প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अथभ ५७-विडीब्र नश्था । ] বঙ্গীয় কৃষক ও ধানের চাষ । ዓ@: পাইয়া সফল হইতে সমর্থ হইবে, আর যদি অনাবৃষ্টি হয়, তাহা হইলে ক্ষেত্রের ধান্য ক্ষেত্রেই শুকাইয়া যাইবে কিম্বা অতিবৃষ্টি হইলেও সকল আশা-ভরসা ডুবিয়া যাইবে-কৃষকগণ কপালে হাত দিয়া বসিয়া পড়িবে। কৃষ্ণনগর, খুলনা, ২৪ পরগণা, সুন্দরবন, বৰ্দ্ধমান, বাঁকুড়া, মানভূম, বীরভূম, হুগলী, মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহ হইতে ক্ৰমশঃ এই उांत (थि6ड *ोंsभ्रों शॉन । (बझे c७ब-ॐकांद्रांद्र ) কিন্তু পূর্ববঙ্গে অর্থাৎ রাজসাহী, দিনাজপুর, রঙ্গপুর, বগুড়া, ফরিদপুর, পাবনা, ময়মনসিংহ, শ্ৰীহট্ট, ঢাকা প্ৰভুতি স্থান সেরূপ প্ৰণালীর চাষের অধীন নহে, ঐ সকল স্থান অত্যন্ত উর্বর, ঐ সকল স্থানীয় ক্ষেত্ৰসকলে চাষের দ্বারা মৃত্তিক প্ৰস্তুত করিয়া ধন্যবীজ হস্তে করিয়া ছাড়াইয়া দিলেই ধান্যসকল মাটির গুণে উৎপন্ন হইয়া কৃষকের আশা পূর্ণ করিয়া থাকে। (উর্বরক্ষেত্রে বীজ ছড়ানো ) জলময় নোয়াখালি, বরিশাল, বাখরগঞ্জে ও জলের অগ্ৰে অগ্ৰে ধান্য বুদ্ধি পায়, বর্ষার জল যত বৃদ্ধি পায়, ধান্যও তৎসঙ্গে সঙ্গে তত বৃদ্ধি পাইয়া থাকে ; তৎস্থানীয় এক একটি ধান্য বৃক্ষ ৩০ 18০ হস্তপরিমিত লম্বা হইতেও দেখা গিয়াছে। এই সকল স্থানীয় কৃষকেরা নৌকা বা ভেলায় উঠিয়া ধান্যচ্ছেদনপূৰ্ব্বক গৃহে আনিয়া থাকে। পশ্চিমবঙ্গের ন্যায় পূর্ববঙ্গে ও আউস ও আমন দুই প্রকার ধান্যের চাষ দেখিতে পাওয়া যায়। পুৰ্ব্ববঙ্গের মধুপুর প্রভৃতি গড়ের নিকট অতি সুন্দর আনন No a an ܝܣܦܚ adh wer বা হৈমন্তিক ধান্যের উৎপত্তি হয়। ঢাকা হইতে জামালপুর পৰ্য্যন্ত যে সুবিস্তৃত বনভূমি রহিয়াছে, তাহার নিকটবৰ্ত্তী স্থানে উত্তম আউস ও আমন ধান্তের চাষ হইয়া থাকে ; করটিয়ার জমীদারদিগের আটিয়া পরগণায়, নবাব গণিমিঞা সাহেবের জামুকীী পরগণায়, সন্তোষের কাকমারী পরগণায়,পুটিয়ার পুখরিয়া পরগণায়, নাটােরের বাজে তালুকে, ময়মনসিংহে বাজিৎপুর, হোসেনপুর ও জবরসাহি পার ( ধন্যবীজ রোপণ ) গণায় যে সকল ধান্য ও পাট জন্মিয় থাকে, তাহার তুলনা কোন দেশের সহিত করা যাইতে পারে না । এই সকল স্থানের কৃষকসম্প্রদায় ধন ও কৃষিসম্পদে সকল স্থান অপেক্ষা শ্ৰেষ্ঠ । পূর্ববঙ্গের জনী দারগণের যে এত ধনদৌলত, এই সকল পরিশ্রমী কৃষকরাই তাহার একমাত্র কারণ । এতদ্ব্যতীত যমুনা, পদ্মা, ব্ৰহ্মপুত্ৰ প্ৰভৃতি নদনদীসকলের বিস্তুত চরাভূমিতে যে সকল রবিশস্যের ফলন হয়, তাঙ্গার (পাটে পাটে নিড়ানা দেওন ও বাজে দাসাদি। উন্মুলিতকরণ) আর বিশেষ চাষ-আবাদ করিতে হয় না, ভূমিতে বীজের সংযোগমাত্ৰেই কলাই, মসুর প্রভৃতি ফসলসকল উৎপন্ন হইয়া থাকে। আমি কেবলমাত্ৰ দূৰ্বাঘাসের উপরে বিনাচাষে মাঠময় মাষকলাই বুনিতে দেখিয়াছি। বিনালাঙ্গলে যমুনানদীর কোমল চরে কত শত পাটের আবাদ প্ৰস্তুত হইতে দেখা গিয়াছে ; তথাকার কৃষকেরা নদীর চরাভূমি স্বল্পনিরিখে পাইলে আর কোথা ও গিয়া বাস করিতে চাহে