পাতা:অনুরাধা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


粤 অনুরাধ দিকে লাবণ্যর ৰাস । তাহার মনে হয়। পতি-প্রাণী ভাৰ্য্যার gì চন্থ দশ চক্ষু হইয়া দশ দিক হইতে গতিকে অহরহ নিরীক্ষা করিতেছে। তাহার বিরাম নাই, বিশ্রাম নাই,-মাধ্যাকর্ষণে ভায় তাহা নিত্য। স্নানের পরে আশির দিকে চাহিয়া তাহা মনে হইত সতী সাধনীর এই অক্ষয় প্রেমের আগুনে তাহা কলুষিত দেহের নশ্বর মেদ-মজ্জা-মাংস শুষ্ক ও নিষ্পাপ হইয়া অত্যন্ত্ৰ দ্রুত উচ্চতর লোকের জন্য প্রস্তুত হইয়া উঠিতেছে। তাহার * আলমারির মধ্যে একখানা কালীসিংহের মহাভারত ছিল, সময় যখন কাটিত না তখন তাহা হইতে সে বাছিয়া বাছিয়া সতী নারীর উপাখ্যান পড়িত। কি তার প্রচণ্ড বিক্রম ও কতই না অদ্ভুক্ত কাহিনী। স্বামী পাপী তাপী যাহাই হৌক, কেবলমাত্র স্ত্রীর সতীত্বের জোরেই সমস্ত পাপ-মুক্ত হইয়া অস্তে কল্পকাল তাহার একত্রে বাস করে। কল্পকাল যে ঠিক কত হরিশ জানিত না কিন্তু সে যে কম নহে, এবং মুনি ঋষিদের লেখা শাস্ত্ৰবাক্য যে মিথ্যা নহে, এই কথা মনে করিয়া তাহার সর্বাঙ্গ অবশ হইয়। উঠিত। পরলোকের ভরসায় জুলাঞ্জলি দিয়া গে ; বিছানায় শুইয় মাঝে মাঝে ইহলোকের ভাবনা ভাবিত ; ফ্রি গুপ্ত কোন পথ নাই সোহেবদের হইলে মামলা-মকদ্দমা খাড়া করিয়া এতদিনে যাহোঁব একটা ছাড়-রফা করিয়া ফেলিত ; মুসলমানদের হইলে তিন তালাব দিয়া বহুপূৰ্বেই চুকাইয়া ফেলিত ; কিন্তু নিরীহ, এক-পজীব্রত্ব ଈଙ୍କି میر