পাতা:অনাথ আশ্রম - ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ.pdf/৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভিক্ষে চেয়েছিল। বাপ আমাকে দিতে স্বীকার । করেছে। সুধু মন্ত্র পড়া বাকী। বাপ আমার ; আত্মীয় কুটুম্বদের নেমন্ত্রণ করে এসেছে।-রাত্রে বিয়ে হবার কথা । লক্ষ্মণ। তুমি সুধু কাপুরুষ নও-প্রবৃত্তিও তোমার কি এতই নীচ! মেবারের রাজপুত্ৰ তুমি কি না, একটা চাষার মেয়ের জন্য লালায়িত হয়ে, তার বাপের কাছে মাথা হেঁট করেছি! তোমার প্রবৃত্তিকে ধিক, তোমার জীবনেও ধিক্‌। তোমার বেঁচে থাকবার কোন প্রয়োজন আমি দেখতে পাচ্ছি না। এই-- একে নিয়ে জল্লাদের হাতে সমৰ্পণ করা। রুক্স । আমার কথা ? ? লক্ষ্মণ। তোমার আবার কি কথা ? তোমার সঙ্গে ওর কোনও সম্বন্ধ নেই! তোমার পিতাকে গিয়ে বল, তোমাকে অন্য স্থানে বিবাহ দিক্‌ ! রুক্স। আমি সুখ ভোগের জন্য বলছিনি -ধৰ্ম্মের জন্য বলছি-সুবিচার কর রাজা, সুবিচার করা। লক্ষ্মণ । বিচার ঠিক করেছি।- রুক্স । কোনও সম্পর্ক নেই ? লক্ষ্মণ । কই সম্পর্ক ত দেখতে পাচ্ছি না । রুক্স। কিন্তু আমি যে দেখতে পাচ্ছি রাজা ! ! লক্ষ্মণ। দেখতে পাও, বৈধব্য ভোগ কর। ; রুক্সা। বেশ, তা হ’লে নিজ হাঁ खलांकि ७ि ना । লক্ষ্মণ। তোমার কথা শুনৰ কেন ? রুক্স। বেশ, কে নিয়ে যেতে পারে নিয়ে । যাক ! , লক্ষ্মণ। তাইত একি দেখি! বন্যসরলতা, । প্ৰকৃতিকমনীয়তা ও নগেন্দ্ৰনন্দিনীর ভুবনবশীকরণী কাটো, | করি, হতভাগ্য পুত্রকে ক্ষমা কর। নইলে যে (ब्रह्मभ लूनि ज़िाईल) | क्शा। फूमि ग्रांज, তার ওপর আমার । শ্বশুর, তাই তোমাকে আমি কিছু বলতে পারছি না। আমি বেঁচে থাকতে আমার চোখের | ওপরে অন্যে আমার স্বামীর গায়ে হাত তুলবো ? জন রাজা, সতীর মনে কষ্ট দিলে কি হয় ? তুমি রাজা, আমি গরীব চাষীর মেয়ে, মদগৰ্বে তুমি আমাকে যা খুলী তাই বলতে পার। কিন্তু শোনােন কি রাজা-পুরাণে কি কখন শোননি, সতীর শাপে দক্ষপ্লাজার কি হয়েছিল ? তুমিও যদি আমাকে অবলা মনে ক’রে জোর – ক’রে আমার স্বামীকে নিয়ে যাও তাহলে- “ ( পদ্মিনীর প্রবেশ ) পদ্মিনী। অভিসম্পাত দিও না মা ! অভিসম্পাত দিও না ! বৃক্ষ কর সতী, রক্ষা কর -ক্ৰোধ ক’র না ! ! লক্ষ্মণ । একি মা, তুমি এখানে ? পদ্মিনী। সতীর মনোবেদনা আমার বুকে লেগেছে। রাণা, তাই আমি ছুটে এসেছি। যদি প্ৰজার মঙ্গল সাধনই রাজার কৰ্ত্তব্য হয়, যদি | দীন নিরাশ্রয়কে রক্ষা করাই রাজপুতের ধৰ্ম্ম হয়, যদি সংগ্রামে শত্রু দলনি ক’রে, দিগ্বিজয়ী নাম গ্ৰহণ করাই তোমার উদ্দেশ্য হয়, তাহলে। । नौष्क क्लै लिन अडिगलांड नि७ न। তোমার কৰ্ত্তব্য-ভ্ৰষ্ট সন্তানের জন্য আমি বলছি না-সতীর মৰ্যাদা রাখবার জন্য আমি অনুরোধ কাৰ্য সাধনের জন্য অগ্রসর হয়েছ, সে কাৰ্য্য। তোমার কিছুতেই সিদ্ধ হবে না। ভারত-রমণীর সতীত্ব গৌরবে এখনও পবিত্ৰ আৰ্যভূমি বিধৰ্ম্মীর আক্রমণ থেকে রক্ষা পেয়ে আসছে। মেবাররাজ ! তুমিই সেই রত্ন-ভাণ্ডারের রক্ষক। তুমি শক্তি পরস্পরে বিজড়িত হয়ে, একি অপূৰ্ব্বমূৰ্ত্তি । সহসা আমার চােখের উপর প্রস্ফুটিত হয়ে উঠল! নিজে সেই পবিত্ৰ ভারের অপব্যবহার ক’র না। সন্তানকে ছেড়ে দাও! :