পাতা:অনাথ আশ্রম - ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ.pdf/৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কমলা। তুমি ধাৰ্ম্মিক-চূড়ামণি। আমি । রাজার নামে, আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করি, | তুমি আমার কথায় বিশ্বাস করবে ? : কাণ্ডুৱা । বিশ্বাসযোগ্য হ’লে করব। - কমলা। আমি প্ৰতিহিংসার ব্ৰশৰাৰ্ত্তিনী হয়ে । ধৰ্ম্ম ত্যাগ করতে চলেছি। মৃত্যুকালে স্বামী । আমাকে আদেশ দিয়ে যান, যদি কখন চিতোররাজ ও কর্তৃক আমার অপমানের প্রতিশোধ | নিতে পাের, তবেই জানিব তুমি আমার স্ত্রী। যদি এর জন্য তোমাকে ধৰ্ম্ম ত্যাগ করতে হয়, পত্যন্তর গ্রহণ করতে হয় তথাপি তুমি আমার | | স্ত্রী । প্ৰতিশোধের উপায়ান্তর না দেখে আমি মুসলমান সম্রাটের শরণাপন্ন হয়েছি। ক্ষুদ্র গুজরাটের রাণী হয়ে যখন কিছু করতে পারলুম || ; না, তখন ভারত সম্রাজী হবার বাসনা হ’ল । ] দেখব, আত্মনাশ ক’ৱেও চিতোরের সর্বনাশ করতে পারি কি না ! কাফুর । সত্য ? ա কমলা। এর একটী কথাও মিথ্যা নয়। মনের একটী কথাও তোমার কাছে গোপন । করিনি। প্ৰভুভক্ত বীর! আমি তোমার প লোকগীত প্রভুর নাম ক’রে, তোমার কাছে । সহায়তা ভিক্ষা করি। সম্রাট আমাকে দিয়ে । তোমাকে নিমন্ত্ৰণ ক’রে পাঠিয়েছেন। ( আলাউদ্দীনের প্রবেশ ) स्थानि। गवां निखछे मिशलभ कलाक | এসেছে। বীরশ্ৰেষ্ঠ ! এই যুদ্ধে তুমি আমার । সৰ্ব্ব প্রধান শত্রু ব’লেই, আমি তোমার মিত্ৰতা । বাঞ্ছা করি। তুমি এসে দিল্লীর সম্রাটের সেনাপতিত্ব গ্রহণ কর । । কাফুর । সম্রাট ! যদি প্ৰতিজ্ঞা করেন, আমি যখন হিন্দুস্থানের যে রাজার বিরুদ্ধে গোলামী গ্রহণ করতে পারি। - আলা। কাফুর। প্ৰতিজ্ঞা করছি, তুমি । তার অনুমােদন করবেন, তবে আমি उश्रांश्रांनांत । যদি আমারও বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতে চাও, আমি তৎক্ষণাৎ তোমাকে গলা বাড়িয়ে দেব। : কাকুর। (আলার পায়ে অস্ত্র রাখিয়া ) । জাহাপনা ! গোলামের সেলাম গ্ৰহণ করুন। } । চতুৰ্থ অঙ্ক। প্ৰথম দৃশ্য । [ গিরিসঙ্কট ] উজীৱ । । উজীর। এৰুি চিতোরীর চরিত্র ? একি চিতোরীর প্রতিজ্ঞা ? একি আতিথেয়তা ? একটা অপরিচিত মুসলমান মহিলার আবেদনে, এরা কিনা। সমস্ত চিতোরী অমান বদনে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে চলেছে ! রাণা কিনা একটা তুচ্ছ ভিখারিণীর মৰ্যাদা রাখতে, বংশের প্রদীপ, চিতোরের ভাবী রাণা জ্যেষ্ঠ পুত্রকে নির্বাসিত করে দিয়েছে! তার অপরাধ-সে। কি না । যথাসময়ে অপরাপর সরদারদের সঙ্গে নির্দিষ্ট । স্থানে উপস্থিত হ’তে পারেনি! অথচ মৃত্যুকে সম্মুখে ক’রে সে সাহসী যুবক, অভিযানের - পুৰ্ব্বক্ষণে পিতার কাছে উপস্থিত হচ্ছিল! : একি উন্মত্ত ধৰ্ম্মজীবন ! এই হিন্দুজাতিকে । আমরা চিনতে পারলুম না! সামান্ত আত্মীয়তাঁয়, অতি সহজে যাদের আমরা আপনার | চক্ষে ইচ্ছাপূর্বক একটা মোহের আবরণ দিয়ে । আমরা কিনা তাদের দেখেও দেখলুম না । এক ঘরে বাস করতে এসেও তাদের কিনা দূরে