পাতা:অনাথ আশ্রম - ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ.pdf/৪৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অন্নপ্রাশনের পর যেদিন বালিকা শয়ন, পার্শ্বপরিবর্তন, ও ভূজঙ্গগমন ছাড়িয়া, প্রথম সকলের অজ্ঞাতসারে বালিকা গৃহপ্ৰাঙ্গণস্থ ক্ৰেটিনকুঞ্জে যাইয়া অঙ্গ ঢাকিয়াছিল। যে দিন। श्श४द्धि छांख़्शि (gांदेड शिथिल,6नशे निष्नई শিশু সভয় পদে অভয় ভর দিয়া, চপলাচমকে লোকের চক্ষে ধূলি দিয়া, আইভিলতার অন্তরালে দণ্ডৈক সময় লুকাইয়াছিল। . এই সকল দেখিয়া শুনিয়া, বালিকার এই | অত্যাশ্চৰ্য্য কাননগ্ৰীতির মৰ্ম্ম বুঝিতে না পারিয়া, বালিকার সহিত কাননের প্রকৃতিগত কোন সম্বন্ধ আছে। অনুমান করিয়া, কাননিকার জননীর ভগিনীর ননদিনীর প্রাণসজনী জেসিকা, বালিকার নাম রাখিল-কাননিকা । অমনি কে যেন কোথা হইতে" আসিয়া, কেমন করিয়া গোলাপ মল্লিকাদি কুসুমরাশি সেনেদের অন্তঃপুরুস্থ যোষিৎ মণ্ডলীর পদপঙ্কজে। ঢালিয়া দিল। সমীরণ স্বন স্বন বহিল, হুতাশন গান গান জ্বলিল, বৃন্তচু্যত যুথিকা ঝরে ঝরে ঝরিল! আর সন্ধ্যাকালের অরুণিমগগনবিহারিণী, হিরণয়ী কাদম্বিনীকুল ধীর সমীরে অঙ্গ ভাসাইয়া, তরতর করিয়া চলিয়া গেল। তপন সকলে বুঝিল নামকরণ এইবারে ঠিক হইয়াছে। । , { পিকবর ললিত পঞ্চমে গান গায়। ভাই হে ! তটিনীর তরল তরঙ্গে হাত পা বাধিয়া ফেলিয়া efff; দিতে আরম্ভ কৰিল, cश नि 起创 পড়িয়া, দুলিয়া ঢলিয়া আণ্ড পাছু দুই এক পদ । চলিতে শিখিল, সেইদিনেই কেমন করিয়া। উঠতে পাের ত বৃকোদরের বল পাও । না পার | ত সংসারের সকল জ্বালাঁ যন্ত্রণা এড়াইলে ! কিন্তু হায়! পোড়া রসাল যে গাছে ফলে ! / তুমি আমি তার তলে-সেই সিন্দুর রাগরঞ্জিত । --দেখিতে সুন্দর, কিন্তু ক্ষুরধার-দশন কাঠবিড়াল । { খণ্ডিত পক্ক রসালটির প্রতি সতৃষ্ণনয়নে চাহিয়া । থাকি। কখন ভাবি হায়রে রসাল! তোরে। বৃন্ত বন্ধনে বঁধিল কে ? বঁধিলই যদি, কেন তবে ভূমিকুষ্মাণ্ডের মত আমার গৃহ প্রাঙ্গণে, আমার অনুন্নত পর্ণকুটীরের শীতল ছায়ায় । আনিয়া বঁধিল না ? আমি হস্ত প্রসারণের কা { দায় হইতে নিস্কৃতি পাইতাম। কখন ভাবি এমন বিশ্ৰী, নীরস, দন্দ্রব্রুসমাচ্ছন্ন সহকার স্কন্ধে এমন দিগন্তপ্ৰসাৱী কঠিন শাখায় এমন সোণার ফলটী রাখিল কে ? রাখিলই যদি, ফলটীকে মাকাল করিল না কেন ? কাঠবিড়াল কাছে বসিয়া করলেহন করে ; পাখী পাখা ঝাড়িয়া মাথা নাড়িয়া প্ৰলাপ বকে ; তুমি নিম্নে দাঁড়াইয়া হঁ করিয়া পাখী বিড়ালের রঙ্গ দেখ, আমি কল্পনার আকর্ষী দিয়া ফলটিকে আমার কুঞ্জে। আনিয়া তাঙ্কার হৃদয়ে একটু মুধু ঢালিয়া দিই। : ভাই হে বিধিবিড়ম্বনা ! ! এই সহকারেই সোহাগ ভরে, শাখায় শাখায় পাতায় পাতায় । জড়াইয়া; মাধবীলতা প্ৰাণ পায়। এই সহকারু s তরঙ্গ जूलिश। , বসন্তবিনোদী কাননিকার বাল্যলীলা লিখিব কি ?--কিম্বা । তোমাকে একেবারে সেই প্ৰেমময়ীর যৌবন । অনেক দুঃখে মানব কল্পনার আশ্ৰয় লৈ S SS SS S S S S S স্না | ছলনা বাঞ্চনার লীলাস্থল সংসাৱক্ষেত্রে পা বাড়াদিব ? সংসারের দুখঃভারাক্রান্ত তুমি পড়িতে | যেইখানে চন্দ্ৰকলা সেইখানে কটে ৷ ‘ · ইতে সাহস না করিয়া, কত অকেজো পাগল ঘরে ।