প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১০৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


у о о অন্ধকারের আফ্রিকা বেশিক্ষণ থাকবে না। শুনেছি। একবার নাকি শিখ পণ্টিনের সংগে এরা লড়েছিল। শিখ পণ্টিন যখন গ্রামে প্রবেশ করেছিল তখন একটি মানুষও গ্রামের । জীবিত ছিল না । স্ত্রীপুরুষ সবাই মিলে व्याख्राष्ट्रिवा । ন্যাস হ্রদের উপকূল দিয়ে পথ ছিল না বলেই আমাকে জাহাজে করে যেতে হয়েছিল যদি বলি। তবে কথািটর মূল্য বাড়বে না, কথাটাকে খাটিই করা হবে। তাই বলছি ন্যাসালেক জাহাজে করে পাড়ি দিতে আমার ইচ্ছা হয়েছিল । জাহাজে কেবিন অর্থাৎ প্রথম শ্রেণীর যাত্রী নেওয়া হয়। আর নেওয়া হয়। * ডেক প্যাসেনজার । চাদপুর হতে গোয়ালন্দে যারা তৃতীয় শ্রেণীতে জাহাজে ভ্ৰমণ করেন। তাদের বলা হয় ডেকে প্যাসেনজার, আর যারা প্ৰথম শ্রেণীতে ভ্ৰমণ করেন তাদের বলা হয় কেবিন প্যাসেনজার। ভারতবাসীকে এখানে কেবিন প্যাসেনজার করা হয় না। ঘরে বসে অনেক ভারতীয় উচ্চ শ্রেণী : হিন্দু ভাবেন। তাদের বড় জাত, তাদের অধ্যাত্ম তত্ত্ব আছে, তাদের গুণ গরিমা অফুরন্ত কিন্তু মহাশয়দের বলছি। এখানে তাদের কোন গুণই নাই, তারা নিগ্রোদের মতই আফ্রিকাতে ব্যবহার পান। ঘরে বসে হামবড় *বললে চলে না। ঘরে বাইরে সমান হতে হয় । স্থানীয় ধনীরা আমার জন্য কেবিন শ্রেণীর টিকিট কিনিতে সক্ষম হননি এই সংবাদ যখন আমার কাছে পৌঁছল তখন ইচ্ছা হল একবার নিজে কাপ্তানের কাছে যাই। কি চিন্তা করে গেলাম নৃ। একদম জাহাজে গিয়ে উঠলাম। জাহাজে উঠা মাত্রই কাপ্তান আমার কাছে আসলেন এবং আমাকে ভূপৰ্যটক জেনে তৎক্ষণাৎ একটি কেবিন ছেড়ে দিলেন। আমি কাপ্তানকে বলেছিলাম “যদিও