প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১০৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


so অন্ধকারের আফ্রিকা নাবিকেরাষ্ট ব্যবহার করে, আমি এখন জাহাজের কথাই বলছি অতএব এখন আমার মিষ্টি,জ্বল বলবার অধিকার আছে। সমুদ্র যত গভীয় হয়। সেই স্থানের জল ততই নীল হয়। আমরা এক ঘণ্টা চলার পরই এমন এক স্থানে এসে পড়লাম যেখানে হ্রদের জ্বল একেবারে নীল দেখাতে লাগল। আন্দাজ করলাম। এ স্থানের গভীরতা ভূমধ্যসাগরের যেখানে সব চেয়ে বেশি গভীর জল সে স্থানের সংগে তুলুনা দেওয়া যেতে পারে। আপন মনের মাঝেই সেই ভৌগোলিক তত্ত্ব নিয়ে চিন্তা করতে লািগলাম। এমন একটি লোক পেলাম না যায় সংগে এ সম্বন্ধে একটু কথা বলি। আমার সংগে অন্য তিন জন ভারতবাসী ছিলেন। একজন ছিলেন মৌলবী, তিনি আল্লার সম্বন্ধে অনেক কথাই বলতে পারতেন, বিস্তু সমুদ্রে কি করে জাহাজ চলে এবং কোন দিক উত্তর আর কোন দিক দক্ষিণ সে সংবাদ জানতেন না ; জন্য দুজন ছিলেন ব্যবসাখী । তারা শুধু টাকা শুনতেই জানতেন এর বেশি আর কিছু ” শতেন না। এ সম্বন্ধে প্ৰকৃতপক্ষে আমাকে নীরব থাকতে হয়েছিল। জাহাজে একজন কংকনী মুসলমান ছিলেন । তিনি ইনজিন ড্রাইভারী হতে তেল ওয়ালার কাজ পৰ্যন্ত করতেন । তিনি ছিলেন। বড়ই সদাশয় লোক। তারই অনুগ্রহে যে কয়দিন জাহাজে কেটেছিল সে কয়দিন দক্ষিণ হাতের কা% সুচারুরূপেই সম্পন্ন হয়েছিল । আমার সংগের তিন জন ভারতবাসী, এবং সেই ইনজিন ড্রাইভার যখন একত্র বসতাম। তখন ভূতের গল্প বলেই সময় কাটাতাম । *আমি মাঝে মাঝে নিগ্রোদের কথা উঠাতাম, তারা নিগ্রোদের সম্বন্ধে কিছুই বলতে চাইতেন না, এমন কি নিগ্রোরা যে মানুষ তাও বিশ্বাস করতে তাদেৱ যেন কষ্ট হত। নিগ্রোদের "দেশে থাকিব,