প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১১২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ন্যাসালেণ্ড Σ ο ή সম্বন্ধ নাই। ইটগুলি ঠিক চারকুনে নয় একটু তেড়া হয়ে চারকুনে হয়েছে। তারপর হাতের কাছেই পেতে লাগলাম। কতকগুলি পাটকেল । দু’তিন খানা পাটকেল একত্র যোগ দিয়ে”। দেখলাম হয়েছে একথানা ত্ৰিভূজ। এরূপ ত্রিভুজযুক্ত একখানা ইট পাই কিনা তাই খুঁজতে খুঁজতে পথে চললাম। কতক্ষণ গিয়ে একটা ইটের স্তুপ পেলাম, সেই স্তুপে সবই ত্রিভুজ ইট। আমি দাড়িয়ে তাই দেখলাম। মনের কোণে তখন পুৱাতন সভ্যতার কথা ক্ৰমাগত আসছিল। ভুলে গিয়েছিলাম। আমার বাড়ি ঘর, ভুলে গিয়েছিলাম”আঁমার জাতের কথা। আমি যেন হয়ে গিয়েছিলাম। একজন সভ্য বিশ্বমানবের } জাতীয়ভােব বড়ই খারাপ। নিজের জাতের সংগে এর কোন সম্বন্ধ আছে কিনা তাই হয়ে যায় প্রতিপাদ্য বিষয় । বতমানের রুশদেশের কমিউনিষ্টয়াই নিরপেক্ষতা বজায় রেখে অস্যের সম্বন্ধে কিছু বলতে সক্ষম হয় নতুবা প্ৰত্যেক জাতের লোকই নিজের জাতীয় গৌরব বাড়াতে গিয়ে আবোল তাবোল বাকে । ঐ যে মঠটি আমার সামনে দাড়িয়ে আছে ইচ্ছা করলেই আমি ভারতের যে কোন সভ্যতার সংগে খাপ খাইয়ে দিয়ে ভারতীয় সভ্যতায় অংশে মিশিয়ে দিতে পারতাম। কিন্তু তা হতে পারে না। আমাদের পুরাতন সভ্যতা সম্বলিত ইমারতের অভাব নাই তাই অপরের কিছু চুরি করে নিজস্ব করার দরকার নাই। — স্তুপটি অনেক পুরাতন। দুগ্ধ হতে প্রথম মনে হয় এটা একটি হিন্দুর মঠ, কাছে গেলে মনে হয় এটা একটি আরবের দুর্গ। দেওয়াল উঁচু; * মঠের আরও কাছে গেলে মনে হয় এই মঠটি এদুয়ের কিছুই নয়, অন্য আর কিছু, যার সম্বন্ধে আজ পর্যন্ত কেউ কোন মন্তব্য করেন নি। , আমি মন্তব্য করতে ভয় পাচ্ছি না। তবে অতি চিকুণ গলায় বলব। এটা ভ্ৰাবীড় সভ্যতার একটি অংশ। দ্রাবািড় নানা রকমের। ভারতের দ্রাবীড়ের