প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞদিগের লিখিত সুন্দর সুন্দর সন্দর্ভ অনাথবন্ধুতে প্ৰকাশিত হইবে। ইহা ভিন্ন কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য, সমাজ-বিজ্ঞান, অর্থশাস্ত্র, চিকিৎসাশাস্ত্ৰ ( য়ালোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথিক ও কবিরাজী), ইতিহাস, বিজ্ঞান, দর্শন, মনস্তত্ত্ব প্ৰভৃতি সম্বন্ধে অনেক আবশ্যক সন্দৰ্ভও ইহাতে প্ৰকা শিত হইবে । এক কথায় কেবল রাজনীতি ভিন্ন আর সমস্ত জ্ঞাতব্য বিষয়ই “অনাথবন্ধু’তে প্ৰকাশ পাইবে । দ্বিতীয় শ্ৰেণীর অনাথগণ যাহাতে এই পত্ৰিকাখানির ‘অনাথবন্ধু’’ নামের সার্থকতা বুঝিতে পারেন, তাহার জন্য চেষ্টার ও যত্নের ত্রুটি হইবে না । তৃতীয় শ্রেণীর অনাথ,-যাহারা দরিদ্র-সংসারে সম্বলহীন। দারিদ্র্য নানা দোষের আকর। সেই জন্য মহাভারতকার বলিয়াছেন,- कृऊिंक्रांत कृडिका (काश्रां९ 6क*३ ङशांध्रुश्, মুতেভ্যঃ প্ৰমৃতং যান্তি দরিদ্রাঃ পাপকারিণঃ। উৎসবাদুৎস।বং যান্তি স্বৰ্গাৎ স্বৰ্গং সুখাৎ সুখং, শ্ৰদ্দধানশ্চ দান্তাশ্চ ধনাঢ্যাঃ শুভকারিণঃ । পাপাচারী দরিদ্র লোক দুভিক্ষ হইতেও দুৰ্ভিক্ষ, ক্লেশ৷ হইতেও ক্লেশ ( ক্লেশজনক ), ভয় হইতেও ভয় ( ভয়ানক ), মৃত অপেক্ষাও অধিক মৃত, পক্ষান্তরে শ্রদ্ধাযুক্ত দাতা ধনাঢারা BBBD SDBBD BB S DDDBBD SDB BDuBBDD DDD ( সুখজনক), স্বৰ্গ হইতেও স্বৰ্গ ( আরামদায়ক ) । বাস্তবিকই গরিবের মত অনাথ আর নাই। তাহারা অভাবের তাড়নায় সবই করিতে পারে। এই দারিদ্র্য নানা প্রকারের। আজকাল আমাদের দেশে শিল্পের লোপ হইয়াছে, সেই জন্য লোকের অর্থসংগ্রহের পথ সঙ্কীর্ণ হইয়া পড়িতেছে। অনেকে পরিশ্রম করিতে প্ৰস্তুত, কিন্তু পরিশ্রম করিবার ক্ষেত্ৰ পায় না । এখন কৃষি ও চাকুরী এই দুইটিই আমাদের দেশের লোকের জীবিকাজর্জনের কেবলমাত্র বৃত্তি হইয়া দাড়াইয়াছে বলিলে বিশেষ অত্যুক্তি হয় না। চাষের জমি বিভক্ত হইয়া চটকস্ত মাংসে পরিণত হইতেছে। কাজেই অধিকাংশ কৃষকের সামান্য যোতের জমিতে সম্বৎসরের গ্ৰাসাচ্ছাদন নির্বাহিত হয়। না। তবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃষির উন্নতি করিতে পারিলে, অল্প জমিতে অধিক ফসল জন্মিতে পারে। সেই জন্য কৃষিসম্বন্ধে অনেক জ্ঞাতব্য বিষয় ‘অনাথবন্ধু’তে সন্নিবিষ্ট থাকিবে। চাকুরীতে যেরূপ সংখ্যায় লোকের প্রয়োজন, উমেদারের সংখ্যা তাহা অপেক্ষা শতগুণ অধিক । সেই জন্য চাকুরীর মজুরী কমিতেছে, ঝকমারি বাড়িতেছে। এরূপ ক্ষেত্রে শিল্পোন্নতিই দেশের কল্যাণসাধনের একমাত্র উপায়। কিন্তু কেবল প্ৰবন্ধ লিখিলেই শিল্পোন্নতিসাধন সম্ভবে না । শিল্পেস্নাতি করিতে হইলে শিল্পী দিগকে হাতে কলমে কাজ শিখাইতে হয়। সেই জন্য আমরা R অনাথবন্ধু। LLLLLLL LLLL LLLL LLLLLLLAALLLLLLL LLLLL LLLLLL [ প্ৰথম বর্ষ, আষাঢ়, ১৩২৩ ৷৷ LLLLLLLLALSLALALLSLLLALALALLLL LSLLLLL A