প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ዓ8 re-aua- LSLSLSLSLSLSLSLSLSLSLSLSLSLSLSLSLSLS SLSLSLSLSLSLLLSS মৃত্তিকার মধ্যে কোন কোন প্রকারের মাটিই ঐ সকল উদ্ভিদের আহাৰ্য্যপদার্থ আকর্ষণ করিয়া লইতে পারে। বালী ঐ সকল দ্রব্য এত অল্প পরিমাণে টানিয়া লইতে পারে BBS DBD DBBB BDB BDBB DDSS SKKBD0 DDD SDDD রকমের কাদা, গলিত উদ্ভিদ ও জান্তবপদার্থমিশ্ৰিত মাটি উহা সহজেই টানিয়া শুষিয়া লইতে পারে। মাটির যে সমস্ত গুণ আছে, তাহা সংক্ষেপে বলা হইল। অনাথবন্ধু। [ প্ৰথম বর্ষ, শ্রাবণ, ১৩২৩ । ha ۔۔۔۔۔۔ la ܩܦܚܝܢܣܒܩܚܝܒܝܫܝܥܦܫ - rur r r a atballa -ܖ ܗܝܗܝ কথাগুলি জানিয়া রাখিলে কৃষিতত্বের অনেক তথ্যই সহজে বুঝা যাইবে। মাটি নানাপ্রকারের আছে। অনেক সময় बांक्रांवांडांशांग्र उांझांब नांभ कब्रा बद्ध कठिन। cलझे अछ DDDS BBDDBt0 DBD BDBD BDBBD BDDB BDBD DBB DBDD DD BBBD DD BK DB DDDD S SBBBSS *আগামীবারে সেই সম্বন্ধে কিঞ্চিৎ আলোচনা করিতে 65छे कब्रिव । [ ক্রমশঃ । বঙ্গীয় কৃষক ও ধানের চাষ। . [ শ্ৰী৷তারিণীপ্ৰসাদ জ্যোতিষী লিখিত। ] বঙ্গদেশ ধান্যের চাষ ও আবাদের জন্য জগদ্বিখ্যাত । লক্ষ্মীর এমন উর্বরক্ষেত্র আর কোন দেশে নাই। বঙ্গদেশে ধান্য সহস্ৰ নামে ও সহস্র রূপে দৃশ্য হইয়া থাকে। চাষার আশার ধন-ভাণ্ডার-অন্নপূর্ণার রাজত্ব আর কোন দেশের কোন সংসারে এরূপ অক্ষয় অমরভাবে দেখিতে পাওয়া যায় না। বঙ্গভূমি যে সকল শম্ভরত্ন প্রসব করেন, উহা পৃথিবীর সকল দেশের প্রাণস্বরূপ নীতি ও ব্যবহৃত হইয়া থাকে। বরিশালের বালাম, বাশমতি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ, দাদখানি, গোপালভোগ, ময়মনসিংহ শস্তৃগঞ্জের कालविद्ध, २8 अब्रक्षिाद्ध बैंकडूली, य6भान-बैौद्भङ्गमবাঁকুড়ার রামশাল, লঘু অজাশাল প্রভৃতি জগদ্বিখ্যাত। বঙ্গদেশে প্রতিবৎসর এই সকল ধান্যের চাষ-আবাদ হইতেছে, প্ৰতিবৎসর দেশদেশান্তরে নীত হইতেছে। যাহারা একবার টেবলে রাখিয়া উহার সুধাময় অশ্নের স্বাদ পাইয়াছেন, তাহারা এ জন্মেও উহার নাম ভুলিতে পারেন नांशें । আমাদের দেশের স্থানবিশেষে পৃথক পৃথক নিয়মের অধীন চাষ-আবাদের প্রথা প্ৰচলিত আছে। বড়োধান DBD DBDB BB DD DBB BBD SDDDS BBK D BD মাসে কৃষকরা উহা গৃহজাত করে। নবীন।াধান বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে বুনিয়া তন্দ্বারা কাৰ্ত্তিক ও অগ্রহায়ণে আমাদের ggभ नवनि का श् । ( জমীতে মই দেওন ) পূর্ববঙ্গের মৃত্তিকায় যেরূপ প্ৰণালীতে চাষ আবাদ হয়, পশ্চিমবঙ্গের মৃত্তিকায় সেরূপ হয় না। পূর্ববঙ্গবাসী কৃষকরা বৃষ্টির জলের তত আশা করে না বা শস্তরক্ষার জন্য কোন জলাশয় হইতে বারিসেচন করিয়া ধান্যরক্ষা করিতে চেষ্টা করে না। পশ্চিমবঙ্গে ধান্য বৃক্ষ আনিয়া মৃত্তিকায় রোপণ করিতে হয়। রোপিত ধান্যকে রোয়া ধান্য কহে। ঐ ধান্য যথানিয়মে পাট করিয়া বপন করিলে পর বা বীজ বপনের পর বৃষ্টি বা জলের আশায় উৰ্দ্ধপানে তাকাইয়া থাকিতে হয় ; যদি ভগবানের ইচ্ছায় যথানিয়মে উপযুপরি বারিবর্ষণ হয়, তাহা হইলে আর কোন ভয় নাই, ক্ৰমশঃ ধান্তসকল বৃদ্ধি