পাতা:অনুরাধা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৮৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अशुद्धांक्ष ধূলা লইল, তাহার মাথায় থাবা থাবা সিঁদুর ঘষিয়া দিল, কহিল, মানুষ ত নয়, যেন সাক্ষাৎ মা- । বৃদ্ধের বলিলেন, সাবিত্রীর উপাখ্যান মিথ্যে, না কলিতে ধৰ্ম্ম গেছে বলেই একেবারে ষোলো আনা গেছে ? যমের মুখ থেকে স্বামীকে ফিরিয়ে নিয়ে এলো । • বন্ধুর লাইব্রেরি ঘরে বলাবলি করিতে লাগিল, সাধে আর মানুষে স্ত্রীর গোলাম হয় হে! বিয়ে তা আমরাও করেছি, কিন্তু এমন নইলে আর স্ত্ৰী ! এখন বোঝা গেল কেন হরিশ সন্ধ্যার পরে বাইরে থাকৃত না । বীরেন উকীল ভক্তলোক, গত বৎসর ছুটিতে কাশী গিয়া সে সন্ন্যাসীর কাছে মন্ত্র লইয়া আসিয়াছে, টেবিলে প্ৰচণ্ড করাঘাত কিঙ্কিয়া কহিল, আমি জানতাম হরিশ মরুতেই পারে না । সত্যিকার সতীত্ব জিনিষটা কি সোজা ব্যাপার হে? বাড়ী থেকে BB Si BD D DDBBS D DYSS D DJYiSiiS DD fäögö তারিণী চাটুয্যের বয়স হইয়াছে, আফিং খোয় লোক, একাধারে বসিয়া নিবিষ্টচিত্তে তামাক খাইতেছিল, হকাটা বেহায়ার হাতে দিয়া নিশ্বাস ফেলিয়া বলিল, শাস্ত্ৰমতে সহধৰ্ম্মিণী’ কথাটা ভাগ্নি শক্ত । আমার দেখান কেবল মেয়েই সাতটা । বিয়ে দিতে দিতেই ফতুর হয়ে গেলাম। অনেকদিন পরে ভাল হইয়া আবার যখন হরিশ আদালতে 辆物