প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১১৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অন্ধকারের আফ্রিকা هلالا সেখানে স্ত্ৰীজাতীর স্বাধীনতা অনেকটা লোপ পেয়েছে। যেখানে এখনও নরডিক নিয়ম বজায় রয়েছে সেখানেই এখনও স্ত্রী স্বাৰ্টীনতা বৰ্ত্তমান। এখানকার স্ত্রীলোক স্বামীর বতর্মানে যে কোন পুরুষকে কয়েক দিনের জন্য স্বামী করে নিতে পারে। এবিষয়ে চিরস্থায়ী স্বামীর আপত্তি করার কিছুই থাকে না, অথবা যদি চিরস্থায়ী স্বামীকে গৃহত্যাগ করতেওঁ হয়। তবে কারো কিছু বলার থাকে না। জাঙ্কাজে সেরূপ একটি ঘটনা ঘটেছিল। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই দেখি একটি লোক কয়েকটা ছেলে মেয়ে নিয়ে একত্রে বসে আছে আর তারই স্ত্রী অন্য একজন পুরুষের ংগে বসে ধীরে এবং আনন্দে কথা বলছে। আমার চক্ষে হয়ত সেই দৃশ্যটি মোটেই আসত না। কিন্তু কংকনী ভদ্রলোক আমাকে বুঝিয়ে বললেন এদের মাঝে কয়েক দিনের জন্য বিয়ে হয়ে গেছে আর ঐ দেখুন স্ত্রীলোকটার পূর্বের স্বামী অন্যত্র বসে আছে। আমার কাছে এই ঘটনাটি নতুন নয় এবং মনেও বাধেনি। আমি পৃথিবীর নতুন এবং পুরাতন উভয় প্রখাকেই সমান ভাবে গ্ৰহণ করতে পারি, কারণ অ’ । ঐ সামাজিক জীবনের আওতায় আসতে তখনও সুযোগ হয়ে উঠেনি। সামাজিক জীবনে আসলে পরেই সমাজকে চেনা যায় নতুবা কিছুই বুঝা যায় না। আফ্রিকার অন্তস্থল কত সুন্দর এশিয়াবাসী এখনও জানিবার পচেষ্টা করেনি । এশিয়াবাসী ব্যবসা বাণিজ্য করতে আফ্রিকায় যায়, মোটা টাকা অর্জন করে দেশে ফিরে আসে। কিন্তু আফ্রিকা কি রকম দেশ সে সংবাদটি স্বজনের কাছেও বলতে রাজি হয় না ; মতলবের এটাই চরম দৃষ্টান্ত। ন্যাসা হ্রদের চারিদিকের উর্বর ভূমি, নিৰ্বাহ অধিবাসী, হ্রদের নানারূপ মৎস্ত, এসব বাস্তবিকই লোভনীয় ? কোতৃ-কোতা ( Kota-Kota ) বন্দরটি দেখামাত্র পথিকের মনে একটি শাস্তিত্ব স্নিগ্ধতা আসে। আরবগণ এখানে সর্বপ্রথম আসে