDB BBBS BB BBDuD BBDDD দীর্ঘায় হয়। ধাঙ্গার জ্যৈষ্ঠ মাসে ধাতুপাত্ৰ ত্যাগ করিয়া কদলীপত্রে ভোজন, স্ফটিকপাত্রে জলপান, মৃন্ময়পাত্রে রন্ধন করে, তাহাদিগের শরীরে কখন ব্যাধি জন্মে না । এই জ্যৈষ্ঠ মাসেই কৃষ্ণাচতুৰ্দশা তিথিতে ফলরতপরায়ণা আৰ্য্যনারীগণ বিবিধ ফলদ্বারা সাবিত্রীব্রতের অনুষ্ঠান করিয়া থাকেন। ঐ সময়ে দেবী সাবিত্রী যমলোক হইতে নিজ পাতি৭ ত্যবলে স্বামী সত্যবানকে সশরীরে উদ্ধার করিয়া জগতের মধ্যে আদর্শ নারীরূপে ধন্যজন্ম হইয়াছিলেন । আজও আমাদর দেশের আর্য্যনারীগণ সেই সাবিত্রীর নাম অনুসরণ করিয়া, প্ৰতি জ্যৈষ্ঠ মাসে তাহার নামে ফলমূলের ব্ৰত করিয়া, পৰ্ম্মরাজ যমকে পরিতুষ্ট করিবার চেষ্টা করে। বাস্তবিক এই ভীষণ নিদাঘসময়ে মাৰ্ত্ত গুপুত্ৰ কৃতান্তদেব প্ৰসন্ন হইলে সে কতই শুভফল ফলে, তাহার ইয়ত্তা নাই । এই সময়ই—বিশেষ সুৰ্য্যোক্তাপে ফলমূলের পক্কতা ও পতনের সময় ; মানুয্যের সম্বন্ধেও তাঁহাই। ঘৰ্ম্মে ঘৰ্ম্মে দেহের পক্কতা ও ক্ষয় উপস্থিত হয়, ঘৰ্ম্মবারি রোধ হইয়া নানা প্রকার সংক্রামক রোগের সূত্ৰপাত হয়। বিষধরগণ উগ্রশপ ও উগ্ৰতেজ হইয়া যেখানে সেখানে বিষ উদগীরণ করে। গগণ্য সেই সকল বিযসংশ্রবে। সহসা কালমুখে পতিত হয়। এই মাসে জামাইষষ্ঠী অর্থাৎ জামাতাৰ্চনা একটি প্রধান নৈমিত্তিক কাৰ্য্য বলিয়া হিন্দুসমাজে বহুকাল প্রচলিত আছে । জামাতার আয়ুষ্কামনা করিয়া এই তিথিতে যষ্ঠপূজা করা হয়। আমাদের দেশের সতীলক্ষ্মীরা তিথি ও মাস|ণশৈলে যে সে ব্রতনিয়মান্দির অনুষ্ঠান করিয়া থাকেন, তাহার a জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাস। 6. A MAPANAMA 4- ܚܡܫ ط۔ حتـــخــــــــصـ ھ ـ ha আভ্যন্তরে ঐহিক ও পারিত্রিক বিবিধ প্ৰকার মঙ্গল উদ্দেশ্য বৰ্ত্তমান আছে ; সেগুলি মানিয়া চলা। উনবিংশ শতাব্দীর বিজ্ঞানগর্বিতদিগের পক্ষে নিতান্ত দৃষ্টিকটু হইলেও ভাবাৰ্থমূলক, সন্দেহ নাই। 游 举例 兼 操 আষাঢ় মাস বৈশাপাদি দ্বাদশ মাসের অন্তর্গত তৃতীয় মাস। এই মাসে রৰি মিথুনরাশিতে গমন করেন। পূৰ্ব্বাষাঢ়ানক্ষত্ৰযুক্ত পূৰ্ণমাসী যে মাসে, সেই মাসে এই আষাঢ় মাস কথিত হইয়াছে। তন্ত্র জাতফলং যথা :- “অনল্পজল্পী প্ৰমদাভিলাষী প্ৰমাদশীলো গুরুবৎসলশ । DBBDBD DBDBDDBD KLBD KBDD DDB S ইতি কোষ্ঠীপ্ৰদীপ।। অর্থাৎ বহুভাষী, প্ৰমদাপ্রিয়, প্ৰমাদশীল, গুরুবৎসল, বহুব্যয়ী, মন্দাগ্নিপীড়িত ইত্যাদি ফলসকল এই আষাঢ় মাসে জন্মগ্রহণ করিলে লাভ হইয়া থাকে । এই মাসে বর্ষার প্রথম আরম্ভ হয়, আকাশ সৰ্ব্বদা মেঘাচ্ছন্ন থাকে, মেঘ সকল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খণ্ডে বিভক্ত হইয়া পৃথিবীর খুব নিকটে বিচরণ করে, বায়ু পূৰ্ব্বদিক হইতে প্রবাহিত হয়। পূৰ্ব্বচালিত বায়ু দেহের পক্ষে অত্যন্ত হানিকর । এই সময়ে সৰ্ব্বদা বৃষ্টিপাত হওয়াতে খাল, বিল, পুষ্করিণী ও ডোবাসকল জলে পরিপূর্ণ হইতে থাকে ; মাঠসকল কৃষকদিগের শম্ভবপনের উপযোগী হয় ; চতুর্দিকের জঙ্গল ও পত্ৰসকল পচিতে আরম্ভ করে ; কোন কোন স্থলে জলনির্গমনের সুবিধা না থাকিলে সেই সকল গলিতপত্রের বাপযোগে জনপদসকল বিষাক্ত হইয়া ভীষণ ম্যালেরিয়ারোগের সূত্ৰপাত করায় । ভীষণ কলেরা ও মন্দাগ্নি এই সময়ে সৰ্ব্বত্রই দেখিতে পাওয়া যায়, পল্লীবাসীর ঋতুপরিবর্তনজনিত ব্যাধির যন্ত্রণায় ঘরে ঘরে কাতরকণ্ঠ-কুইনাইনের অতিসেবনজনিত বঙ্গদেশের বিষম্যাবস্থা সৰ্ব্বত্রই নয়নগোচর হয়, পল্লীর সর্বত্রই কর্দম ও জলপরিপূর্ণ, পথঘাটে গমনাগমনের উপায় থাকে না। ;-তাহার উপর হিংস্ৰজন্তু, সৰ্প, জোক, পোকাদির বিশেষ উৎপাত ! অনেক সময়ে জীবনে হতাশ হইয়া পল্লীগ্রামে বাস করিতে হয়, তথাকার কর্দমপূর্ণ জল খাইয়া শমনদেবের অতিথি হইবার আশা থাকে। নদী, নালা, কোথাও নির্দোষ জল ও পানীয় পাইবার আশা নাই। কলিকাতার কলের জল ও আষাঢ় মাসে রাঙ্গামুখ হইতে থাকে। গলি-ঘুজির নর্দমার আকার দেখিলে এক রূপ প্ৰকাশ্য নরক বলিয়াই বোধ হয়। সহরের অধোদিক চালিত ধাপা প্রবাহী নৰ্দমাসকলের দৃশ্য খুলিলে আর নিকটে গঙ্গাভক্তি মনে আসে না । সহরের বাহিরে গেলে রাত্রিদিন আষাঢ়ে-ভেকের কর্ণভেদী শব্দে কৰ্ণ বধির করে। কোথাও শস্যের গোছানি দেখিয়া