পাতা:অনুরাধা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


፵ያ፳፬ খাওয়া শেষ হইলে বিজয় বাহিরে যাইবার সময়ে ਬਰ বলিল, ঝুড়িটায় অনেক রকম তরকারি আছে কিন্তু বাইবুে আঃ পাঠালুমনা। কাল সকালেও আপনি এখানেই থাবেন। -তথাস্তু। কিন্তু বুঝেছেন বোধকরি সাধারণের চেয়ে ক্ষিদেটা আমার বেশি। নইলে প্রস্তাব করতুম শুধু সকালে নয়, নেমন্ত্যুম্নর মেয়াদটা বাড়িয়ে দিন ঘে-কটা দিন থাকি । আপনার হাতে খেয়েই যেন বাড়ী চলে যেতে পারি। উত্তর আসিল-সে আমার সৌভাগ্য। পরদিন প্ৰভাতেই বহুবিধ আহাৰ্য্য দ্রব্য অনুরাধার রান্না-ঘরের বারান্দায় আসিয়া পৌঁছিল। সে আপত্তি করিলানা তুলিয়া রাখিল । ইষ্টার পরে তিনদিনের স্থলে পাঁচদিন কাটিল। কুমার সম্পূর্ণ সুস্থ হইয়া উঠিল। এই কয়দিন বিজয় ক্ষোভের সহিত লক্ষ্য করিল যে আতিথ্যের ত্রুটি কোনদিকে নাই, কিন্তু পরিচয়ের দূরত্ব তেমনি অবিচলিত রহিল কোন ছলেই তিলাৰ্দ্ধ সন্নিকটবৰ্ত্তী হইলন। বারান্দায় খাবার যায়গা করিয়া দিয়া অনুরাধা ঘরের মধ্যে হইতে সাজাইয়া গুছাইয়া দেয়, পরিবেশন করে সন্তোষ । কুমার আসিয়া বলে বাবা, মাসিমা বললেন মাছের তরকারিটা অতখানি পড়ে থাকলে চলবেন আর একটু খেতে হবে। বিজয় বলে তোমার মাসিমাকে বলেগে বাবাকে রাক্ষস শুভাবা ঠার r