পাতা:অনাথ আশ্রম - ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ.pdf/৫৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


একজন বলপ্টিয়ার বলিল, “বাগানের প্রান্ত ¦ | ভাগে একটী চাকরজাতীয় ছোকরা বসিয়া আছে । তাহাকে দেখিতে মন্দ নয় । তাঁহাকে দেখিব কি ?” নিরঞ্জন । দেখ দেখ, শীঘ্ৰ দেখা ! তাহাকে কিছু বকৃসিস দিবার নাম করিয়া লইয়া আইস । সৰ্ব্বনাশ হইল, আমার মান সন্ত্রম সব গেল। * दृ ि८लाक झानाकेलाश । বলণ্টিয়ার ছুটিল। নিরঞ্জন অন্য বলণ্টিয়ারগণকে বলিলেন, “তোমরা না হয় সেই বামুনগুলার সন্ধান কর ।”-তাহারাও চারিদিকে छूनि । ४शभ त्रनशुिद्धि कितिन निद्रवन বলিলেন, “খবর কি ?” दल । अभि ऊांश् एक अ िअनिों श्रीरु कठुल कत्रिलोभ । 6न cवल अनां नां श्राश्टल আসিতে' বুজি হয় না । ጶ' নিরঞ্জন। আরো তাই দিব বল না ছাই ! এখন কি আর টাকার মায়া করিলে চলে ! বলণ্টিয়ার ছুটিল, এবং একটু পরেই চাকরকে ধরিয়া আনিল । নিরঞ্জন দেখিলেন চাকর আর অন্য কেহ নহে, স্বয়ং মটুক শৰ্ম্ম তাহার আর বিস্মিত হইবার সময় নাই । তিনি একেবারে বলিয়া উঠিলেন-“রে চাকর । ষোল আনাই পাইবি । এই বেলা যা বলি, তাই কর।” চাকর মস্তক অবনত করিয়া সম্মতি জানাইল । নিরঞ্জন বলন্টিয়ারকে বলিলেন, “ইহাকে “fists ( livery )” agiši vrtog ” atsiti * নিরঞ্জন আর কিছু দেখিতে পাইতেছিলেন না । সেই ক্রোধের ভরে চক্ষু মুদিয়া বলন্টিয়ারের | দলকে বলিতে লাগিলেন- “তোমরা যাহা করিতে হয়, কর । তোমাদের উপর সম্পূর্ণ ভার দিলাম। আমার অসুখ করিতেছে। আমি শয়ন করিতে চলিলাম।” - রিচা অতি উল্লাসে বলািন্টয়ারগণ কাৰ্য্য করিতে আটটাও বাজিল, অমনি ঐক্যতনু আরম্ভ হইল। বাদনও থামিল, অমনি যবনিকা छैहखालिऊ क्षेल । शनिका७ छैठैल, अभन्ि ভর্তুদারিকারূপিণী কাননিকা, চাকর মর্টুকের হাত ধরিয়া সভাগৃহে প্ৰবেশ করিলা । কাননিকাও প্রবিষ্ট হইল, অমনি চারি দিক হইতে শ্রবপভেদী চড় চড় শব্দ হইল । ভুবনমোহিনীর দর্শনমাত্ৰেই সভ্যমণ্ডলীর হৃদয় যুগপৎ দুরু দুরু করিয়া উঠিল। করতালির শব্দ ছাপাইয়া সে দুরু দুরু ধ্বনি ভাবুকের কাণে গেল। পরিচায়কের করে কারভার ন্যস্ত করিয়া সুন্দরীর লাজমন্থর গমন প্ৰতিপাদবিক্ষেপে হৃদয় কঁপাইয়া সভাস্থলে একটা অপূর্ব ভাব তরঙ্গের সৃষ্টি করিল । প্ৰতিপ্ৰাণ নীরব চীৎকারে বলিয়া উঠিল ;- “মদিরালোচনে । লজ্জানত বদন তুলিয়া একবার আমার পানে চাহিবে কি ?” পরিচায়কও অবনত বদন । মৃত্তিকার দিকে চাহিয়া চাহিয়া, কাননিকার হাত ধরিয়া তাহাকে সভা মধ্যস্থলে সেই কৃত্রিম প্রস্রবণতীরে লইয়া চলিল। যেন লজ্জা লজ্জাকে টানিতেছিল, অন্ধ পঙ্গুকে পথ দেখাইতেছিল। যাইতে যাইতে কাননিকা শতবার দাড়াইল । । শত স্থানে রূপ ঝরিয়া যেন শত সুধাসরসীর সৃষ্টি করিল। দেহযুষ্টির কোমলতায় বালিকার প্রতি পদক্ষেপে বিলাসচাপল্য, সেই সহস্র দর্শকের প্ৰাণে সহস্ৰ আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি করিল। প্ৰত্যেকেই মনে করিল, সুন্দরী তাঁহারই জন্য এইরূপ করিতেছে। “অহো কামী স্বতাং পশ্যতি।” । কামনাপরবশ বরূকুল বরাননার নয়ন দুটী । | নিজ নিজ সৌন্দর্ঘ্যে গাঁথিয়া রাখিবার জন্য নানা- ৷