ALLALALA ALALMMMLL LMALMLAMLSLLLLLLLAL LALALLALALALMSLMLMLMMLML M AMALMLL LSLALALMMeqL LMMS LS qSqS 6 ‘অন্নপূর্ণ আশ্রম” নাম দিয়া একটি কাৰ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করিতেছি। এ দেশের লোকের যে সমস্ত দ্রব্য নিতান্ত আবশ্যক, সুদক্ষ শিল্পীর দ্বারা এই আশ্রমে তাহা প্ৰস্তুত করা হইবে এবং তাহা খরচা পোষাইয়া যথাসম্ভব সুলভ মূল্যে বেচিবার বন্দোবস্ত করা হইবে। যাহারা শিল্পশিক্ষা করিতে আসিবেন, তাহার কাজ শিখিলে আশ্রমেই কাজ পাইবেন । ইহাকে একটি আদর্শ কাৰ্যালয়ে পরিণত করা যাইবে । আপাততঃ সামান্যভাবে ইহার কার্য্য আরব্ধ হইল দেখিয়া কেহ যেন নিরুৎসাহ না হন। অনেক ক্ষেত্রে এইরূপ সামান্য প্রারম্ভ হইতেই বড় বড় কাৰ্যোর উদ্ভব হইয়াছে। বিল্লাতের অক্সফোর্ডসায়রে মংওয়েল একটি ক্ষুদ্র গ্রাম। ১৭৯৪ খৃষ্টাব্দে বিশপ বারিংটন এই গ্রামে একটি ক্ষুদ্ৰ কাৰ্য্যালয় প্রতিষ্ঠিত করেন। তথায় কেবলমাত্র খরচা লইয়া খাদ্যদ্রব্যাদি বিক্রীত করা হইত। ক্ৰমে শ্রমজীবীদিগের প্রস্তুত দ্রব্যও বিনালাভে বিক্রয় করা হইত, তাহাতে শ্রমজীবীরা শ্রমের মূল্য পাইত, কিন্তু কাৰ্য্যালয় কেবল খরচা মাত্ৰ লইয়া উহা বিক্রয় করিতেন বলিয়া ঐ সকল পণ্য অপেক্ষাকৃত সুলভে বিকাইত। ক্রমে সমস্ত ইংলণ্ডে এই কাৰ্য্যালয়ের শাখা বিস্তৃত হয় । উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ১৩ লক্ষ ৪৩ হাজার লোক ইহার সদস্য হয় এবং ইহার মূলধন হয় পৌনে আটাশ কোটি টাকা, এবং রিজার্ভ তহবিলে এক কোটি বিশ লক্ষ টাকা মজুদ থাকে। ফলে ধাৰ্ম্মিক কৰ্ত্তবানিষ্ঠ লোক এইরূপ কাৰ্য্যে হস্তক্ষেপ করিলে উহা সফল হইবেই হইবে। আমরা অতদূর আশা না করি, কারবারটি যাহাতে সফল হয়, তাহার চেষ্টা করিব । ‘অনাথবন্ধু’ এইরূপ কাৰ্য্যপরিচালনের পন্থা নির্দিষ্ট করিবেন এবং অন্নপূর্ণ আশ্রমকে ইহার আদর্শরূপে পরিচালনা করিতে যত্নশীল হইবেন। ভদ্রমহিলারা যদি ঘরে বসিয়া কোন শিল্পজ আবশ্যক পণ্য প্ৰস্তুত করিয়া আশ্রমের কর্তৃপক্ষের হস্তে প্ৰদান করেন, আশ্রমের কর্তৃপক্ষ তাহাদিগকে তাহা উচিত মূল্যে বেচিয়া দিবেন। আশ্রমেও নারীদিগের কৰ্ম্ম করিবার ব্যবস্থা থাকিবে । চতুর্থ অনাথ—যাহারা পীড়িত। অন্নপূর্ণ আশ্রমে দুঃস্থ পীড়িতদিগের সাহায্যকল্পে চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকিবে। য়্যালোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথিক, কবিরাজী ও হাকিমী, এই কয় প্রকারের চিকিৎসারই ব্যবস্থা থাকিবে, তবে আপাততঃ রোগীদিগের থাকিবার স্থান প্ৰদত্ত হইবে না । চিকিৎসা ও ঔষধ বিনামূল্যেই প্রদত্ত হইবে। ফলে অনাথবন্ধু যাহাতে প্ৰকৃতপক্ষেই অনাথবন্ধুর কাজ করিতে পারে, আমরা তাহার জন্য প্ৰাণপণে চেষ্টা করিব। এখন আমরা সেই অনাথবন্ধুর দয়া এবং সাধারণের অনুকম্পা ও সহানুভূতির প্রার্থনা করি। আশা করি, আমাদের আশা নিম্বফল হইবে না ।