পাতা:অনুরাধা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সন্মুখী ভদ্র বাঙালী-না, কােন উপায় নাই) ইংরাজি শিক্ষায় বক। বিবাহ ঘুচিয়াছো-বিশেষত, নিৰ্ম্মল-“চন্দ্র স্বৰ্য যাহার খে দেখিতে পায়ন, অতি-বড় শত্ৰুও বাহার সতীত্ব বিন্দুৱাৰ ফলত লেপন করিতে পারেনা, বস্তুত, স্বামী ভিন্ন নাহার বাক্ষাজনি নষ্ট । তাহাকেই পরিত্যাগ! বাপ রে! নিৰ্ম্মল, নিষ্কলুষ বিশ্ব-সমাজেদি । মধ্যে কি আর মুখ দেখাইতে পরিবে ? দেশের লোকে খাই খাই । করিয়া হয়ত তাহাকে থাইয়াই ফেলিবে। స్టో ভাবিতে ভাবিতে চোখ কান গরম হইয়া উঠিত, বিছান। ছাড়িয়া মাথায় মুখে জল দিয়া বাকি রাতটুকু সে চেয়ারে বসিয়া কাটাইয়া দিত। এমনি করিয়া বােধহয় মাসাধিক কাল গাত হইয়া গেছে, হরিশ, আদালতে বাহির হইতেছিল, কিন্তু আসিয়া একখানা চিঠি তাহার হাতে দিল। কহিল, জবাবের জন্তে লোক দাড়িয়ে আছে। খাম ছেড়া, উপরে লাবণ্যর হস্তাক্ষর । হরিশ জিজ্ঞাসা করিল, চিঠি আমার খুললে কে ? কি কহিল, মা । হরিশ চিঠি পড়িয়া দেখিলা লাবণ্য অনেক দুঃখ করিয়া লিথিয়াছে, সেদিন আমার অসুখ চোখে দেখে গিয়েও আর একটি বারও খবর নিলেন না। আমি মরুলুম কি বাঁচলুম। অথচ, বেশ জানেন এ বিদেশে আপনি ছাড়া আমার আপনার লোকও কেউ ।