প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১১০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


शामान 9 of বেশ আনন্দ হয়েছিল, আর মনে হয়েছিল ভারতের এংলো ইণ্ডিয়ানদের কথা । তারপরই মনে হয়েছিল আমাদের সমাজের কথাঁ। আমরা অপরকে গ্ৰহণ করার পরিবর্তে বর্জনই করি এবং সেজন্যই এংলো ইণ্ডিয়ান সমাজের সৃষ্টি হয়েছে। নিগ্রোরা এইরূপ বর্জন নীতি শিখেনি। ভবিষ্যতে শিখবেও না। কারণ নিগ্রোরা এরই মাঝে সময়ের ংগে পা ফেলে চলতে শিখছে। দিন যায় রাত হয়, জাহাজ ক্রিমাগত চলে । আমার কোন কাজই ছিল না। জাহাজের কেপ্টেন আমার সংগে কখা একদিনই বলেছিলেন। তারপর আমার সংগে দেখা করার প্রবৃত্তি একেবারেই বোধ হয় লোপ পেয়েছিল। বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদ.যে সকল বৃটিশ মজুর বুঝতে পারে তারা । অপরকে মুখ দেখাতেও লজ্জা বোধ করে। বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদে এমন অনেক কলংক আছে যার কথা কেউ মুখেও আনতে চায় না । চতুর্থ দিন বিকাল বেলা জাহাজখানা বা দিকে একটি গ্রামের কাছে এসে ভিড়ল। কেপ্টেন দৌড়ে এসে আমাকে বললেন গ্রামখানা দেখে আসবেন এবং গ্রামের কাছে যে ধ্বংস স্তুপটি রয়েছে তার সম্বন্ধে আপনার কি মত তাও আমাকে বলবেন । আমি কেপ্টেনেয় কথায় রাজি হলাম এবং তৎক্ষণাৎ মৌল্লার সংগে হ্রদের তীরে অবতরণ করলাম। হ্রদের তীরে বেয়ে একটি ছোট পথ গ্রামেতে চলে গিয়েছে । আমরাও সেই পথ ধরেই চললাম, মোল্লা চলেছিলেন মুরগীর অন্বেষণে আর আমি চলেছিলাম ধংস স্তুপটি দেখতে। পথের দুপাশে ছোট বড় বৃক্ষ। বৃক্ষগুলি দেখলেই মনে হয় এখানে ট্রপিকেল আবহাওয়া যদিও বর্তমান তবুও বাংলার টুপিকেল আবহাওয়াৰু মাঝে যে প্রকারের বৃক্ষ, লতা এবং উদ্ভিদ হয় এখানে তার নাম গন্ধও নাই। প্রত্যেকটি গাছের চামুড়া মসৃণ। পাতাগুলি পুরু। গ্রামে গিয়ে